শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০
সারাদেশ
ক্ষতবিক্ষত ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
Published : Saturday, 13 July, 2019 at 7:46 PM
ক্ষতবিক্ষত ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ক্ষতবিক্ষত হয়ে উঠেছে। এই ক্ষত সংস্কারে দেয়া ইটের টুকরা উঠে ছড়িয়ে আছে মহাসড়কের মাঝখানে। দুর্ঘটনা ও ক্ষতি এড়াতে গতি কমিয়ে সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনকে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) বলছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও ওভারলোডের কারণে মহাসড়কটির এ অবস্থা হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ হিসেবে বিবেচিত। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৯২ কিলোমিটার। এর মধ্যে বড়দারোগার হাট থেকে ধুমঘাট ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার অংশ মিরসরাইয়ে অবস্থিত। ২০০৯ সালে এ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হয়, যা শেষ হয় ২০১৫ সালে। তবে এক বছর না যেতেই মহাসড়কটিতে গর্ত তৈরি হতে শুরু করে।
স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কের মিরসরাই অংশ এখন ছোট-বড় গর্তে ভরে গেছে। কয়েক দিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে এসব গর্ত আরো বড় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিংয়ের পাশাপাশি ভেতরের ইট-বালি বেরিয়ে এসেছে। গত মঙ্গলবার সওজের কর্মীরা সৃষ্টি হওয়া গর্ত ইট-বালি দিয়ে ভরাট করে দেন। কিন্তু এর একদিন না যেতেই গাড়ির চাকার সঙ্গে লেগে ইট-বালি উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও ইটের টুকরা ছড়িয়ে আছে মহাসড়কের মাঝখানে। ফলে মহাসড়কের এ অংশে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে পথ পাড়ি দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে সময় বেশি লাগছে।
সরেজমিন দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক দেবে গিয়ে পানি জমে আছে। বারইয়ারহাট, সোনাপাহাড়, মিঠাছড়া, বাদামতলী, মিরসরাই সদর, বড়তাকিয়া, নয়দুয়ারী, নিজামপুর ও বড়দারোগারহাট এলাকায় সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক।
চট্টগ্রামগামী কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. নুরুল আলম জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী পুরো সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে গাড়ির যন্ত্রাংশের ক্ষতি হচ্ছে। স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো যাচ্ছে না। ফলে ৪ ঘণ্টার পথ অতিক্রম করতে সময় লাগছে ৬-৭ ঘণ্টা।
বারইয়ারহাট সদরের মাইক্রোবাস চালক আশরাফ উদ্দিন বলেন, সড়কে উঠে আসা
ইট-পাথরের কারণে ছোট-বড় সব গাড়ির চাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় চাকা ফেটে যাচ্ছে। অসাবধানতাবশত কয়েক দিন আগে আমার মাইক্রোবাসের একটি চাকাও ফেটে গিয়েছিল।
নিজামপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী তন্নী দাশ জানান, বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে গর্তে পানি জমছে। চালকরা এসব গর্তের ওপর দিয়ে অনেক সময় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যান। তখন ময়লা পানি ছিটকে এসে পথচারীদের গায়ে পড়ছে।
পারে চট্টগ্রাম সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কে গর্তের সৃষ্টি হতে পারে। এটি কোনো বিষয় নয়। ভারী যানবাহন ও ওভারলোড সড়ক নষ্ট হওয়ার আরেকটি কারণ। তবে ভোগান্তি কমাতে প্রতিদিনই সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft