বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
কয়েক মিনিটের কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড চুড়ামনকাটি এলাকার তিন ইউনিয়ন
মিজানুর রহমান, চুড়ামনকাটি (যশোর) থেকে :
Published : Monday, 8 April, 2019 at 6:34 AM
কয়েক মিনিটের কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড চুড়ামনকাটি এলাকার তিন ইউনিয়নশনিবার সন্ধ্যায় মাত্র কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী  বৃষ্টির কারণে যশোর সদরের চুড়ামনকাটি, কাশিমপুর ও হৈবতপুর ইউনিয়নের সবজি এবং ধান চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকার কৃষকদের স্বপ্ন নিমেষেই মিশে গেছে মাটির সাথে। এছাড়া এলাকার অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি ও  গাছপালা উপড়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ঘরের টিন ঝড়ে উড়ে যাওয়াই খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে দেখা গেছে চুড়ামনকাটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে পানি জমে থাকায় সবজি পচনের আশংকা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের বক্তব্য, ঝড় বৃষ্টি আবারো হলে তাদের ব্যাপক লোকসানের শিকার হতে হবে। কৃষকদের মতে, গোটা রমজান জুড়েই সবজির বাজার থাকবে চড়া।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩২ মিনিটে যশোরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড় ও প্রবল বৃষ্টি। ঝড়টি মাত্র কয়েক মিনিট হলেও ভারী বর্ষণ হয় প্রায় দু’ঘণ্টা। ঝড় ও বৃষ্টিতে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি, কাশিমপুর ও হৈবতপুর ইউনিয়নের ধান এবং সবজি চাষিদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সবজি ও ধান ক্ষেত মাটিতে মিশে গেছে। কৃষকদের ভাষ্যমতে, ঝড়ে ধানের ফুল ঝরে যাওয়ায় ফলন ভালো হবে না। এছাড়া পটল ক্ষেতগুলো প্রবল ঝড়ে মাচান থেকে পড়ে গেছে। ঝরে পড়েছে মণ মণ পটল। ভেঙে গেছে এলাকার কাঁচা ও আধাপাকা ঘর। উড়ে গেছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিন। ঝড়ে রাস্তার ওপর গাছ পড়ে যশোর-ঝিনাইদহ ও যশোর-চৌগাছা সড়কে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। সরেজমিন রোববার দেখা গেছে তিন ইউনিয়নের সব গ্রামেই কমবেশি ক্ষতির শিক্ষার হয়েছে জনগণ। তবে, কয়েক মিনিটের কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড চুড়ামনকাটি এলাকার তিন ইউনিয়নসবচেয়ে গাছপালা ভেঙেছে কয়েক মিনিটের কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড চুড়ামনকাটি এলাকার তিন ইউনিয়নশানতলা এলাকায়।
চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা, দোগাছিয়া, আব্দুলপুর, সাজিয়ালী, কমলাপুরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের শ’ শ’ বিঘা সবজির ক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। আব্দুলপুর গ্রামের কৃষক টিটো জানান, শনিবারে ঝড় বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে  পটল ও ধান চাষীদের। তার মতে ক্ষেতে পানি জমে থাকলে প্রচন্ড রোদের কারণে পানি গরম হয়ে পটল গাছে পচন দেখা দিতে পারে। দোগাছিয়া গ্রামের ধান চাষী লাল্টু জানান, শনিবারের ঝড়ে ধানে চিটা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেশি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন ঝড়ে ধানের ফুল ঝরে পড়াই এমটি হতে পারে।
চুড়ামনকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না বলেন,শনিবারের কালবৈশাখী ঝড়ে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসংখ্য কাঁচা আধাপাকা ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। তবে, কোনো হতাহতের খবর পাননি বলে তিনি জানান। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft