মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
শিক্ষা বার্তা
দুর্গাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যাল ঝুঁকিপূর্ণ আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী :
Published : Wednesday, 17 July, 2019 at 6:02 PM
দুর্গাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যাল ঝুঁকিপূর্ণ আতঙ্কে শিক্ষার্থীরারাজশাহীর দুর্গাপুর সদরের অবস্থিত একমাত্র সরকারি স্কুল দুর্গাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এস্কুলটি ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি ক্লাস রুমগুলো দীর্ঘ বছর ধরে ভগ্নদশা অবস্থায় পড়ে আছে। এর পরেও ক্লাস রুমের সংকটে কারণে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। ভবনটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার খলিলুর রহমান।
বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় এক হাজার ছাত্র-ছাত্রী এখানে শিক্ষাগ্রহণ করছে। এর মধ্যে প্রায় ৩শত শিক্ষার্থীর পাঠদান ওই ঝুঁকিপূর্ন ভবনে চলছে। নতুন কোন ভবন না হলে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে পাঠদান বন্ধ করা যাচ্ছে না বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম।
বিদ্যালয়টি ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৭০ বছরে পুরনো স্কুল ভবনটি নতুন ভবন ছাড়া অন্য সবগুলো ভবন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। ভবন গুলোর ছাদ ও দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। লোহা ও কাঠের দরজা-জানালাগুলো বেহাল দশা। দেয়ালের প্লেস্তারগুলো ধসে পড়ছে । ছাদের প্লেস্তার ধসে মরিচাযুক্ত রডগুলো দেখা যাচ্ছে। এমনকি বড় বড় অংশ ধসে পড়ছে মেঝেতে। মেঝেতে বড় বড় খাবলা হয়ে প্লেস্তার উঠে গভীর হয়ে আেেছ।
স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা বলেন,  আহতর ভয়ে অনেক ওই ভবনে ক্লাস করা বন্ধ করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয় ভবনের বারান্দার পাকা খুঁটিগুলোতে ফাটল ধরেছে। প্লেস্তার ও ইট ক্ষয়ে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই ফাটল দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। বার বার মেরামত করেও আর লাভ হয় না। বর্তমানে স্কুলটি মেরামতেরও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যেকোন মুহূর্তে ভূমিকম্পে বা মেয়াদ উর্ত্তীণ হওয়ায় ধসে পড়তে পারে ভবনটি।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হয়। শিক্ষার্থীর তুলনায় বিদ্যালয়ে ক্লাস রুমের সংকট রয়েছে। এরমধ্যে আবার যে ভবনটিতে ক্লাস করা হয় তার অবস্থা খুবই খারাপ। যে কোন সময় ভেঙ্গেপড়তে পারে। এতে করে বড়ধরনের দুঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রর্যাপ্ত ক্লাস রুম পেলে বিদ্যালয়ে কর্মরত সকল শিক্ষক শিক্ষিকার অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা সম্ভাব।
উপজেলা স্থানীয় প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যায়ের পুরনো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ন। এ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ করতে হবে ৭০ বছরের পুরনো ভবনের কোন কিছুর গুনাগুনঠিক নেই। ভবনটি অবশ্যই ঝুঁকিপূন রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক বলেন, পড়াশোনার মানোন্নয়ন ও ফলাফলের দিক থেকে প্রতি বছরই দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। তবে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর তুলনায় কক্ষ সংকট রয়েছে। পুরাতন ভঙ্গাচোরা জরাজীর্ণ ভবনটিতে শিক্ষক শিক্ষিকারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়টির পুরাতন জরাজীর্ন ভবনটি দ্রুত ভেঙ্গে ফেলে একটি নতুন ভবন নির্মান করা হলে বিদ্যালটিতে আরো বেশী শিক্ষা মানোন্নয়ন ঘটবে বলে আমি মনেকরি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন সরকার বলেন,সরজমিনে ভবনটি দেখেছি। তবে ভবনটিতে শিক্ষর্থীরা ঝুঁকিপূর্ন ভাবে ক্লাস করছে। যার কারণে মৌখিক ভাবে আমরা সবাই জানিয়েছি। দ্রুত ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা কারা প্রয়োজন এমনকি এমন ঝুঁকিপূর্ন ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা যাবে না। অন্য জায়গায় পাঠদান করাতে হবে। নতুন ভবনের জন্য আবেদন করা হবে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft