শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
বিলবোর্ডে ঝুঁকি বাড়ছে যশোর শহরে
অপসারণের দাবিতে ডিসিকে পত্র
কাগজ সংবাদ :
Published : Friday, 19 July, 2019 at 6:03 AM
বিলবোর্ডে ঝুঁকি বাড়ছে যশোর শহরে বিলবোর্ডে ঝুঁকি বাড়ছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যশোর শহরে। শহরের অনেক স্থানে বিলবোর্ড চলে এসেছে একেবারে মানুষ চলাচলের রাস্তার ওপর। এসব বিলবোর্ড স্থাপনে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কেউ আইন মানছে না। এমনকি তদারকি সংস্থা পৌরসভার কাছে নেই এর সঠিক পরিসংখ্যানও। এদিকে, শহরবাসী ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড অপসারণের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, তদারকির মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিলবোর্ড উচ্ছেদের অভিযানে নামা হবে। তবে, পৌর কর্তৃপক্ষ ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বিলবোর্ড থেকে ২১ লাখ টাকা আয় করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা গেছে কার্যত এখন যশোরকে বিলবোর্ডের শহর বলে মনে হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিয়ত স্থাপন করা হচ্ছে নতুন নতুন বিলবোর্ড। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যে যার ইচ্ছামতো বিলবোর্ড বসিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার পৌরসভার অনুমতি নিয়েও চলছে বিলবোর্ড স্থাপনের কাজ। কিন্তু এগুলো স্থাপনে মানা হচ্ছে না বিধিনিষেধ। যে কারণে ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারের বিলবোর্ডে শহরের বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে শুরু করে অলিগলি ভরে গেছে। যা শহরবাসীর জন্যে রীতিমত ঝুঁকির।
মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস-১৯৮৬ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি কারো জমি বা ভবনে অথবা পৌরসভা/কর্পোরেশনের জমি বা ভবনে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিলবোর্ড অথবা সাইনবোর্ড স্থাপন করতে চায় তবে অবশ্য পৌরসভা/কর্পোরেশনের অনুমতি নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কর দিতে হবে। আইন অনুযায়ী বিলবোর্ডের আয়তন সর্বোচ্চ ৩০ বর্গমিটার থেকে ৫০ বর্গমিটার পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে যশোরের বিলবোর্ডের আয়তন ৫০ বর্গমিটারের দ্বিগুণ, তিনগুণ কিংবা তারও বেশি।
শহরে কতগুলো বিলবোর্ড রয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই তদারকি সংস্থা পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে। শহরবাসীর অভিযোগ রয়েছে পৌরসভা বিলবোর্ড স্থাপনের অনুমতি দিলেও এ সংক্রান্ত আইন মানছে না ব্যবসায়ীরা।
পৌরকর্তৃপক্ষ বলছে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বিলবোর্ড থেকে আয় করেছে ২১ লাখ টাকা।
এদিকে, শহরের দড়াটানা, মণিহার, খাজুরা বাসস্ট্যান্ড, পালবাড়ি মোড়, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, আরএন রোড, চিত্রামোড়, চৌরাস্তা, রেলস্টেশন, চাঁচড়া বাজার মোড়, চেকপোস্ট, বড় বাজার, জেলরোড, ধর্মতলার মোড়, আরবপুর মোড়, বাবলাতলা (ঢাকারোড), হাইকোর্ট মোড়, সিভিল কোর্টের মোড়সহ শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম জায়গায় ব্যক্তি মালিকানায় বিলবোর্ড তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে কেউ কেউ পৌরসভার অনুমতি নিচ্ছে আবার অনেকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। নিয়ম না মানায় বিলবোর্ড অপসারণেরও তেমন কোনো উদ্যোগ নেই পৌরসভার।
এ ব্যাপারে পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বিলবোর্ডের ভাড়া হিসেবে আয় করা হয়েছে ২১ লাখ টাকা। তবে অধিকাংশ বিলবোর্ড স্থাপনকারী পৌরসভায় ভাড়া বা খাজনা দেন না।
পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন জানিয়েছেন, যদি শহরে বিনা অনুমতিতে কেউ সাইনবোর্ড বা বিলবোর্ড টাঙিয়ে রাখে তাহলে তাদের বিলবোর্ড অপসারণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।   



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft