শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
শুনতিচি ফণী নামের ঝড় ফণা তুইলে আসতেচে !
Published : Sunday, 28 April, 2019 at 6:02 AM
গরম কি জিনুস তা উদারোনসহ বুজোয় যাচ্চে কয়দিন ধইরে। বাপ্পোইবাড়ি গরমে জান পরান যায় যায় ভাব। সেদিন পিপারে পড়লাম এক শরবতয়ালা খুশিতি কইয়েচেন, ইরাম গরম পড়ায় বিক্কির বাট্টা খুব ভালো হচ্চে। তার চোকিমুকি খুশী দেইকে মনে হচ্চে, ইরাম গরম বারাসে হলি তার যুইত হইতো। কারো বাশ যায় কেউ গিরে গোনে সিরাম দশা!
গরমের কচনে গুড়েল আর মুরুব্বী লোকেরা অসুস্থ্য হইয়ে পড়তেচে। গরম বাইড়ে যাওয়ায় কারেনের চাহিদাও গেচে বাইড়ে। সিডা যুগান দিতি যাইয়ে কারেন মাজে মদ্দি হাটফেল কত্তেচে। মানুস একন এত আরামপ্রিয় হয়েচে তাতে ফ্যান না ঘুল্লি ঘরের মদ্দি থাকাই দুষ্কর হইয়ে যাচ্চে। এর মদ্দি পরশু সন্দেয় উটিল কালবৈশেকী ঝড়। ঝড়ের উজোনভাটি বাতাসে ঝুমঝুমপুর এলেকায় বিজিবি ক্যাম্পের সুমকি একশ বচরের বেশী বয়সের বটগাছডাও উগড়োয় দিয়ে গেচে। এই ঝড়ের কতা কতি যাইয়ে দেকি এর চাইতি নাই বড় ঝড় আসতেচে কয়দিনির মদ্দি।  পেত্তমে শুনিলাম ঝড়ের নাম ফেনী। এরপর কারো যেন গাবায় বেড়াচ্চিল ফেনীর পর আরাট্টা ঝড় আসতেচে তার নাম নুয়াখালী। তাই শুইনে তলাশ করা শুরু কল্লাম ফেরাডা কি! পরে যা জানতি পাল্লাম তা নিয়ে দু’কতা লিকার চিস্টা দিচ্চি।
দক্কিন বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপডা কিচুডা উত্তর-উত্তরপূব দিকি আগোয় যাইয়ে আরো আরো বল বাড়ায়ে শক্তিশালী হইয়ে ওই একই এলেকায় ঘূন্নিঝড়ে রুপ নেচ্চে। যে ঝড়ের নাম থুয়া হয়েচে ফণী। একন এর কেন্দের ৫০ কিলোমিটারের মদ্দি এর বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ কিলোমিটার, যা নাই দমকা হাওয়াসহ ৮৫ কিলোমিটার তামাতি বাইড়ে যাচ্চে। এই ফণীর ফণা আরো শক্তিশালী হইয়ে আসচে ২৯ এপ্রিল তারিকির মদ্দি ক্যাটাগরি ১(১১৮ কিলোমিটারের বেশী) মাত্তার শক্তিশালী ঘূন্নিঝড়ে রুপ নিতি পারে। ৩০ এপ্রিল অথবা ১ মে ক্যাটেগরি ২(১৫৪ কিলোমিটারের বেশী) মাত্তার শক্তিশালী ঘূন্নিঝড় এ পরিণত হওয়ার সুম্বাবনা রইয়েচে। পরবত্তীতি আরো শক্তিশালী হইয়ে আসচে ২মে পচ্চিম মদ্দ্য বঙ্গোপসাগরে ক্যাটেগরি ৩(১৭৮ কিলোমিটারের বেশী) মাত্তার শক্তিশালী মদ্দি যেকোনো উপকূলি শক্তিশালী ঘূন্নিঝড় হইয়ে অতিক্রম কত্তি পারে। তেবে তার আগে তামিলনাড়– আর অন্ধপোদেশের উপকূলির কাচে কাচে যাতি পারে। যদি যায় তেবে স্যানতে উত্তর পূব দিকি বাক নিতি পারে বিলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানায়েচেন। এর সব্বোচ্চ বাতাসের গতি হতি পারে পেত্তেক ঘন্টায় ২০০ কিলোমিটার। আর দমকা হাওয়া হইয়ে পেত্তেক ঘন্টায় ২৫০ কিলোমিটার জোরে। এ সুমায় বাংলাদেশ উপকূলির মানসির আতংকিত না হইয়ে সতর্কতা হইয়ে থাকতি কওয়া হইয়েচে। সেই সাতে আসচে ৯ দিন গভীর সাগরে মাছ ধরা নৌকো, টলার বা অন্যান্য নৌযান চলাচল করাত্তে বিরত থাকতি কওয়া হয়েচে।
একই সাতে কওয়া হইয়েছে ২৮ এপ্রিলতে ৩ মে তারিখ পযযন্ত উত্তরাঞ্চলের দিকি, ৩ মেত্তে ৭ মে তারিখ পযযন্ত দক্কিণাঞ্চলের দিকি জুরালো বিস্টি হওয়ার সুম্বাবনার কতা কচ্চে আবহাওয়া অপিস।  
আল্লায় জানে কি হয়! সবাই সহি সালামতে থাকুক সেই দুয়াডাই কত্তিচি।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft