রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
বিশ্ব বাবা দিবস আজ
কাগজ সংবাদ :
Published : Sunday, 16 June, 2019 at 6:46 AM
বিশ্ব বাবা দিবস আজআজ ‘বিশ্ব বাবা দিবস’। দেশ থেকে দেশে কিংবা সময় থেকে সময়ে একই মমতায় চিরন্তন বাবা এবং সন্তানের বন্ধন। আস্থা আর পরম ভরসার বটবৃক্ষ বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আনুষ্ঠানিকভাবে হয়তো সব সন্তান করেন না। তবে দেশকাল পাত্র ভেদে পারস্পারিক রক্তের টান অটুট থাকে। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছায় প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ দিবস উদযাপিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় যশোরসহ সমগ্র দেশে সন্তানেরা তাদের বাবার দায়িত্ব ও পিতৃত্বসূলভ আচরণকে বিশেষ মর্যাদায় স্বীকৃতি দেয়।
বিশ্ব বাবা দিবস নিয়ে বিভিন্ন জার্নাল থেকে জানা গেছে, বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে বাবা দিবস পালন শুরু হয়। আসলে মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্বশীল- এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছে থেকে যার শুরু। ধারণা করা হয়, ১৯০৭ সালের একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২শ’১০ জন বাবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে প্রথম ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। এর দুই বছর পর ১৯১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রেও সেনোরা স্মার্ট ডট নতুন পরিসরে বাবা দিবস পালন করেন। সেনোরাকেই বাবা দিবসের উদ্যোক্তা মনে করা হয়। ডট তার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা প্রকাশে সর্ম্পূণ নিজ উদ্যোগেই পরের বছর, অর্থাৎ ১৯ জুন, ১৯১০ সাল থেকে বাবা দিবস পালন করা শুরু করেন।
প্রথম প্রথম এ দিবসটি অনেকের কাছেই হাস্যকর ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থার পরিবর্তন হয়। ১৯১৩ সালে আমেরিকান সংসদে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
বাবা দিবস উদযাপনের ফলে সমাজে এবং পরিবারে বাবাদের যে অবদান তা যে সমাজ এবং নিজের সন্তানরা মূল্যায়ন করছে, এ বিষয়টিও বাবাদের বেশ আনন্দ দেয়। এমন অনেক সন্তান আছে,  যারা বাবা মায়ের দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। এ দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা- মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে তাই বলা যায়, পারবিারকি বন্ধন দৃঢ় করতে এ দিবস উদযাপনের গুরুত্ব রয়েছে। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft