বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
খোশ আমদেদ মাহে রমজান
মাওলানা মুহাদ্দিস শাফিউর রহমান :
Published : Friday, 24 May, 2019 at 6:17 AM

খোশ আমদেদ মাহে রমজান বাইহাকি শরীফের একটি হাদিসে হযরত সালমান ফারসী (রা:) হতে বর্ণিত দীর্ঘ হাদিসের শেষ অংশে আল্লাহর রাসুল (স:) এরশাদ করেন, রমজান মাসে চারটি কাজ বেশী বেশী পরিমান করার জন্য আল্লাহর রাসুল নির্দেশ করেছেন্ সে চারটি কাজ হলো এক.সর্বশ্রেষ্ট জিকির কালেমায়ে তাইয়্যেবা বেশী বেশী পরিমান পাঠ করা। দুই.বেশী বেশী করে আসতাগফির করা বা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করা। তিন.আল্লাহর কাছে বেশী করে জান্নাত কামনা করা ।চার. আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে নাজাতের জন্য বেশী বেশী করে ক্ষমা প্রার্থনা করা। জান্নাতটির দরজা হলো রাইয়্যন। যা শুধু রোজাদারদের জন্যই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। আমরা যদি উপযুক্ত সম্মান দিয়ে মাহে রমজানকে বরণ করে নিতে পারি।রমজানের পবিত্রতা আমরা যে কোন মূল্যে সংরক্ষন করতে পারি এবং আল্লাহর দয়ার আশা থেকে নিরাশ না হয়ে আল্লাহর রহমতের আশা নিয়ে প্রকৃত রোজা রাখতে পারি তবেই আল্লাহ তায়ালা দান করবেন সেই মহা জান্নাত। আর রোজাদারদের জন্য আল্লাহর ঐ জান্নাতে পূরষ্কার থাকবে মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই।প্রকৃতপক্ষে মাহে রমজানের পবিত্রতা ও গাম্ভির্যতা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানেরই দায়িত্ব। আল্লাহর নবী(স:) রমজানের মাস আসলে খুব বেশী করে ইবাদতে মশগুল থাকতেন।আল্লাহর রাসুল(স:) আরো এরশাদ করেন ,রমজান মাসের আমলকে আল্লাহ তায়ালা দশ গুন থেকে সাত শত গুন বৃদ্ধি করে থাকেন।একটি হাদিসে রাসুল (স:) এরশাদ করেন,আল্লাহ তায়ালা বনী আদমের নেক আমলকে সাত শত গুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন কিন্তু রমজান তার ব্যতিক্রম কেননা রমজান সম্পর্কে আল্লাহ তাযালা এরশাদ করেন ,রোজা শুধু আমার জন্য আর আমিই রোজা দারের পুরস্কার দান করব। হাদিসে আরো এরশাদ করা হয়েছে ,রোজাদারের পুরষ্কার আমি আল্লাহ তায়ারা নিজ হাতে দান করব। উক্ত হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসুলকে জানিয়ে দিয়েছেন ,হে রাসুল (স:) আপনি  আপনার উম্মতকে জানিয়ে দিন,আপনার রোজাদার উম্মতদের জন্য পূরষ্কার আমি আল্লাহ তায়ালা নিজেই। অর্থাৎ রোজাদার বান্দার জন্য আল্লাহই হচ্ছেন পুরষ্কার। রাসুলুলাহ (স:) এরশাদ করেন, রমজান মাসে আমার উম্মতের মর্যাদার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাঁচটি জিনিস দান করেছেন,যা আর কোন রাসুলের উম্মতকে দান করা হয়নি আর তা হলো,রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে মিশকের বা মৃগনাভী থেকেও খুশবদার।রোজাদারদের জন্য সমুদ্রের মৎস সমুহ আল্লাহর কাছে ইফতারীর সময় পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে।প্রতিদিন আল্লাহ তায়ালা রোজাদারের জন্য জান্নাতকে সুশোভিত করতে থাকে এবং জান্নাতকে বলতে থাকে তোমার মধ্যে আমার এক নেক বান্দাহ খুব শীঘ্র আাসছে। মাহে রমজানে আল্লাহ পাক শয়তানকে বন্দী করে রাখে আর সে কারণে শয়তান অন্য মাসের মত এত বেশী পরিমানে গোনার কাজ করতে পারে না। আর রমজানে রোজাদারের সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো আল্লাহ পাক মাহে রমজানের শেষ রাতে রোজাদারের সকল গোনাহ মাফ করে থাকেন। এ শুনে সাহাবীরা আরজ করলেন ইয়া রাসুলুলাহ এ রাতকি শুধু লাইলাতুল ক্বদরের রাত? উত্তরে তিনি বলেন, না বরং নিয়ম হলো কাজ শেষ হলেই মুজরকে পারিশ্রমিক প্রদান করা।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft