রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯
অর্থকড়ি
সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ কমেছে : অর্থমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 22 July, 2019 at 8:13 PM
সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ কমেছে : অর্থমন্ত্রীসরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ কমেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেছেন, ‘দেশের সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে এসেছে। বাকি ব্যাংকগুলোও এটি বাস্তবায়ন করবে।’
সোমবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নন পারফর্মিং লোন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আমি শপথ নেওয়ার সময় বলেছিলাম বাড়বে না, গণমাধ্যমে এসেছে বেড়েছে। কিন্তু আসলে তা বাড়েনি। পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ২০১৮ থেকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমে এসেছে।’
খেলাপি ঋণের তথ্য উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সোণালী ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ছিল ৩০ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ২০১৯ জুনে এসে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশ। জনতা ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৩৭ দশশমিক ৩২ শতাংশ, ২০১৯ জুনে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। অগ্রণী ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ, ২০১৯ সালের জুনে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৫০ শতাংশ, রূপালী ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ১৭ দশমিক ৯২ শতাংশ, ২০১৯ সালের জুনে দাঁড়িয়েছে ১৭ শতাংশ। বেসিক ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৫৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ২০১৯ সালের জুনে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ, ২০১৯ সালের জুনে দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে কৃষি ব্যাংকের ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ১৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২৩ শতাংশ। তবে এই দুটি ব্যাংকের ডিসেম্বরের পর কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি কিন্তু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা ব্যাংকিং খাতকে আরও জোরদার করতে যোগাযোগ অব্যাহত রাখব। যারা ঋণ খেলাপির মাধ্যমে ত্রুটি বিচ্যুতি তৈরি করেছে, তারা টাকা ফেরত দিতে চাইলে আমরা তা গ্রহণ করব। কিন্তু যারা টাকা দেশের বাইরে নিয়ে গেছে কিংবা নিজের বালিশের নিচে রেখে দিয়েছেন তাদের বিররুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব। জনতা ও ফার্মার্স ব্যাংকের মালিকের পরিবারের সদস্যরাও জেলে আছেন। আইন আইনের গতিতে চলে, সেভাবে চলবে।’
প্রত্যেক ব্যাংকে সেবা উইং চালু করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ সেবা বিক্রি করা। আমরা পানি বিক্রি করি না, সেবা বিক্রি করব। কোথাও আর্থিক খাতের অভিযোগ থাকলে অভিযোগ দিন। প্রত্যেক ব্যাংকে সেবা উইং চালু করুন। তারা অভিযোগগুলো আমাদের জানাবে।’
সরকারি ব্যাংক সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে এনেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সব ব্যাংকে আমরা সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনব। সিঙ্গেল ডিজিট না হলে খেলাপি ঋণ বাড়ে। ফলে ব্যবসায়ী ও ঋণগ্রহীতা কেউ লাভবান হন না। ঋণগ্রহীতা ও ব্যবসায়ী উভয়কেই লাভবান করতে আমরা এটি করতে চাইছি। এটি করলে আমরা লাভবান হব।’
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft