বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
চান রাত্তিরি বুজবাজের অভিযোগ ঐক্যফন্টের
Published : Friday, 4 January, 2019 at 6:23 AM
গিরামের এক ভাইপো তাওয়ালে কুকড়োর মতো ঝিম মাইরে বইসে আচে। তাই দেইকে আগোয় যাইয়ে কলাম, কিরে ভাইপো মন খারাপ ক্যান? ভাইপো কলে, আর কয়ে না চাচা! কয়দিন পর আমার বিয়ে, তাই খুব ভয়তে আছি। শুইনে কলাম, আলাম কনে, মলাম যে! বিয়ে করবি এর মদ্দি আবার ভয়ভীতি কিসির বুজদি পাল্লাম না। দরকার হলি হারবালে যা। ভাইপো কলে, চাচা ওসব কিচু না, আমি আছি আরাক ভয়তি। শুইনে থ’ মাইরে থাকলাম কিচুক্ষন। কাচে আগোয় যাইয়ে কলাম ফ্যারাডা কি ক’দিন! ভাইপো কলে, যে যুগ জামেনা পড়েচে, ধরো বিয়ে কত্তি গেলাম। যাইয়ে যদি শুনি কেউ কইয়ে দেলে হ্যানতে চইলে যাও তুমার বিয়ে হইয়ে গেচে। বউ ছাড়া বাড়ি আইসে এই কেলেংকারীর মুক সবার সুমকি দেকাপো কিরাম কইরে তাই নিয়ে টেনশনে আচি।
মুক্কু সুক্কু মানুস ভাইপো কি বুজোতি তালি তা বুইজে উটতি পাল্লাম না। তাই ভাইপোর চিন্তা বাদ দিয়ে গিলাম পিপার পড়তি। তাতে জানতি পাল্লাম ভোটে জিতা সংসদ সদস্যরা কালকে শপত নেচেন। কিন্তুক ঐক্যফন্টেত্তে জিতা ৭ জন নতুন এমপি শপত পড়তি যাননি। তারা দলবাইন্দে গেচেন নির্বাচন কমিশনে। সেকেনে তারা স্মারকলিপি দেচেন পোধান নির্বাচন কমিশনারের কাচে। সিইসি চাচা সিডা গ্রহনও করেচেন। স্মারকলিপিতি মুটাদাগে যে অভিযোগ করা হয়েচে সিডা হচ্চে ভোটের চান রাত্তিরিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোট গ্রহণ কম্মকত্তারা মিলেঝিলে সরকারদলের কর্মীরা ৩০ হতি ৬০ ভাগ ভোট কাইটে ব্যালট বাইকশো ভত্তি কইরে রাকিল। তাই এই চুরায় ভোটের ফল কাইজে দিয়ে নিদ্দলীয়, নিরপেক্ক সরকারের অধীনি ফেত্তে ভোট করার দাবি জানানো হয়েচে। স্মারকলিপি দিয়ার পর সুংবাদ সম্মিলন কইরে ঐক্যফন্টের মুকোপাত্তর ও বিএমপির মহাসচিব মিজ্জা ফকরুল চাচা কইয়েচেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ভোটের আগের রাত ১টার মদ্দি সব দোকানপাট বন্দ কইরে সারাদেশে ভুতুড়ে পরিবেশ বানানো হয়। এর মদ্দি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভোটগ্রহণ কম্মকত্তা ভোট কাইটে চুয়া কইরে দেচে। ভোটের দিন বিয়ানবেলা ভোটকেন্দ এবং কেন্দোর আশপাশের মোড়েঘাট লাঠিশুটা নিয়ে লাটেল বাহিনী ডিউটি দিয়ে ভুটারগের ভোট কেন্দে যাতি বান্দাল দিয়েচে। এ বিষয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাহায্য চালি তারা দেকেও না দেকার ভান কইেরেচে। যে কারনে ভয়তে ভুটাররা বাড়ি চইলে গেচে। এর আগে ভোটের আগের দিন বিরোদীদলের ভুটারগের বাড়ি বাড়ি যাইয়ে ভুট না দিতি বারন দেচে। কেউ যদি বারন না মানে তেবে তারে গায়েবী মামলায় ঘের দিয়ার হুমকি দিয়া হয়েচে। এর মদ্দিও যারা সাহস কইরে কেন্দ পযযন্ত গেচে তাগের জোর জবরদস্তি কইরে সবার সুমকি সরকার দলের মার্কায় সিল মাত্তি বাইদ্য করা হইয়েচে। পিরায় দুপারের আগেই সব জাগায় ব্যালট পিপার শেষ হইয়ে গেচে বিলে দাবি কইরেচেন ফকরুল চাচা।
এই অভিযোগের ফল কি হবে তা জানা নেই। এ কতা শুইনে এক মুরুব্বী কলে, এবার ভোটে দায়িত্ব পিরাপ্তগের ইরাম নিস্কিয়তা জম্মেও দেকিনি। এই কতার টিরামের ওপর ওভার টিরাম মাল্লেন আমাগের হেকমত চা। তিনি কলেন আমরাও ইরাম নিস্কিয় বিরোদী দল জম্মেও দেকিনি। এত ভড়কো হলি ভোট করার দরকারডা কি!
শব্দার্থ
চান = চাঁদ, রাত্তিরি = রাতে, তাওয়ালে = তা’ দেয়া, কুকড়ো = মুরগী, হ্যানতে = এখান থেকে, ফেত্তে = ফের




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft