সোমবার, ২০ মে, ২০১৯
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
আমরা কাগের বিশ্বেস করবো ?
Published : Tuesday, 14 May, 2019 at 6:39 AM
আগে মুরুব্বীরা কতেন অভাবে স্বভাব নস্ট। কিন্তুক দিনকে দিন বদলায় যাওয়া সুমাজের মত কতাগুলোও যেন বদলায় গেচে। ভেজালের দায়তি মহামান্য হাইকোট ৫২ডা জিনুস বিক্কির বন্দ ঘোষনা কইরেচেন। এর মদ্দি দেশের বড় দুডো ব্যবসায়িক পোতিস্টান প্রাণ আর এসিআই কুম্পানী রইয়েচে।
প্রাণ-আরএফএল গুরুপ বাংলাদেশের মদ্দি এট্টা বড় খাদ্য খাবার সামেগ্রী তৈরীর পোতিস্টান। রংপুরি ১৯৮১ সালে রংপুর ফাউন্ডি লিমিটেড নামে (আরএফএল) পথচলা শুরু করিল। আর একন বাংলাদেশের সীমানা ছাড়ায়ে  প্রাণ কুম্পানীর মাল জিনুস পৃতিবীর ৮৮টিরও বেশি দেশে রপ্তানী হয়। কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি কইরে ম্যালা ভূমিকা পালন করায় খাদ্যপণ্য  পোক্রিয়াজাতকারী ও রপ্তানিকারক  পোতিষ্টান প্রাণ আরএফএল গুরুপরে ২০১০-১১ অর্থবছরসহ টানা দশবার শেষ্ঠ জাতীয় রপ্তানি টফি দেচে বাংলাদেশ সরকার। জাতীয় রপ্তানী বাড়ানো আর মূল্যবান বিদেশী টাকা আইনে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাকায় রপ্তানী খাতে দেশের সব্বোচ্চ রাস্টীয় পদক শেষ্ঠ জাতীয় রপ্তানী টফি (সুনা) পাইলো প্রাণ এক্সপোটাস লিমিটেড। সেই বচরেই প্রাণ এগ্রো লিমিটেড শেষ্ঠ জাতীয় রপ্তানি টফি ( রুপো)  পাইলো। ২০১২-২০১৩ সালে সব্বোচ্চ করদাতা হিসেবে আরএফএলরে সম্মান দিলো সরকার। সেই প্রাণ কুম্পানীর পণ্য যকন ভেজালের দায়তি বিক্কির বন্দ ঘোষণা আসে তকন ভাইবে পায় নে আমরা কাগের উপর ভরসা রাকপো। এডভান্স কেমিকেল ইনডাস্টি সংক্ষেপে স¹লি যারে এসিআই নামে চেনে। বাংলাদেশের অন্যতম বড় এট্টা কুম্পানী এসিআই। পেত্তমে ইডা ওষুদ কুম্পানী হিসেবে কাজ করা শুরু কল্লিও একন হেন কোন ব্যবসা নেই যা তারা করেনা। মশার কয়েলেত্তে শুরু কইরে লবন পন্তি বিক্কির করে এই কুম্পানী।
খাদ্য খাবারে ভেজাল নিয়ে যকন সারাদেশ তোলপাড় তকন কারো কোন উইচাই না দেইকে মহামান্য হাইকোট আদেশ জারি কইরে নানান কুম্পানীর ৫২ডা পণ্য বিক্কির নিষেদ কইরেচে। এই নিষেদের মদ্দি যদি রাম সাম যদু মদু কুম্পানী হইতো জানের বুজ দিতি পাত্তাম। তকন হয়ত কওয়া যাইতো ভুইফোড় এসব কুম্পানী ডাবি মাইরে এই সব নকল মাল জিনুস বানায়েচে। কিন্তুক দুক্কির বিষয় হচ্চে নিষিদ্দের তালিকার মদ্দি যকন প্রাণ, এসিআই, সিটি গুরুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েলের মতো খানদানী তকমাধারী পোতিস্টান থাকে তকন আমাগের বিশ্বেস যায় কনে? এই সব কুম্পানীর এক বচরে যে টাকা লাভ করে তা এক গিরামের লোক বইসে গুনতি গেলিও গালের ছ্যাপ ফুরোয় যাবে কিন্তুক লাভের টাকা গুনা শেষ হবে না। এই সব কুম্পানী যকন ভেজাল জিনুস বেইচে বিলে বিএসটিআই সিল মাইরে দেই আর মহামান্য হাইকোট তাগের মাল জিনুস বাজারেত্তে সরায় নিয়ার ঘোষনা দেন তকন তাগের যত অজ্জন সব পোশ্নবিদ্দ হইয়ে যায় কিনা?
মানুস মারার কল পাইতে সিরা ব্যবসা পোতিস্টান হইয়ে সুনার টফি, রুপোর টফি জিতে লাভডা কি যদি বিনি পয়সার মানসির বিশ্বেসডাই অজ্জন কত্তি না পারে? শুদু কয়ডা টাকা জরিপানা কইরে এগের ঠেকানো যাবে না, দরকার মাদক কারবারীগের মতো ঝনাত খচাত ব্যবস্তা। জাগায় ধইরে যদি এগের দিস্টান্ত মূলক সাজা দিয়া না যায় তালি মুকি বয়ান দিয়ে লাভডা কি ?




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gram[email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft