সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
দুধ নিয়ে ঢাবির প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্ট
কাগজ ডেস্ক :
Published : Sunday, 30 June, 2019 at 8:50 PM
দুধ নিয়ে ঢাবির প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্টপাস্তুরিত দুধ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ ও বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা দেখতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৭ জুলাই এই প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
রোববার (৩০ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানভির আহমেদ। বিএসটিআইয়ের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিস রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে থাকা ৭৫ শতাংশ পাস্তুরিত দুধেই ভেজাল ধরা পড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ। এই রিট আবেদনে গত বছরের ২১ মে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে কমিটি করে বাজারে থাকা পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। খাদ্য ও স্বাস্থ্য সচিব এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালককে দেওয়া এই নির্দেশের পর গত ২৫ জুন বিএসটিআইয়ের আইনজীবী ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওইদিন বিএসটিআই প্রতিবেদন দাখিল করে বলেন, চৌদ্দটি কোম্পানির পাস্তরিত দুধে আশঙ্কাজনক বা ক্ষতিকর কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি।
একইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ ও বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার গত ২৫ জুন সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, তাদের পরীক্ষায় প্রাণ, মিল্কভিটা, আড়ংসহ সাত নামি ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। পাস্তুরিত এসব দুধে মাত্রাতিরিক্ত কলিফর্ম ও অ্যান্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। এছাড়া ঘি, ফ্রুট ড্রিংক, গুঁড়ামসলা, ভোজ্যতেলসহ অন্তত আটটি পণ্যে ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল তুলে ধরেন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চের পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসির অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।
তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাজারে ব্যাপকভাবে বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করেন। পরবর্তী সময়ে বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সহায়তায় সেগুলোর গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ফারুক বলেন, বাজারে চলমান সাতটি পাস্তুরিত ও তিনটি অপাস্তুরিত দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১০টি নমুনাই বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। পাস্তুরিত দুধের সাতটি নমুনার কোনোটিতেই কাঙ্ক্ষিত মাত্রার ‘সলিড নট ফ্যাট’ পাওয়া যায়নি। এগুলো হলো মিল্কভিটা, আড়ং, প্রাণ, ফার্ম ফ্রেশ, ঈগলু, ঈগলু চকোলেট ও ঈগলু ম্যাঙ্গো। বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দুধে ‘ফ্যাট ইন মিল্ক’ ৩.৫ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও এগুলোতে আছে ৩.৬ থেকে ৩.৬১ শতাংশ। এসব দুধে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পাস্তুরিত দুধের সব কটিতে মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া রয়েছে ফরমালিন ও ডিটারজেন্টের উপস্থিতি। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft