বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
আশা পূন্ন হইলো না, মনের বাসনা !
Published : Wednesday, 9 January, 2019 at 6:40 AM
পোধানমুন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নয়ামুন্ত্রী সভা যাত্তারা শুরু কইরেচে। সব জল্পনা কল্পনা খ্যায় হইয়ে গেচে পোধানমুন্ত্রীর নিয়া এক সাহসী সিদ্ধান্তে। অনেকে মনে মনে সাইজে গুইজে ছিলো মুন্ত্রীসভার শপত পড়তি যাওয়ার জন্যি। কিন্তুক শপতের আগের বিকেলে মুন্ত্রীপরিষদ সচিব শফিউল চাচা মুন্ত্রীসভার চুতা পোকাশ করার সাতে সাতে আশার গুড়ির মদ্দি বালি ঢুকে গেচে। শুনা যাচ্চে এই হটাস পাওয়া ছ্যাকে অনেকের হাটএটাক পিরায় হইয়েই যাচ্চিল। সে শোক অনেকে কাটাই উটেচে এট্টা সান্তনা বুকি নিয়ে। বিশেষ কইরে যারা জোটের ভাগুরে ছিলেন তারা। তারা একনো আশার জাল বুইনে চলেচেন, সব শেষ হইয়ে যায়নি ভাইবে।
একনও মুন্ত্রিত্বের আশায় আচেন ১৪ দলের ভাগুরে নিতারা। তাগের অনেকের ধারণা, একনও সুমায় আচে মুন্ত্রিসভা বাড়ানোর। তাগের অন্তরের দীর্ঘ বিশ্বাস, কেবল মাত্তর আমলীগির নিতাগের শপত হয়েচে। যে কোন সুমায় ১৪ দলের বাকি ভাগুরেগের শপত হবে। বিএমপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে আমলীগির দুঃসুমায়ে ১৪ দল গঠনের সুমায় ভাগুরে দলগুলোর সিদ্দান্ত ছিল এক সাতে আন্দোলন, এক সাতে জোট, এক সাতে ভোট আর এক সাতে সরকার পরিচালনা করার। কিন্তুক ভোটে একচেটিয়া জয়লাভ করার পর মুন্ত্রীসভায় ছাক্কা আমলীগ নিতারা দপ্তর ভাগজোগ কইরে নিয়ায় ভাইঙ্গে পড়েচেন ভাগুরে দলের নিতারা। তাগের একন আলাম কনে, মলাম যে অবস্তা।
অবশ্য এ বিষায়ে আমলীগির সাধারণ সুম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমুন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চাচা কইয়েচেন, জোট গড়ার সুমায় ইরাম কাটা বান্দা ফুরোনের কোন শত্তই ছিলো না যে তাগের মুন্ত্রী কত্তিই হবে। এ নিয়ে জোটে কোনো টানাপুড়াও নেই বিলেও তিনি জানায়েচেন। তেবে এ কতা মানতি নারাজ ভাগুরে দলের নিতারা। তারা একনো অপার হইয়ে বইসে আচেন ককন ডাক আসে সেই আশায়। কেউ কেউ আড়ে আবডালে কচ্চেন, তাগের দোষডা কনে যে কারনে বাদ পড়তি হইলো। অনেকের মুন্ত্রীত্বে বাদ পড়ার চাইতি বড় দুক্কু পাইয়েচেন মুন্ত্রিসভা গঠন করা নিয়ে আমলীগ তাগের সঙ্গে কোনো উইচাই করিনি বিলে। কিম্বা পরে তাগের কাউরে মুন্ত্রিসভায় নিয়া হবে কি না সে বিষয়েও কোনো মিসকল দেচ্চেনা বিলে।
১৪ দল গঠনের পর ২০০৮ সালের ভোটে জয় পাইলো মহাজোট। তকনকার মুন্ত্রিসভার শুরুতিই সাম্যবাদী দলের সাধারণ সুম্পাদক দিলিপ বড়ুয়া কাকারে শিল্প মুন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়া হইলো। পরে সরকারের মিয়াদের শেষের দিকি জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু চাচারে যোগ করা হইলো। এর পরে মুন্ত্রী হন ওয়াকাস পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন চাচা ও জাতীয় পাটি (জেপি)’র চিয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু চাচা। ২০১৪ সালের ভোটের পরের চালানে সরকার গটন কল্লি মুন্ত্রিসভার শুরুতিই মেনন, ইনু, মঞ্জু চাচাগের ফেত্তে দায়িত্ব দিয়া হইলো। তেবে সবাইরে অবাক কইরে দিয়ে এবারের মুন্ত্রিসভায় ছাক্কা আমলীগির নিতারা মুন্ত্রী হইয়েচেন।
ভরা প্যাটে বাইলধারার বাড়ির মতো ইরাম সিদ্দান্ত ভাগুরে দলের অনেকই মাইনে নিতি পাচ্চেন না।
শব্দার্থ
ভাগুরে = শরিক, ছাক্কা = নির্ভেজাল, শত্তই = শর্তই, উইচাই = আলোচনা, কল্লি = করলে, প্যাটে = পেটে



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft