শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯
ওপার বাংলা
পশ্চিমবঙ্গে এবার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 3 June, 2019 at 12:26 PM

পশ্চিমবঙ্গে এবার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানএবার বিজেপির রাম রাজনীতির পাল্টা দাওয়াই বের করছে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস। গত দু’দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে দশ লক্ষ ‘জয় শ্রীরাম’লিখে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। এর জবাবে ‘জয় হিন্দ জয় বাংলা লিখে’ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ।
ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে অর্জুন সিংয়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই নম্বরে জয় হিন্দ-জয় বাংলা লিখে পাঠানোর।
লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কর্মীদের দেখলেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলছেন বিজেপি সমর্থকরা। সাধারণ তৃণমূল নেতাকর্মীরা তো বটেই খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেও ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছে একাধিকবার।
লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বের হওয়ার পর দিন কয়েক আগেই ভাটপাড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ঘিরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেয় বিজেপি সমর্থকরা। এই স্লোগান শুনেই রেগে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। যা রীতিমতো অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূলের জন্য।
অনেক ভেবেচিন্তে তৃণমূল নেতাকর্মীরা এবার জয় শ্রীরামের পালটা স্লোগান তৈরি করেছে। যাতে একই সঙ্গে রয়েছে ভারতীয় এবং বাঙালি আবেগ। ঠিক হয়েছে, ‘জয় শ্রীরামে’র বদলে তৃণমূল বলবে ‘জয় হিন্দ-জয় বাংলা।’
এদিকে, ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি শুনে মমতার রেগে যাওয়ার ঘটনাকে ভিত্তি করে তাকে হিন্দু বিরোধী প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা করছে বিজেপি।
বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং দিন দুই আগেই জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা মানসিকভাবে অসুস্থ। সুস্থতার জন্য তার বাড়িতে দশ লক্ষ ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পোস্টকার্ড পাঠানোর পরিকল্পনা করছে গেরুয়া শিবির। অর্জুনের সেই পরিকল্পনার পালটা তাকে হাজার হাজার ‘জয় হিন্দ-জয় বাংলা’ লিখে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে তৃণমূল।
ইতিমধ্যেই তৃণমূল সমর্থকদের বিভিন্ন পেজ, গ্রুপের মাধ্যমে অর্জুন সিংয়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়া হচ্ছে। আর তাতেই সমর্থকদের ‘জয় হিন্দ-জয় বাংলা’ লিখে পাঠাতে অনুরোধ করা হচ্ছে। যদিও, সরকারিভাবে এই পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি রাজ্যের শাসকদল। এর পুরোটাই হচ্ছে বেসরকারিভাবে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft