রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
খোশ আমদেদ মাহে রমজান
মাওলানা মুহাদ্দিস শাফিউর রহমান :
Published : Wednesday, 22 May, 2019 at 6:13 AM
খোশ আমদেদ মাহে রমজানআল্লাহ তা‘আলা রমজান মাসে মানব জাতির মুক্তির সনদ আল-কুরআনকে নাযিল করে এই মাসকে মহিমান্বিত করেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, রামাযান মাস এমন একটি মাস যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে- যা মানব জাতির দিশারী, যা সত্যসত্যের সুস্পষ্ট নিদর্শন এবং হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী। অর্থাৎ আল্লাহ জালা শানুহু মানব জাতির জন্য এই রামাযান মাসে এমন একটি গ্রন্থ পাঠিয়েছেন যা গোটা মানব জাতিকে তার জীবনের গোটা দিক ও বিভাগের পথের দিশা দেবে। মানবজাতিকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক সব দিক-নির্দেশনা দেয়ার গ্যারান্টি প্রদান করেছে আল-কুরআন। এই আল-কুরআনকে রাসূলুলাহ (সা)-এর নিকট হযরত জিবরাঈল (আ) এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৩ বছর সময়কালে  নাযিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রাসূলুলাহর মাক্কী জীবন ও মাদানী জীবন সংশ্লিষ্ট। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত রাসূল ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক নবীকেÑ তাঁর উপর যে পরিমাণ লোক ঈমান এনেছে সেই পরিমাণ ওহী এসেছেÑ তাতে আমি আশা করতে পারি যে কেয়ামতের দিন আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে।” এই হাদীসে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম মর্যাদার প্রতি ইঙ্গিত দান করা হয়েছে। অন্যান্য নবীর কাছে যত ওহী বা কিতাব নাযিল হয়েছে, কুরআন তা থেকে সব দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। এবং কুরআনের মু‘জিযা সকল গ্রন্থের মু‘জিযাকে ডিঙ্গিয়ে গিয়েছে। সব নবীকেই কোন না কোন মু‘জিযা দেয়া হয়েছে। সেই সব আম্বিয়া কেরামের ইন্তেকালের পর তাঁদের মু‘জিযা শেষ হয়ে গেছে। সেই সব আজ নিছক দৃষ্টান্ত-কাহিনী হিসেবে বিদ্যমান। পক্ষান্তরে সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ (সা) কে আল্লাহ তাআলা ওহীর মাধ্যমে যে বিরাট ও মহান কিতাব দান করেছেন তা আজও অক্ষুণœ আছে। এই কারণে রাসূল (সা) বলে গেছেন, আমি আশা করি কেয়ামতের দিনে আমার অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক হবে। তাঁর রিসালাতের ব্যাপ্তি ও সার্বজনীনতার কারণে অন্যান্য নবীর অনুসারী থেকে তাঁর  অনুসারী সংখ্যা বেশী। “বলে দাও, যদি জিন্ন্ ও ইনসান সকলে মিলে এই কুরআনের অনুরূপ কিছু উপস্থিত করতে চায়, তারা আদৌ করতে পারবেনা। যদিও তারা পরস্পরের সহয়াতায় এগিয়ে আসে।” রমজান মাসটি জগদ্বাসীর পক্ষে একটা স্মরণীয় মাস। পূর্ব কালেও যুগে যুগে আদম সন্তানকে খাঁটি মানুষে পরিণত করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এই মাসে- আর এখনও খাঁটি মানুষ তথা তাকওয়াবান হবার জন্য প্রত্যেক মুসলিম বিশেষ ব্যবস্থা অবলম্বন করে থাকে প্রত্যেক বছর এই রমজান মাসেই। হযরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুলাহ (স:) এরশাদ করেন, রমজান মাসে আমার উম্মতের মর্যাদার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাঁচটি জিনিস দান করেছেন,যা আর কোন রাসুলের উম্মতকে দান করা হয়নি আর তা হলো,রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে মিশকের বা মৃগনাভী থেকেও খুশবদার। রোজাদারদের জন্য সমুদ্রের মৎস সমুহ আল্লাহর কাছে ইফতারীর সময় পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে। প্রতিদিন আল্লাহ তায়ালা রোজাদারের জন্য জান্নাতকে সুশোভিত করতে থাকে এবং জান্নাতকে বলতে থাকেন তোমার মধ্যে আমার রোজাদার  নেক বান্দাহ খুব শীঘ্র আসছে।  




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft