বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯
সারাদেশ
কলাপাড়ায় দখল ও অস্তিত্ব সঙ্কটে আন্ধারমানিক নদী
এইচ,এম, হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) :
Published : Thursday, 16 May, 2019 at 8:29 PM
কলাপাড়ায়  দখল ও অস্তিত্ব সঙ্কটে আন্ধারমানিক নদীআন্ধারমানিক। খুব সুন্দর নাম নদীটির। নামের মাধ্যমে যেন এক ভালো লাগা মন ছুঁয়ে যায়। কিন্তু সেই আন্ধারমানিক এখন মৃত প্রায়। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার প্রধান নদী। নামটি শুনে অনেকেই হয়তো টিপ্পনি কেটে বলবেন, অন্ধকারে আবার মানিক হয় কি করে! অবাক হওয়ার মতো হলেও সত্য কিন্তু এটাই। এ এলাকার মানুষের জীবন যাত্রায় এ নদী ‘মানিক’ ছড়িয়েছে। নিজের দেহ নিংড়ে উৎপাদন করছে কৃষকেরা সোনালী ফসল। বুকে আগলে রাখছে রুপালি ইলিশ।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তথ্য মতে, আন্ধারমানিক নদীর পানি প্রবাহের দৈর্ঘ্য ৩৯ কিলোমিটারও গড় প্রস্থ ৩৩০ মিটার। এই নদীর গভীরতা ১৫মিটার। এখন প্রতি বছর অন্তত পাঁচ ফুট কমে যাচ্ছে নদীর প্রস্থ। নদীটির দুই পাড়ে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে।  
কলাপাড়া পৌর শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীটির এক প্রান্ত মিলেছে বঙ্গোপসাগরে এবং অন্য প্রান্ত মিলিত হয়েছে রাঁবনা বাঁধ চ্যানেলে। মধ্যখানে আন্ধারমানিকের সঙ্গে মিলিত হয়েছে কচুপাত্রা, টিয়াখালী, লোন্দা, আরপাঙ্গাশিয়া ও দোন নদীসহ উপচে টুইটুম্বুর হয়ে যেত এর শাখাÑপ্রশাখা। সময়ের সাথে সাথে ম্লান হয়ে এসেছে আন্ধামানিকের ¯্রােতের টান। মরে গিয়েছে মিঠাগঞ্জ ইউনিয়েনের সাপুড়িয়া খাল। খাল ভরাটের কারনে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নসহ মধুখালী, বৈধ্যপাড়া, পখিয়াপাড়া, চড়পাড়াসহ অন্তত ১০টি গ্রামের নৌ যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একই ভাবে লালুয়া কলাপাড়ায়  দখল ও অস্তিত্ব সঙ্কটে আন্ধারমানিক নদীইউনিয়নের মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত খালটিও হোতায় পরিনত হয়েছে। ফলে থমকে গিয়েছে লালুয়া ও ধুলাসারের সঙ্গে নৌ চলাচল। টিয়াখালীর অংশের লোন্দা নদীর হয়েছে একই হাল। ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে গিয়েছে এ নদীর সঙ্গে মিলিত প্রায় ২০টি খাল। আন্ধামানিক নদীর প্রবাহ কমে যাওয়ায় কলাপাড়া শহরের মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত চিংগড়িয়া খালটির অস্তিত্ব আজ বিপন্ন প্রায়। এ কারনেই এখন সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় কলাপাড়া পৌরশহরে। খাল নদী ভরাটের কারনে কৃষি ভান্ডার খ্যাত নীলগঞ্জ, চাকামইয়া, টিয়াখালী, লালুয়া, মিঠাগঞ্জ, ধানখালী ইউনিয়নসহ তালতলী উপজেলার কলাপাড়ায়  দখল ও অস্তিত্ব সঙ্কটে আন্ধারমানিক নদীচাউলাপাড়া, বড়বগী, কড়ইবাড়িয়া, ইউনিয়নের কৃষি উৎপাদনে ও বিপর্যয় নেমে এসেছে। এ ছাড়া কচুপাত্রা নদীর প্রবেশ মুখে দেয়া হয়েছে বাঁধ। যার ফলে কৃষি জমিতে পড়েছে এর ক্ষকিকর প্রভাব। আরপাঙ্গাশিয়ার সংযোগস্থলটিও আজ ভরাট প্রায়। পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় ভরাট হয়ে গিয়েছে দোন নদীর প্রায় ২৫ কিলোমিটার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আন্ধামানিক নদীর শেখ কামাল সেতু সংলগ্ন এলাকার স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আন্ধামানিক নদী কোনো খনন না করায় আন্ধামানিক নদীর তল দেশে পলি জমে নাব্যতা হারিয়ে এক কালের উওাল নদী ছন্দ হারিয়ে মরাখালে পরিনত হয়েছে। এতে বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছে জীব বৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ। হাজার হাজার জেলে পুর্ব পুরুষের পেশা ছেড়ে বেকাত্ব গোছাতে বেঁচে নিয়েছেন অন্য পেশা। মৎস্য অধিদফতর এই নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মৎস্য সম্পদ নিধন বন্ধে সচেষ্ট রয়েছে। এ ছাড়া নভেম্বর থেকে জানুয়ারি এই তিন মাস এ নদীতে সব ধরনের মাছ শিকার বন্ধ থাকে। নদী ভরাট হলেও প্রাকৃতিক কারনে প্রজনন কালে ডিম দেয়ার জন্য গভীর সমুদ্র থেকে আন্ধারমানিক নদীতে ছুটে আসে মা ইলিশ। ইলিশের বংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্ধারমানিকে অভয়াশ্রয় ঘোষনা করে সরকার। ঝড় বন্যার সময় জেলেরা হারিয়েছে তাদের নিরাপথ পোতাশ্রয়। খেয়া পারপারের মাঝি বা বৈঠা ছেড়ে কালের নৌকা চালিয়েও তাদের শেষ রক্ষা হয়নি। জালের মতো ছড়িয়ে থাকা শাখা নদী গুলো আন্ধারমানিকের সঙ্গে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ছোট-বড়  অন্তত ১২ টি খাল ভরাট হয়ে গেছে। নদীর দুই তীরের বেদখল হয়ে যাচ্ছে জমি। আবার কেউ কেউ কাগজপত্র তৈরি করে নদীর জমি নিজেদের বলে দাবি করছে। অনেকেই আবার নিজেদের নামে রেকর্ডভুক্ত করে নিয়েছেন। কিছু অসাধু ভুমি অফিসের এক শ্রেনী কর্মচারির সহযোগিতায় নদীর জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডভুক্ত করে নিয়েছেন। একদা এ নদীতে লঞ্চ স্টিমার চলাচল করত। কিন্তু কালের বিবর্তনে এ টিকে এখন নদী ভাবতে কষ্ট হয়। নাব্যতা সংকট ও দখলের কারনে হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন আন্ধারমানিক বুকে লঞ্চ আর স্টিমারের হুইসেল বেঁজে উঠে না। হাজারো মানুষ নৌযান চালিয়ে এখন আর জীবিকার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েনা। এক সময় আন্ধারমানিক ছিল প্রচন্ড ব্যস্ত । বারো মাস এ নদী দিয়ে লঞ্চ চলাচল করত। প্রতিদিন সকাল ৯ টায় লঞ্চ আসত যাত্রী নিয়ে। তা দেখে স্থানীয় মানুষ সময় হিসাব করত। এই নদীতে ছিল টলমলে জোয়া ভাটা। কেয়া নৌকা, ডিঙ্গি, গয়না, কোষা, সওদাগরী, স্টিমার, রঙ্গিন পাল তোলা নৌকা, বড় বড় মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য ভেলা, স্তরে স্তরে সাজানো মাটির হাড়ি পাতিলের কুমারের নৌকা, বেদে সম্পদায়ের নৌকা ,১০০-২০০ মন ধান নৌকা যাতায়ত করত, ব্যবসায়ীরা ধান, মিষ্টি আলু মাটির তৈজসপত্র এসব বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসত। বিভিন্ন ঘাটে নৌকা গুলো বাঁধা হতো। উপজেলার আশ পাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের মঙ্গলবার কলাপাড়া  সাপ্তাহিক বাজার সবাই এ গুলো কিনতে আসত। নদীতে পলি পড়ে নাব্যতা হৃাস পেতে থাকে। এর দুই পারে নতুন নতুন চর ও বাড়ীঘর উঠতে থাকে। বর্ষা এলে আন্ধামানিক আবার নদী ফুলে ফেঁপে ওঠে। জল প্রবাহ মওসুমী প্রকৃতি। মাঝি ভাটিয়ালি গান গেয়ে ভাটির দেশে যায়না। নদী তীরে ভুমি আগ্রাসন, শিল্পবর্জ্য ও বালু ব্যবসা কেড়ে নিচ্ছে আন্ধারমানিক নদীর প্রান। নদীটির ওপর বালু ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে যেন“মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা” হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দিকে আন্ধামানিক নদীর তীরের অন্তত  ১০টি জায়গা রয়েছে ইটভাটার দেীরাতœ্য। এসব ইটভাটা কোথাও দখল করেছে নদীর জমি আবার কোথা কোথাও  কেটে নিচ্ছে নদী পারের মাটি। এ ছাড়া ও নদীটির বিভিন্ন এলাকা অবৈধ দখলদারদের দখলে চলে যাওয়ার নদীটি আবার ক্ষীন হয়ে গেছে। একটি প্রভাবশালী মহল ফ্রি-স্টাইলে গিলে খাচ্ছে আন্ধারমানিকের তীরসহ নদী। প্রতিদিন তোলা স্থাপনার সংখ্যা বাড়ছে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের ময়লা-আবর্জনা ফেলছে আন্ধারমানিকের লঞ্চঘাট এলাকায়। ফলে দূষণের কবলে পড়ে বিপর্যয় নেমে আসছে। তাছাড়া কলাপাড়া পৌরসভার পানি এ আন্ধারমানিক নদী দিয়ে নিস্কাশন হয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি স্থাপনা তোলা হয়েছে কলাপাড়া পৌরশহর এলাকায়। বহুতলসহ পাকা-আধাপাকা টিনশেড স্থাপনা তোলা হচ্ছে আন্ধারমানিকের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায়। অধিকাংশ আন্ধারমানিকের উত্তর পাড়ে। দেখা গেছে, নাচনাপাড়া ফেরিঘাট থেকে ফিশারি পর্যন্ত এলাকায় আন্ধারমানিক নদী তীরসহ দখল করে তোলা হচ্ছে স্থাপনা। ফলে এই নদী সঙ্কুচিত হয়ে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনিতেই পলিতে এক সময়ের খরস্রোতা আন্ধারমানিক এখন হারিয়ে ফেলছে যৌবন। আন্ধারমানিক নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় অন্তত সাতটি স্লুইস সংযুক্ত খাল ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। আর এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষিকাজের ক্ষেত্রেও। ওইসব স্লুইস সংযুক্ত নদীর সংযোগ খালটি বাইরে থেকে ভরাট হয়ে গেছে। ভাটার সময় পানি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকছে। নীলগঞ্জ, চাকামইয়া, তালতলীর চাউলাপাড়া, কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার একর জমি চাষাবাদে ভয়াবহ সমস্যার আশঙ্কা করছেন কৃষক। জলবায়ুর দ্রুত পরিবর্তন জনিত কারণে উপকূলীয় কলাপাড়ার প্রধান এই নদীটি এখন নৌ-চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া মাঝখানে বহু পয়েন্টে জেগে উঠেছে চর। আন্ধারমানিক নদীর উপর শেখ কামাল সেতু ১৯ টি স্পান দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বিঘিœত হচ্ছে পানির প্রবাহ। যে কারনেও দ্রুত ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদী। এই নদীর বালীয়াতলী পয়েন্টে নির্মিত হতে যাচ্ছে আরেকটি সেতু। এই সেতু নির্মান কাজ শেষের দিকে  হলে ও পায়রা বন্দরের ওই জায়গা আবার করা হবে আরেকটি সেতু তিন দিক থেকে নদীর প্রবাহ অনেকটা কমে আসবে বলে এলাকা বাসীর ধারনা। অপর দিকে ইলিশের অভয়াশ্রম আন্ধামানিক নদীর তীরে স্থাপিত হচ্ছে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যেখানে প্রতিদিন ব্যবহার করা হবে প্রায় ১২ কোটি লিটার নদীর পানি। প্রকল্পের পরিবেশগত সমীক্ষা প্রতিবেদনে জানাগেছে, সেখানে ব্যবহৃত পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি গরম হবে। যা পুনরায় নদীতে গিয়েই পড়বে। বিশেষঞ্জদের মতে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত গরম পানি নদীতে এসে পড়লে ইলিশের মারাতœক ক্ষতি হবে। এত করে এলাকার জীববৈচিত্রও ক্ষতির সম্মুখিন হবে।    
কলাপাড়ায় প্রবীণ সাংবাদিক বশির উদ্দিন বিশ্বাস আক্ষেপ করে বলেন, উওাল আন্ধারমানিক নদী আজ স্মৃতির গহিনে হারিয়ে যাচ্ছে। ভয়াবহ নাব্যতা সংকটে আন্ধারমানিক নদীর অববাহিকায় পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দেয়াসহ কৃষি আবাদে নেমে এসেছে স্থবিরতা। তাই দুই পাড়েরর মানুষের প্রানের দাবি অতিদ্রুত নদী ড্রেজিং করে পানি প্রবাহ আগের অবস্থায় পিরিয়ে আনা হোক। তিনি আরো বলেন, আন্ধার মানিক নদী আমাদের এখানকার ঐতিহ্য। এটি রক্ষা করা জরুরি। নদীটি রক্ষার পাশাপাশি নদীর চর পড়ে ভরাট অংশ যাতে কেউ দখল করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন ।
এলাকার সবশ্রেণীর মানুষের দাবি, কলাপাড়া একটি পর্যটন সমৃদ্ধ উপজেলা। এই উপজেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেরঅন্যতম আন্ধার মানিক নদী। এটি রক্ষা করা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ভরাট অংশ খনন করা প্রয়োজন। জেগে ওঠা চরকে জমি হিসাবে কেউ যেন দখল করতে না পারে তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া। দখল, ভরাট ও দুষনে নদীর অবস্থাই শোচনীয়। জনগনের সম্পদ সম্পদ নদী রক্ষায়র দায়িত্ব সরকার তথা রাষ্ঠ্রীয় প্রশাসনের। দুংখজনক হলেও সত্য যে অতীতে কিছু অসাধু ভুমি অফিসের এক শ্রেনী কর্মচারির সহযোগিতায় নদীর জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডভুক্ত করে নিয়েছেন। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় আন্ধারমানিকের জেগে ওঠা চর বনাঞ্চল সৃষ্টি করাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন পরিবশে সচেতনরা। যত দ্রুত সম্ভব, নদীর জায়গা দখলমুক্ত করে খননের মাধ্যমে নদীটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হোক। নদী ভুমিদস্যুদের দখলে চলে যাওয়ায় মানচিত্র থেকে হারাতে বসেছে সীমানা রেখা।
বরিশাল বিভাগের বেলা সম্বনয়কারি লিংকন বায়েন বলেন, বাংলাদেশের জলাদার আয় অনুসারে নদী বাধাগ্রস্থ স্থাপনা  নির্মান করা যাবেনা। যাতে নদীর পানি বাধাগ্রস্থ  হয় এমন কোনো জায়গা অবৈধ স্থাপনা করা যাবেনা। ইদানিং কালের বর্তমান সরকার নদী Ñ খাল উদ্বারের তৎপর রয়েছে। তার পর ও দেখা গেছে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য পাবলিক কভাটি সম্পাদ কাম্য নয়। আইন বিরুদ্ধি ও স্বাস্থ্য যোগ্য অপরাধ। পরিবেশ সংরক্ষন ও পরিবেশ কর্মকান্ডে আমাদের সকলের নদী রক্ষায় এ গিয়ে আসা উচিত।
কলাপাড়া উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর রহমান জানান ,আমি আশার পর কিছু নদীর পারে অবৈধ আর সিসি পিলার করে ভবনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু তার পর ও কিছু লোক ভবন তুলছে। আমি নিজে ২ জনকে ২ বছরের জেল দিয়েছি। আন্ধারমানিক নদীর পারে যে সব অবৈধ স্থাপনা আছে ডিসি স্যারে ম্যাজিষ্টাটেট পাঠিয়ে যে কোন সময় ভেঙ্গে দিতে পারে। নদী সঙ্কুচিত হয়ে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত না হয় তার ব্যবস্থা করা হবে।  
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরি জানান, অনেক জায়গায় খালÑনদী খনন শুরু করে দিয়েছে সরকার। আর কেউ যদি অবৈধ ভাবে খাল দখল করে তা উদ্ধিত করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নেদারল্যান্ড ডেল্টা প্লান ২১০০শো নামে  অবৈধ খাল-নদী উচ্ছেদ একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে স্বাগত জানিয়েছে।  




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft