রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
গরমের কচনে মলাম যে !
Published : Friday, 26 April, 2019 at 6:07 AM
কাল ছিলো ১২ বৈশেক। বৈশেক মাসের ১২ডা দিন পারোয় গেলিও দেশের কোনটোয় বিস্টির দেকা নেই। এই সুযোগে সূযযো মামা তার মিজাজ সুমানে বাড়ায় চলেচে। বৈশেকের গরম শুধু রাজধানীই না সারা দেশজুড়েই সুমানতালে চলতেচে। দিনির বেলায় গনগনে সূযযো যেন মাতার ওপরে লাইবে আসার জুগাড় হচ্চে। বেলা উঠার পর পরই রাস্তাঘাটে বারোনোডা দুস্কর হইয়ে যাচ্চে। বিশেষ কইরে বেলা বারোডারতে তিনডে  চারডে পযযন্ত রাস্তায় বারোলি গরমের কচনে ভিরমি খাওয়ার দশা হচ্চে। শুনিচি পৃতিবীর তাপমাত্তারা বাইড়ে যাচ্চে সে কারনে গরম পড়তেচে সিরাম কায়দার। গরমের সাতে সাতে বাড়তেচে মানসির মিজাজ। গরমে অনেকেরই মাতা তাইতে থাকচে। এক কতায় দু কতায় বাইদে যাচ্চে ঝইঝই। কাজে গন্ডগোল হচ্চে পতে লাবলিই। কেউ কেউ কচ্চে দেশে যে হক না হক কাজ গণহারে শুরু হইয়েচে সিডার পিচনের কারনও নাই গরম। গরমে মানিসর মন মাতা ঠিক থাকচে না। শুনা যাচ্চে সারাদেশের ওপর দিয়ে তাপ পোবাহ যাচ্চে। কাল সারা দেশের মদ্দি বেশী তাপমাত্তার ছিলো ফরিদপুর জিলায় ৩৭ পয়েন ৮ ডিগ্রি। ঢাকায় মাত্তর ৮ পয়েন কম ছিলো। রাজধানীর বিসসুদবারের তাপমাত্তারা ছিলো ৩৭ ডিগ্রি। আবহাওয়া অপিস আগাম খবর দেচে আসচে কয়েকদিন ইরাম বাড়তি তাপ চলার সুম্বাবনা রইয়েচে।
গরম আবহাওয়ার কারণে রাজধানীসহ সারাদেশের মানসির স্বাভাবিক জীবন যাত্তারা মুক ছাবড়ি দিয়ে পড়েচে। ঘরের বাইরি বারোলিই রোদির তাপের কচনে শরীল পুইড়ে যাচ্চে। ঘাইমে ছ্যান হইয়ে যাতি হচ্চে। গরমের হাতেত্তে বাচতি অনেকে ছাতি মুড়ি দিয়ে বারোচ্চে। তেবে যশোরের পিরায় চারদিকি চলচে রাস্তা মিরামত করার কাজ। এই গরমে পাড়ো হওয়ার পাশাপাশি রাস্তায় চলতি গিলি যে ধুলোর ঝড় উটচে তাতে নাক মুুক ধুলোয় বুইজে যাচ্চে। সাইজে গুইজে রাস্তায় বারোলি বিনি টাকার পাউডারে মাইকে হটাস দেকলি কারো আর চিনার উপায় থাকচে না। রাস্তায় উটলি জান বাচানোই দুস্কর হইয়ে যাচ্চে। জরুলী দরকার না হলি হাউস কইরে কেউ বাড়ির বাইরি বারোতি চাচ্চে না। গরম বাইড়ে যাওয়ায় ডাব, লেবুর শরবত, বেলের শরবত সহ হরকোলি শরবত আর জুসির দুকানে ভিড় জমচে।  তেবে শুনতিচি ধুলোবালিতি বুজবুজে সব জুস খাইয়ে সুমানে প্যাটের ব্যারাম বাদাচ্চে। ডায়রিয়াও বাইড়ে যাচ্চে এই সব অস্বাস্ত্যকর জিনুস খাইয়ে। সবাই গরমে হাসফাস কইরে বিস্টির আশা কল্লিও তা নাই সহসাই হবে বিলে মনে হচ্চে না। আবহাওয়া অধিদপতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ চাচা কইয়েচেন আজ শুক্কুরবারও তাপমাত্তারা আরও কিছুডা বাইড়ে যাতি পারে। অবস্তা ইরাম থাকলি সাগরে নিম্নচাপ সিস্টি হইয়ে থাকে। এ মাসের শেষ দিকি মদ্দি বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সিস্টি হতি পারে। নিম্নচাপডা শক্তিশালী হয়ে ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিলির পর ঘূন্নিঝড়ে রূপ নিতি পারে। এরপর সিডা আসচে ৩ মে বাংলাদেশের নদী ও সাগর কান্দা এলেকায় আঘাত হানতি পারে।  তেবে সে ঝড় কনতে কনে যাবে সিডা আগাম কওয়া যাচ্চে না। চাপ শুরু কল্লি তকন দেইকে শুনে কওয়া যাবে বিলে তিনি জানায়েচেন। এমনিতিই মরার জুগাড় তার উপর যদি আরো দেড়ি গরম পড়ে তালি আর টেকসই হবানে বিলে মনে হচ্চে না। যদি সত্যি সত্যি আগোয় যায়  তেবে কারো মনে কস্ট দিলি মাফ কইরে দেবেন।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft