শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯
ওপার বাংলা
মুকুলের থাবা রুখতে ১৭ পুরসভায় ভোট চায় মমতা সরকার
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 3 June, 2019 at 8:40 PM
মুকুলের থাবা রুখতে ১৭ পুরসভায় ভোট চায় মমতা সরকারলোকসভা নির্বাচনে বাংলায় অভূতপূর্ব সাফল্য পাওয়ার পর তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে ইতিমধ্যেই ৪ পুরসভা দখলের পথে বিজেপি। ‘চাণক্য’ মুকুলের এই কৌশল রুখতে এবার বাংলার ১৭টি পুরসভায় দ্রুত ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা সরকার। ওই পুরসভাগুলির মেয়াদ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে ভোট এমনিতেই অনিবার্য। তবু মমতা চাইছেন, যত দ্রুত সম্ভব সেই নির্বাচন প্রক্রিয়া মিটিয়ে ঘাসফুল দাপট কায়েম রাখতে।
উল্লেখ্য, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, আলিপুরদুয়ার, ডালখোলা, বালুরঘাট, বহরমপুর, দুবরাজপুর, গুসকরা, বর্ধমান, চাকদা, কৃষ্ণনগর, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, ডায়মন্ড হারবার, পানিহাটি ও হাবরা পুরসভায় ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ প্রসঙ্গে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‘আমরা ওই পুরসভাগুলিতে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঠিক করবে। অগস্ট বা সেপ্টেম্বরে ভোট হতে পারে’’। এ প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘ওই পুরসভাগুলিতে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ভোটপ্রক্রিয়ায় বিলম্ব ঘটিয়েছে সরকার’’।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মুকুল রায়ের মধ্যস্থতায় ৫০ জনেরও বেশি তৃণমূল কাউন্সিলর দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে পদ্মপতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। একসঙ্গে এতজন কাউন্সিলরের বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় কাঁচরাপাড়া, নৈহাটি, হালিশহর পুরসভা তৃণমূলের হাতছাড়া হয়েছে বলে ওইদিনই দাবি করেন মুকুল রায়। এই তিন পুরসভা ছাড়াও ভাটপাড়া পুরসভাও তাঁদের দখলে রয়েছে বলে দাবি করেন ব্যারাকপুরের সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
অন্যদিকে, বিজেপিকে ঠেকাতে নৈহাটি পুরসভায় ইতিমধ্যেই প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে একঝাঁক কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দেন।
মুকুল রায় বলেন, কাঁচরাপাড়া পুরসভার মোট আসন ২৪। পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান-সহ ১৭ জন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, ফলে এই পুরসভা এখন বিজেপির। হালিশহর পুরসভায় মোট আসন ২৩। ১৭ চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান-সহ ১৭ কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। হালিশহর পুরসভা তৃণমূলের নয়, বিজেপির। নৈহাটি পুরসভায় মোট আসন ৩১। ২৯ কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নৈহাটি পুরসভা বিজেপির। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে এই মুহূর্তে পুর প্রশাসনে গেরুয়া আস্ফালন রোখই তৃণমূলের কাছে প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft