বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
গরমে তাল শাসের তৃপ্তি
জগদীশ দাস :
Published : Tuesday, 11 June, 2019 at 6:29 AM
গরমে তাল শাসের তৃপ্তিপ্রকৃতিতে এখন প্রচন্ড গরম আর তীব্র রোদ। এমন আবহাওয়ায় মানুষের ত্রাহি অবস্থা। গরমের এ মৌসুমে প্রকৃতি মানুষকে দিয়েছে নানা উপাদান। নানা উপাদানে সমৃদ্ধ করেছে মানুষকে। বিভিন্ন রসালো, সুমিষ্ট ফলে এখন বাজার সয়লাব। সুস্বাদু ফলের সৌন্দর্যে  বিভিন্ন বাজার মুখরিত। জ্যৈষ্ঠের এই খরতাপে মানুষ সাময়িক প্রশান্তি এবং সজীবতার জন্যে মৌসুমী ফল কিনছেন। বিক্রেতারাও ফলের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন বিভিন্ন মোড়ের স্থায়ী বা অস্থায়ী সব দোকানে।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বাজারে বিভিন্ন মৌসুমী ফলের আমদানি অনেক বেশি। আর আমদানি বেশি থাকার কারণে দামও ক্রেতাদের হাতের নাগালে। তরমুজ, আম, লিচুসহ বিভিন্ন রকমারি ফল বাজারে শোভা পাচ্ছে। এর মধ্যে  সম্প্রতি বাজারে এসেছে গ্রীষ্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফল তাল। কচি কচি তালের শাস এ গরমে খুব জনপ্রিয় একটি ফল বাঙালীর। আর এ জনপ্রিয়তার কারণে গরমে সবাই এ ফলের জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন। গ্রামের মানুষ খুব সহজেই এ ফল পেলেও শহরের মানুষের কাছে অনেক আকাঙ্খিত।
প্রায় সারা বছর কমবেশি তাল হলেও গরমের এ সময়টাতে তাল শাসের চাহিদা থাকে বেশি। এর শাস এবং এর ভিতরের সুমিষ্ট পানি মুহূর্তের মধ্যে প্রশান্তি ও সজীবতা এনে দিতে পারে। সহজলভ্য হওয়ায় সব বয়সী মানুষের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
সারাদেশের মতো যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে তাল বিক্রি হচ্ছে। তবে, অন্য ফলে যখন বাজার ভর্তি সেখানে তালের তেমন আধিক্য নেই। বৃষ্টিপাতের অভাবে এ বছর তালের উৎপাদন কম বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা। শহরের হাতেগোনা কয়েক জায়গায় তাল শাস বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাল নিয়ে বসে থাকলেও দাম বেশির কারণে ক্রেতারা তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
যশোরের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে এক সময় প্রচুর পরিমাণ তাল গাছ দেখা গেলেও বর্তমানে তেমন একটা দেখা যায় না। যেসব গাছে তাল হয় তা গ্রামের বিক্রেতার হাত ধরে পৌঁছে যায় শহরে। বাজারে তালের তেমন বেশি উপস্থিতি না থাকায় বিক্রেতারা বেশি দামে বিক্রি করছেন। যশোরের ফাতেমা হাসপাতালের সামনে গিয়ে দেখা যায় প্রায় পাশাপশি দু’জন বিক্রেতা তাল বিক্রি করছেন। এক একটি তাল বিক্রি হচ্ছে দশ থেকে ১৫ টাকায়। বিক্রেতারা ধারালো দা দিয়ে কেটে  মাঝে মাঝে শাস তুলেও বিক্রি করছেন। একটি তালে সাধারণত তিনটি শাস থাকে। এক একটি শাস বিক্রি করছেন পাঁচ থেকে ছয় টাকায়। প্রতিদিন প্রায় দুশ’ থেকে আড়াইশ’ পিচ তাল বিক্রি করতে পারেন বলে তারা জানালেন।
আরিজুল ইসলাম নামে অপর এক তাল বিক্রেতা জনালেন, তারা পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতি পিচ ছয় থেকে সাত টাকায় কেনেন। নিউ মার্কেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেল একজন বিক্রেতাকে ডাব এবং তাল শাস এক সাথে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, তাল শাসের চাহিদা থাকলেও যোগান কম রয়েছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft