শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
সংযমের বালাই নেই বাজার দরে
Published : Wednesday, 8 May, 2019 at 6:07 AM
রুযা সংযমের মাস হলিও সংযম নেই বাজারের জিনুসির দামে। রুযার আগে সবাই কত মিটে মিটে কইলো কিন্তুক রুযা পড়লিই যেই লাউ সেই কদু। কামার যা গড়ে মনে মনে গড়ে সিরাম দশা।  রুযার কয়দিন আগের শুক্কুরবারেত্তে গরুর গোস্ত বিক্কির শুরু কইরেছে ৫২০ টাকা কেজি।  ছল্লিবল্লি কইরে এই দর ঈদির সুমায় ৫৫০ করার ধান্দায় রইয়েচে গোস্ত ব্যবসায়ীরা। ছালে ছুতোয় যদি একবার দর উটোতি পারে তালি তারে টাইনে নামানোর সাধ্যি কারো আছে বিলে মনে হয় না। খাসির গোস্ত ৭২০ ত্তে শুরু কইরে ৭৫০ ঘা দেচ্চে।
কয়দিন আগেও বাজারে ছুলা ছিলো ৬৫ত্তে ৭০। সেই ছুলা একন ৭৫-৮০। চিনি তেল পিয়াজ মশলা খাজুর বাগুন সব তার গায় একন বৈশেকের তাপ। হাত দিয়া যাচ্চে না। আবার দুকানদার কোন জিনুসির দাম চালি খদ্দের কতা কওয়া তো দূরি থাক তার দিকি তাগানোডাই একন অপরাদের পযযায়ে চইলে যাচ্চে। ভাবডা ইরাম নিলি ন্যাও না হলি জাগা খালি করো। রুযার আগে কত মিটিং সিটিং হইলো। কত কতার ফুলঝুরি শুনলাম তার কোন চিন্ন বাজারে পাওয়া যাচ্চে না। বাজারের পেত্তেকটা জিনুসির দাম চুতা কইরে বোডে ট্যাঙানোর কতা থাকলিও কোন দুকানে তা মানা হচ্চে কিনা আমার চোকি পড়িনি। যারা এট্টু স্যায়না ব্যবসায়ী তারা দামের জন্যি দুকানে এট্টা বোড ঝুলোয় থুইয়েচে। সে বোডে নানা জিনুসির নাম লিকা থাকলিও দামের জাগায় দুই এট্টা কুমা জিনুসির দাম পেন্সুল কিম্বা খড়িমাটি দিয়ে লিকে থুইয়েচে বাদবাকি সব জাগা ফাকা। তেবে বেশীর ভাগই এইসব বালাই’র ধারের কাচে নেই। জিনুসির দাম কেন বাড়ে ইরাম কতার উত্তর তলাশ কত্তি গেলি আসে বালিশ চালাচালি খেলা। কেউ দায় নিতি চায় না। খুচরো বিক্কির করাগের সাফ কতা পাইকেরীয়ালারা দাম বাড়ায় দিলি তারা কি করবে। পাইকেরীয়ালাগের কাচে শুনলি কবে বাজারে মাল জিনুসির ঘাটতি। মুকামে পাওয়া যাচ্চে না, যদিও বা কিনে আনচি পতে পতে টিরাকে লরির তেল মবিলির দাম বাড়তি, রাস্তাঘাটে চান্দাবাজি ধান্দাবাজির জন্যি খরচ বাইড়ে যাচ্চে। চান্দার জন্যি ব্যবসায়ীরা দেবে পুলিশির দোষ, পুলিশ দেবে ক্ষেমতায় থাকা নিতাগের দোষ, নিতারা দেবে পোশাসনের দোষ,রাম সাম যদু মদু আরো কত কি !
তাগের কতা আর অজুহাতের কোন শেষ নেই! কিন্তুক শেষ কতা হচ্চে আমাগের মতো সাধারন মানুষ যারা খতে হাতে বাজারে যায় গলাডা তাগের কাটা যাবে ছালে ছুতোয়। কাল পিপারে পড়লাম ঢাকার গোস্ত ব্যববাসীয় সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম চাচা কইয়েচেন দেশের নানান জাগাত্তে গাবতলী হাট তামাত গরু ছাগল আনতি ঘাটে ঘাটে চান্দাবাজি আর গাবতলী হাটের সিন্ডিকেটের জন্যি পেত্তেকটা পশুর আসল দামের সাতে দেড়ি ১৫-২০ হাজার টাকা বাইড়ে যায়। সেই বাড়তি দাম যাইয়ে পড়ে গোস্তের ওপর। তিনি চড়া গলায় কয়েচেন সরকার যদি এই চান্দাবাজি বন্দ কইরে দিতে পারেন  তালি তারা গোস্ত ৩০০ টাকা কেজি দরে খাওয়াতি পারবেন। তার কতাডা ইরাম ষোল মন ঘি ও জুগাড় হবে না রাধা ও নাচপে না।
সুতারাং এই বালিশ চালাচালি খেলা চলতিই থাকপে। এর মদ্দি কিডা খালে কিডা না খালে তা দেকার কারো দায় নেই। কতি গেলিই হয়ত কইয়ে দেবে রুযা কি খাওয়া দাওয়ার মাস, রুযা হচ্চে সংযমের মাস। দুনিয়ার সব আইন যিরাম গরীবির জন্যি সিরাম হইতো সংযমডাও গরীবগুরোগের।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft