রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
সারাদেশ
ভালুকায় হাজী শহিদের সংবাদ সম্মেলন
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
Published : Sunday, 27 January, 2019 at 4:15 PM
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের মৃত আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে সনামধন্য ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক হাজী মোঃ শহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে কিছু গনমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় তিনি এর তীব্রনন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। (২৭ জানুয়ারী) রবিবার দুপুরে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের তাঁর ব্যবসায়ী কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই সকল সংবাদের বিরুদ্ধে তিনি স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে সহযোগীতা চেয়ে লিখিত এক প্রতিবাদ প্রেরণ করেন। তার প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেন, “সম্প্রতি আমার নামে দেশের কিছু গনমাধ্যমে মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত মানহানিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে একটি মহল। প্রকাশিত সংবাদগুলো আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি পত্রিকাগুলির সকল কর্মকর্তা ও রিপোর্টারদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক প্রকাশিত সংবাদগুলির প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে চাই। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অসত্য বানোয়াট কুরচিপূর্ণ ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করে আমার ব্যাপক মানহানি ঘটিয়েছে ও আমাকে মানষিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। যার ফলে আমি স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ভিত সন্ত্রস্ত ও হতাশাগ্রস্থ। সংবাদগুলোতে আমাকে “জন্মসূত্রে গফরগাঁওয়ের বাসিন্দা ও এক সময় দৈনিক পাঁচ কেজি গমের বিনিময়ে বন বিভাগের নার্সারীতে কাজ করতেন” বলে উল্লেখ করার বিষয়টিও সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহিন। আমার বাবা স্বাধীন বাংলাদেশের পর হবিরবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের শুরু থেকে টানা ১৫বছর সুনামের সাথে ইউপি সদস্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি ভালুকা ডিগ্রী কলেজ থেকে এইসএসসি পাশ করে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ধানের ব্যাবসার হাল ধরি এবং পৈত্রিক সূত্রে ১৮০ বিঘা জমির মালিক হই। সুতরাং সংবাদের এমন তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সংবাদে “ভালুকা রেঞ্জ সংলগ্ন এলাকায়  আলিশান বাড়ি তৈরি, একাধিক খামার ও শিল্প কারখানা, সিডস্টোর বাজারের পুর্বদিকে ২০ বিঘা জমির উপর সুপ্তি সোয়েটার ও সুপ্তি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং, দক্ষিণ দিকে ১০ বিঘা জমির উপর সুপ্তি ওয়েল লিমিটেড” নামে আমার সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদের এই তথ্যগুলো আদৌ সত্য নয়, প্রকৃত পক্ষে ওই এলাকায় আমার একটি একতলা সাদামাটা বাড়ি রয়েছে। হবিরবাড়ি ইউনিয়নের আসাইম্মাপাড়ায় রয়েছে একটি কৃষি খামার। আমার বড় ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান মামুন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সুপ্তি সুয়েটার্স লিঃ এ রয়েছে ১০ বিঘা জমি। দক্ষিণ দিকে ২বিঘা জমি রয়েছে সুপ্তি ওয়েল লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির। “কোকাকোলার পশ্চিম পাশে হাজী এন্টারপ্রাইজ নামে” নয় আমার  এমএম এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ৩বিঘা জমির উপর। সংবাদগুলোতে আরও লিখা হয়েছে “ঢাকায় আমার একাধিক বাড়ি রয়েছে” কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমার নামে ঢাকায় কোন বাড়ি নেই। আমার ছেলেরা তাদের নামে উত্তরাতে একটি ফ্যাট ক্রয় করেছে, যাতে আমরা বসবাস করি। সংবাদগুলোতে “বিএনপির ক্ষমতা প্রয়োগ করে জমি দখল” এর যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃত পক্ষে সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষের সাথে চলাফেরা ও সাধ্যমত চেষ্টা করি মানুষের উপকার করার, সেজন্য আমার এলাকায় বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। কিন্তু কখনও আমি ক্ষমতার অপপ্রয়োগ কোনদিন কোনভাবেই করিনি। সংবাদের একটি অংশে “হবিরবাড়ি বিটের প্রায় সাত হাজার ১০একর জমির মধ্যে চার হাজার ১৪৪ একর জমি শহীদদের ভোগে” কথাটি সম্পুর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন। কাদিগর বিট ও মল্লিকবাড়ি বিটে আমার বা আমার পরিবারের কারও এক শতাংশ জমিও নেই। ভিত্তিহীত এমন সংবাদগুলো আমাকে সামাজিক ভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করেছে। প্রকৃতপক্ষে আমি জমির ব্যাবসার সাথে জড়িত হওয়ার কারণে সংবাদ মাধ্যম ও প্রতিবেদকদের ভুল, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়েছে স্থানীয় একটি কুচক্রি মহল। সংবাদগুলোতে আমাকে “শীর্ষ সন্ত্রাসী ও স্থানীয়রা আমাকে ভয় পায়” বলে আখ্যায়িত করা হয়। আমার চালাচলন ও সুদীর্ঘ ব্যবসায়ী জীবন পরিচালনায় এমন ঘটনা কখনোই ঘটেনি। আমাকে ভয় পাওয়া ও সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করার তথ্যটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। আমি স্থানীয়ভাবে রাজনীতি বা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার ফলে অনেকসময় অপ্রত্যাশিত ভাবেই অনেক মামলার শিকার হয়েছি। তাছাড়া আমার এলাকা বন বিভাগ অধ্যুষিত হওয়ায় সীমানা জটিলতার ফলে স্থানীয় প্রায় সকল বাসিন্দাদেরই বন বিভাগের সাথে রয়েছে নানা রকম বিভাজন। তেমনই আমার ক্ষেত্রেও ঘটেছে এমন ঘটনা। রাজনৈতিক কারণে ১৯৯৮ সালে আমাকে একটি হত্যা মামলায় ২নাম্বার আসামী করা হলেও পরে ওই হত্যা মামলায় আমি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আমাকে বেখসুর খালাস দেয়। আমার বিরুদ্ধে এমন আজগবি, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কাল্পনিক সংবাদগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবাদ লিপির মাধ্যমে তিনি দাবী করেন এলাকায় নিরপেক্ষ লোকদের কাছে তাঁর বিষয়ে তদন্ত করলে প্রতিবাদলিপির সত্যতা মিলবে। এই বিষয়ে হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব সিদ্দিকুর রহমানের সাথে কথা হলে প্রকাশিত সংবাদগুলির প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলামের পিতা তার সাথে সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ইউপি সদস্যের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পৈত্রিক সূত্রে তিনি বেশ সম্পত্তির মালিক। পড়াশোনা শেষ করে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে তার অর্থাবিত্তের প্রসার ঘটেছে। ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চুর কাছে হাজী শহিদুল ইসলাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন “দলমত নির্বিশেষ হবিরবাড়ী সহ গোটা উপজেলায় হাজী শহিদুল ইসলাম জনপ্রিয় ও ভাল মানুষ হিসেবে স্বীকৃত” আমি সম্মানিত এই ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে প্রকাশিত সকল সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।



আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft