রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯
সারাদেশ
লালপুরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার
মো. আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধি :
Published : Sunday, 2 June, 2019 at 8:43 PM
দরজায় করা নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদ উপলক্ষে নাটোরের লালপুর উপজেলার বিপনী বিতান ও গার্মেন্টস গুলিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনা-কাটা।
রমজান শেষ হতে আর কিছু দিন বাঁকি থাকলেও নিজেদের চাহিদা মতো পছন্দের পোশাক কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারীদের পাশাপাশি পুরষেরাও। উপজেলার লালপুর বাজার, গোপালপুর বাজার ও ওয়ালিয়া বাজারের বিপনী বিতান ও গার্মেন্টসের দোকান গুলিতে এখন উপচেপড়া ভীড়। ঈদের আনন্দ পরিবারের সকলের মাঝে ভাগা ভাগি করে নিতে বিপনী বিতান ও গার্মেন্টসে গুলিতে পরিবার নিয়ে ঘুরেছেন অনেকেই। সরেজমিনে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট গুলি ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি বিপনী বিতান গুলিতে বিভিন্ন অফারের ব্যানার আর লাল-নীল আলোক সোজ্জায় সাজানো রয়েছে। জৈষ্ট্যের ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে শপিংমল ও মার্কেট গুলিতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর ছিলো। ঈদ উপলক্ষে গার্মেন্টস দোকান গুলিতে সকল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচা-কেনা। ঈদের বেচা-কেনায় দোকানীরা এতটাই ব্যস্ত যেন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের। নিজের পছন্দের পোশাকটি খুঁজে পেতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন অনেকে। এসময় ঈদে কেনা-কাটা করতে আসা লিজা নামের এক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের তিনি বলেন, ‘নিজ ও পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে এসেছি, এখনো পছন্দ করে উঠেতে পারিনাই তাই দোকান গুলি ঘুরে দেখছি।’
লালপুর বাজারে ঈদের কেনা-কাটা করতে আসা রানা আহম্মেদ বলেন, ‘ঈদে নিজের জন্য একটি পাঞ্জাবী ও পরিবারের অন্যদের জন্য নতুন পোশাক কিনেছি। এবছর বাজারে অনেক নতুন পোশাক এসেছে তবে দামটা একটু বেশিই নিচ্ছে।’
গোপালপুর বাজারে ঈদের কেনা-কাটা করতে আসা সুমাই ইসলাম বলেন, ‘আম্মু ও আব্বু কে নিয়ে ঈদের মার্কেট করতে এসেছি। ছোট ভাইয়ের জন্য পাঞ্জাবী, আম্মুর জন্য শাড়ী, আব্বুর জন্য পাঞ্জাবী ও নিজের জন্য থ্রিপিস কিনেছে।’
গার্মেন্টসের দোকানী সোহাগ ও বিসমিল্লাহ গার্মেন্টসের মালিক আলা-আমিন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের চাহিদামতো রুচিসম্পন্ন পোষাকে দোকান ভরপুর রয়েছে। দাম বেশি নেওয়ার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পন্যের মান হিসেবে এবছর দাম ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। বেচা-কেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো ঈদের কয়েকটি দিন বাঁকি রয়েছে সে হিসেবে এবছর বিক্রয় ভালো হচ্ছে আশাকরছি এবছর ঈদের লক্ষমাত্র পুরন হবে।’
এবছর মার্কেট গুলিতে শিশু, তরুণ-তরুণীদের জন্য ১ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার মধ্যে ফ্রক, জিপসি, লেহেঙ্গা, থ্রিপিচ, ফ্লোরটাচ, সিনথেটিক ফ্রক, ভারতীয় সিনেমার নায়িকাদের পোষাক, সাবিয়া জামা ও বোরকা বিক্রয় হচ্ছে। গ্যাস সিল্ক, দোতারী সিল্ক, সিল্ক জামদানী, মিরপুরের লেহেঙ্গ শাড়ী, টাঙ্গাইলের সুতিকাতান, বেনারসী কাতান, স্বর্ণ কাতান ও পাকিজা প্রিন্ট শাড়ী বিক্রয় হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। ছেলেদের রাজশাহী সিল্ক পাঞ্জাবী, ইন্ডিয়া কিউজি পাঞ্জাবী, সুতি, খদ্দর, প্রিন্ট পাঞ্জাবী, সেরওয়ানী, তৈরী শার্ট, গেঞ্জী, প্যান্ট ও শার্টের পিচ বিক্রয় হচ্ছে পাঁচশত থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রয় হচ্ছে।  



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft