বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯
আন্তর্জাতিক সংবাদ
যুদ্ধ বাঁধলে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে পাকিস্তান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Monday, 10 June, 2019 at 9:31 PM
যুদ্ধ বাঁধলে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে পাকিস্তানগেল ফেব্রুয়ারিতে জম্মু-কাশ্মিরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতি জঙ্গি হামলায় ৪০ জন নিহতের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।
দুদেশের বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছিল- তারা একে অপরের বিমান গুলি করে মাটিতে নামিয়েছে। পাকিস্তানের বালাকোটের জঙ্গি আস্তানা গুড়িয়ে দিয়েছে বলেও ভারতের সেনারা দাবি করছিল।
আসলে ভারত ও পাকিস্তান প্রতিবেশী এ দুটি দেশের বিমানবাহিনীর মধ্যে শক্তি বেশি কার? এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে ভারতীয় এক গণমাধ্যম।
সম্প্রতি ভারতের দ্য প্রিন্ট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধলে পাকিস্তানি বিমান সেনারা এগিয়ে থাকবে। কারণ আকাশে ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের শক্তি বেশি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিমান ও পাইলটে পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে ভারত। যদিও ভারতীয় নেতারা প্রায়শই বলে থাকেন, তারা পাকিস্তানের চেয়ে সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে আছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিমানবাহিনীতে বর্তমানে প্রতিটি বিমানের জন্য পাইলটের সংখ্যা গড়ে মাত্র দেড়জন করে। যেখানে পাকিস্তানের বিমান প্রতি গড়ে এ সংখ্যা আড়াইজন।
এই দু’দেশের মধ্যে দিনে ও রাতে যুদ্ধ হলেও এগিয়ে থাকবে পাকিস্তান। বিমানের পাইলট কম থাকায় ভারতের ওপর চাপ বেশি থাকবে। কারণ দিনরাত বিমান চালাতে গিয়ে পাইলটরা ক্লান্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু পাকিস্তানে পাইলট সংখ্যা বেশি হওয়ায় তাদের সেই চিন্তা থাকবে না।
এছাড়া ভারতে একটি ‘ফায়ারিং রেঞ্জ’ নেই, যেগুলো দিয়ে যুদ্ধকালীন শত্রুর আস্তানায় বোমা ফেলার অনুশীলন করা যাবে। ভারতের বিমানসেনাদের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা ‘সিমুলেশন’ বা কম্পিউটারে নকল যুদ্ধক্ষেত্রে বোতাম টিপে বোমা ফেলার অনুশীলন করেন। কিন্তু এটি বাস্তবে কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
আকাশ যুদ্ধে ভারতের আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে উচ্চতা নিয়ে। অনেক উঁচু থেকে বোমাবর্ষণ করার অনুশীলনের বিমান নেই ভারতের বিমানবাহিনীর কাছে। অন্যদিকে প্রতিবছর ২ শতাংশ হারে অনুমোদিত পাইলটের সংখ্যা কমছে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে ২ আসনবিশিষ্ট এসইউ ৩০ এমকেই বিমান যোগ হচ্ছে ভারতের বহরে। কিন্তু এগুলো চালানার জন্য পাইলটের সংখ্যা না বেড়ে উল্টো কমছে বলেও দ্য প্রিন্ট পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়।
এদিকে অতিরিক্ত জেএফ-১৭ থান্ডার বহুমুখী জঙ্গিবিমান ক্রয়, নতুন লিড-ইন-ফাইটার ট্রেইনার (এলআইএফটি) এবং পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গি বিমান (এফজিএফএ) কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে ইমরান খানের সরকার।
পাকিস্তানী বিমান বাহিনী তাদের জেএফ-১৭ ব্লক-টু কর্মসূচি শেষ করতে যাচ্ছে, যেখানে শেষ তিনটি বিমান এ বছরের জুনেই মধ্যে হাতে পাবে তারা। দ্বিতীয়ত, পরবর্তী জেএফ-১৭ ব্লক-থ্রি কর্মসূচির জন্য বিমান বাহিনী দুটো অ্যাকটিভ ইলেক্ট্রনিক্যালি স্ক্যানড রাডারের (এইএসএ) মধ্যে একটিকে বেছে নেবে।
সাপ্তাহিক আইএইচএস জেন্স ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর চিফ অব এয়ার স্টাফ (সিএএস) এয়ার চিফ মার্শাল (এসিএম) মুজাহিদ আনোয়ার খান জানিয়েছেন, পাকিস্তান বিমান বাহিনী তাদের বহরে ২৬টি ডাবল সিটের জেএফ-১৭বি বিমানও যুক্ত করবে। তখন সব মিলিয়ে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ বিমানের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৮৮টিতে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft