শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
পড়বি পড় মালির ঘাড়ে
Published : Saturday, 23 March, 2019 at 6:32 AM
মানব সভ্যতার সাতে নানান যুগ জড়ায় রয়েচে। শুনিচি পাতর যুগ, মধ্য যুগ, দ্রাপর যুগ,কলি যুগ। এর সাতে হালি কইরে যোগ হয়েচে চান্দা যুগ। একন চারিদিকি ধান্দা যার হাতিয়ার চান্দা। সুমাজ সিবা, সাংস্কিতিক অনুস্টান, সভা সুমাবেশ, ধমীর্য় অনুষ্টান, চিকিসসে, নানা উসসবের উসলোত ইরাম নানান কায়দায় চলে চান্দাবাজি। এই কাজে কেউ কেউ এত পটু যে তারা চান্দা তুলারে শিল্পোর পযযায়ে নিয়ে গেচে! তাগের চান্দাবাজ কলি আবার মানহানি হতি পারে বিলে তাগের চান্দা শিল্পী কওয়া ভালো। সিরাম কিচু চান্দা শিল্পী আচে পুলিশির মদ্দিও।
কতায় কয় বাঘে ছুলি ষোল ঘা, পুলিশি ছুলি বত্রিশ ঘা। তেবে স¹লির যে পুলিশির কাছে যাতি হয় সিডাও না, আবার সব পুলিশ যে চান্দাবাজি করে সিডাও না। কিন্তুক এট্টা কাজে সবাই কমবেশী ধরা, সিডা হচ্চে পাসপুট কত্তি গেলি। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে কেরমে কেরমে চান্দাবাজি বাজার দরের মতোন বাড়েই চলেচে। আগে এট্টু লুকোয় ছাপায় নিতো। কিন্তুক একন তা দামাদামি পযযায়ে চইলে গেচে। দরদামে পটলি চুড়–ত কইরে কাজ হইয়ে যাবে। স্যানে কাগজ পত্তরের কোন বালাই নেই। আর যুদ অফারে রাজি না হয়, তালি তার কপালে দুক্কু আচে। চান্দা শিল্পোর বিকাশে বিরাট ভূমিকা রাকচে মুবাল ব্যাংকিং। রকেট গতিতি চোকির পলকে কনকের টাকা কনে চইলে যাচ্চে তা জেন ভারোন দিয়েও হদিস করা যাচ্চে না।
কয়দিন আগে পিপারে পড়িলাম, ফরিদপুরি একজনের কাচে ডিএসবির নাম কইরে মুবালি ফোন দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কতা কইয়ে টাকা চাইয়েচে। সে লোক কইয়েচে, আমি তো ব্যাংকে পাসপুট ফি দিচি। আবার কিসির টাকা দেব। তকন কওয়া হয়েচে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া পাসপুট বারোবেনা। যদি মাল কড়ি না ছাড়ে তেবে রিপোট নেগেটিভ দিয়ে দেবে। পাচে পাসপুটির বদলি চৌদ্দশিকির মদ্দি যাতি হবে। ইরাম কায়দা কইরে কবে ভয়তে প্যাটের ভাত চাল হইয়ে যাবে। মুকি কেউ স্বীকার যাবে না যে ভেরিফিকিশনে টাকা লাগে। কিন্তুক টাকা না ছাড়লি কাগজ বারোবোনা। কাল পিপারে পড়লাম সিরাম এক চান্দা শিল্পীর দুই বচরের জেল দেচে মহামান্য আদালোত।
মামলার অভিযোগেত্তে জানা গেচে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসের ২৩ তারিকি বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান চাচার দুই মাইয়ের পাসপুট ভেরিফিকেশনের জন্যি সাদেকুল ইসলাম নামের বিশেষ শাখার এক পুলিশ তার বাসায় গিলেন। এ সুমায় সে বিচারপতির বউ ডাক্তার সাবরিনা মোনাজিলিন চাচীর কাচে নাকি নাস্তা আর বকশিস দরুন মাত্তর দুডো হাজার টাকা দাবি করিলেন। নিজেরে পুলিশির এসআই আবদুল সালাম পরিচয় দিয়ে সাদেকুল চাচা দুই হাজার টাকা না দিলি পাসপুট হবে না বিলে শাসায় আসে। পড়বি পড় মালির ঘাড়ে। সেই শাসানো শেষ তামাত কোটে গড়ায়। কোট দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দুষী সাব্যস্ত কইরে পুলিশির ইস্পেশাল ব্রাঞ্চের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাদেকুল চাচারে এক বচর, আর দুন্নীতি পোতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তারে আরাক বচর কারাডন্ড দেচে।
ইনকেজ যদি সাপোজ ধরেন বিচারপতি সাহেবের বাড়ি না হইয়ে আমাগের মতো চুনোপুটির বাড়ি হইতো, তালি কি এই সাজা হইতো?



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft