বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
ভিড় বাড়ছে ‘অস্থায়ী’ বাজারে
মিনা বিশ্বাস :
Published : Wednesday, 29 May, 2019 at 6:57 AM
ভিড় বাড়ছে ‘অস্থায়ী’ বাজারেধনী কিংবা গরিব প্রতিটি দিন সবাই যে যার মতো করে উৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে চলেছেন। সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে কমবেশি ব্যস্ততা আছে সবার মাঝে। শ্রেণি কিংবা পেশা যাই হোক না কেন ধনী গরিব নির্বিশেষে উৎসব সবার। বছরের একটি দিন, ‘বিশেষ’ দিন। তাই সাধ ও সাধ্যর মেলবন্ধন ঘটিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষেরা যে যার মতো করে উৎসব উদযাপন করার প্রচেষ্টায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদ আসন্ন, তাই শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ততা এখন নিম্ন আয়ের মানুষের। আর নিম্ন আয়ের মানুষের জন্যে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত সব মার্কেটের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে ‘অস্থায়ী’ বাজার। এসকল বাজারগুলো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্যে বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক, জুতা, কসমেটিকসসহ প্রয়োজনীয় সব জিনিসের পসরা সাজিয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসকল দোকানে বেচাকেনাও চলছে ভালো।   
সাধ হলেও অনেক সময় সাধ্য হয় না কোনো কিছু কেনাকাটার। তবে, একটি বড় উৎসব উপলক্ষে একাত্ম হতে চায় সমাজের সব শ্রেণির মানুষ। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী উৎসবের আয়োজন চলে। এসময়ে ঈদুল ফিতরের আয়োজন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। তাই শহরের সবচেয়ে আলিশান বাড়িটি থেকে বিভিন্ন প্রান্তে থাকা নিম্ন আয়ের মানুষের ঘরেও  সে আয়োজন কিছু কম নয়। সাধ আর সাধ্যর সাথে তাল রেখে তারাও সুন্দর পোশাক, জুতা, কসমেটিকস কিনছেন। পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টায় দিন রাত শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাজারে ছুটে চলেছেন। যশোর ইনস্টিটিউট মার্কেট, ইনস্টিটিউট মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত, মণিহারের ফুটপাত মার্কেটসহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভ্যান ও অস্থায়ী বাজার থেকে নিম্ন আয়ের মানুষেরা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসটি কিনছেন। দামও বেশি নয়, তাই ঈদ উপলক্ষে এসকল দোকানে জমে উঠেছে কেনাকাটা। যশোর ইনস্টিটিউট মার্কেটে পোশাক কিনতে এসেছেন শহরতলীর ঝুমঝুমপুরের রাজমিস্ত্রি আব্দুর রহমান। ঈদ উপলক্ষে মেয়েকে সাথে নিয়ে এসেছেন। ছয় সদস্যর পরিবারের সবার জন্য কিছু কিনতে হবে! তিনি বলেন, খুব অল্প আয়ে পুরো সংসার চালাতে হয়। সারা বছর পরিবারের জন্যে তেমন কিছু কিনতে পারি না। তাই ঈদ এলে সবার জন্যেই কিছু না কিছু কিনতে হয়। বছরের একটি দিন, তাই এসময়ে একটু খরচ না করলে হয় না। আমরা (বড়রা) কিছু না কিনলেও বাচ্চাদের জন্যে কিছু না কিছু কিনতে হয়। কথা হয় মণিহারের ফুটপাত মার্কেটে পোশাক কিনতে আসা মেস কর্মী জমিলার সাথে। তিনি বলেন, ছেলের জন্যে গেঞ্জি আর প্যান্ট কিনবো। নিজের জন্যে কিছু কিনেছেন কিনা প্রশ্নের জবাবে বলেন, না, কিনতে পারিনি। এ বছর শুধু ছেলের জন্যেই কিনবো। বাচ্চাদেরইতো ঈদ, তাই ওরাই পরুক। ইনস্টিটিউট মার্কেটের সামনের ফুটপাতে প্যান্ট কিনতে এসেছেন ইজিবাইক চালক মনিরুল। তিনি বলেন, এই ঈদ উপলক্ষে পাঞ্জাবি কিনতে পারিনি, গতবারেরটাই পরবো। তবে, একটা প্যান্ট কিনবো তাই আসলাম। কত দাম দিয়ে কিনবেন জিজ্ঞাসা করতেই জানান তিনশ’ টাকা। শহরের জেস টাওয়ারের সামনের ভ্যান থেকে গেঞ্জি কিনতে এসেছেন শ্রমিক লিটন। তিনি বলেন, আমরা গরিব মানুষ, তাই চাইলেই যখন খুশি তখন কিছু কিনতে পারি না। সারা বছরতো নতুন কাপড় কেনা হয় না। ঈদে নতুন একটা কিছু না কিনলে ভালো লাগে না।   



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft