সোমবার, ২০ মে, ২০১৯
শিক্ষা বার্তা
একাদশে ভর্তির নীতিমালা ঘোষণা
শর্ত ভাঙলে এমপিও বাতিল
এম. আইউব :
Published : Thursday, 16 May, 2019 at 6:42 AM
শর্ত ভাঙলে এমপিও বাতিলএ বছর একাদশে ভর্তির নীতিমালা ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই নীতিমালা ঘোষণা করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ের কলেজগুলোতে এক হাজার টাকার বেশি ভর্তি ফি গ্রহণ করা যাবে না। এই এক হাজার টাকার মধ্যে সেশনচার্জও থাকবে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের কলেজ দু’হাজার ও ঢাকা বাদে সকল বিভাগীয় শহরের কলেজগুলো তিন হাজার টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবে। ঢাকা শহরের কলেজগুলোতে ভর্তি হতে লাগবে পাঁচ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত এবং এমপিও বহির্ভুত বাংলা ভার্সন কলেজে নয় হাজার ও ইংরেজি ভার্সন কলেজে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নীতিমালার বাইরে গেলে এমপিও বাতিল করার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
এ বছর একাদশে ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ থেকে ৩০ জুন। ক্লাস শুরু হবে পহেলা জুলাই।
সূত্র জানিয়েছে, এবার তিন ধাপে এইচএসসি ভর্তি শুরু হবে। প্রথম ধাপে ১২ থেকে ২৫ মে অনলাইনে ভর্তির আবেদন গ্রহণ। ২৪ থেকে ২৬ মে আবেদন যাচাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি। ৩ থেকে ৪ জুন শুধুমাত্র পুণঃনিরীক্ষণের ফলাফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ এবং ৫ জুন পছন্দক্রম পরিবর্তন। প্রথম পর্যায়ে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে ১০ জুন। এ ছাড়া, ১১ থেকে ১৮ জুন শিক্ষার্থীদের সিলেকশন দেয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশন ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ হবে ২১ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সিলেকশন দেয়া হবে ২২ ও ২৩ জুন। সর্বশেষ তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ২৪ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ের মাইগ্রেশন ও তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ২৫ জুন। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সিলেকশন দেয়া হবে ২৬ জুন।
যারা বোর্ড কর্তৃক সিলেকশন পাবে তাদের কাছ থেকে ভর্তি ফির বাইরে ১শ’৯৫ টাকা করে গ্রহণ করা হবে। যে টাকা সরাসরি বোর্ডে জমা হবে। এই ১শ’৯৫ টাকার মধ্যে রয়েছে, রেজিস্ট্রেশন ফি ১শ’ ৩০ টাকা, ক্রীড়া ফি ৩০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেডক্রিসেন্ট ফি ৮ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং বিএনসিসি ফি ৫টাকা। এর বাইরে পাঠ বিরতি ফি ১শ’ ৫০ ও বিলম্ব ভর্তি ফি ১শ’ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনো অবস্থাতেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কোনো শিক্ষার্থীর মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট উক্ত শিক্ষার্থী কিংবা তার অভিভাবক ব্যতিত অন্য কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করা যাবে না বা অন্য কোনো অজুহাতে কোনো শিক্ষার্থীর একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট আটক রাখা যাবে না।
পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি বিহীন কোনো কলেজ/সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা যাবে না। পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত অথবা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোনো কলেজে/সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অননুমোদিত শাখা এবং অননুমোদিত কোনো বিষয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা যাবে না।
শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এই নীতিমালার কোনোরূপ ব্যত্যয় ঘটানো হলে বেসরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাঠ দানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে এবং সরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে প্রকাশিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/নম্বরপত্র ব্যতিত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা যাবে না। একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/ নম্বরপত্রে কোনো সিল দেয়া বা লেখা যাবে না। কোনো শিক্ষার্থীর অজ্ঞাতে কোনো প্রতিষ্ঠান তার পক্ষে আবেদন করতে পারবে না। এরূপ ঘটলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে যশোর শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক কেএম রব্বানীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ভর্তি ফি বেশি নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে সাথে সাথে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে শিক্ষাবোর্ড।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft