মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২০
জাতীয়
৩৮৮ কারবারির নিয়ন্ত্রণে অবৈধ অস্ত্রের বাজার
কাগজ ডেস্ক :
Published : Sunday, 18 August, 2019 at 6:49 AM
৩৮৮ কারবারির নিয়ন্ত্রণে অবৈধ অস্ত্রের বাজারযশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের ৩৮৮ কারবারির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অবৈধ অস্ত্রের বাজার। তালিকার পর তালিকা করেও ওইসব কারবারিকে ধরতে হিমশিম খাচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। রাজনৈতিক সহিংসতা, শিক্ষাঙ্গনে আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক এসব অবৈধ অস্ত্র। দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র। পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, অন্তত দেড়শ সিন্ডিকেট দেশের ৬০টি পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অস্ত্রের চালান আনছে। ওইসব সিন্ডিকেট সেগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে সারা দেশে। এসব অস্ত্র মিলছে ভাড়াতেও। অনেক কারবারি রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়ে আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বছর তিনেক আগে পুলিশের একটি সংস্থা অস্ত্র কারবারিদের তালিকা করেছিল। ওই তালিকাটি আরও যাচাই-বাছাই করে চলতি বছর আবারও তালিকা করে অভিযান চালাচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।
পুলিশ ও র‌্যাবের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তারকৃত কয়েকজন কারবারির কাছ থেকে একে-২২ রাইফেলসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার করায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া তাদের কাছ থেকে উদঘাটন হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত ৫ বছরে র‌্যাব সারা দেশে ৪ হাজার ১২০টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬২ গুলি উদ্ধার করে।
গত ১৯ জুলাই রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় চারটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, সাতটি ম্যাগাজিন ও ১২৮টি গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয় শীর্ষ মাদক কারবারি মিনহাজুল ইসলাম মিমসহ তিনজনকে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র কারবার চালিয়ে আসছিল তারা।
মিম খিলগাঁও মডেল কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। তার সহযোগী সিপাহীবাগের বিল্লা বাবুর্চির ছেলে মামুন, মেরাদিয়ার হালিম ও জাহিদ কারবার চালাচ্ছেন। তার মধ্যে হালিম খিলগাঁওয়ের তিন নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও জাহিদ দুই নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। অভিযোগ আছে নেছার উদ্দিন কাজল নামে এক বড় ভাই সহায়তা করেন। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে খিলগাঁও এলাকার একটি বাসা থেকে একে-২২ রাইফেল, চারটি বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার ও বিভিন্ন অস্ত্রের ৪৭টি গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয় খান মোহাম্মদ ফয়সাল, জিয়াউল আবেদীন ওরফে জুয়েল ও জাহিদ আল আবেদিন ওরফে রুবেলকে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘অবৈধ অস্ত্র কারবারিদের ধরতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে তাদের তালিকা করা হয়েছে। তালিকাভুক্তদের মধ্যে রাজনৈতিক দলের নেতা হলেও রেহাই পাবে না। অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক কানেকশন থাকতে পারে না; অপরাধী অপরাধীই। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।’ তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে একাধিক অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। ওইসব কারবারির সহযোগীদের ধরার চেষ্টা চলছে।’
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন-অর-রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘অস্ত্রবাজদের ধরতে প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে। এলাকায় যারা অস্ত্রবাজ হিসেবে পরিচিত তাদের তালিকা করা হয়েছে। ওই তালিকায় অনেক রাঘববোয়ালের নাম আছে। কাউকে আমরা ছাড় দিচ্ছি না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’ একই কথা বলেছেন কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন, কুমিল্লার এসপি নুরুল ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গার এসপি মাহবুবুর রহমান। তারা বলেন, অস্ত্রবাজদের সঙ্গে কোনো আপস নেই। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে।    
পুলিশের সূত্রগুলো জানায়, অপরাধীদের কাছে স্পেন ও জার্মানির তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র আছে। ওই অস্ত্র ওজনে হালকা, গুলি করার সময় শব্দ ও ঝাঁকুনি কম এবং সহজেই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এ ধরনের পিস্তল সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার হচ্ছে অহরহ। রাজনৈতিক ক্যাডার ও অপরাধীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ছোট আকারের অস্ত্র। বহন ও ব্যবহারে নিরাপদ বলেই তারা ক্ষুদ্রাস্ত্র ব্যবহারে বেশি আগ্রহী। ৭৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকায় মিলছে অত্যাধুনিক অস্ত্র।
উদ্ধার হওয়া ছোট অবৈধ অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে উগনি কোম্পানির রিভলবার, মাউজার পিস্তল, ইউএস তাউরাস পিস্তল, ইতালির প্রেটো বেরোটা পিস্তল, জার্মানির রুবি পিস্তল, ইউএস রিভলবার, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি নাইন এমএম পিস্তল ও মেঘনাম কোম্পানির থ্রি টু বোরের রিভলবার। স্প্যানিশ অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রও পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, ব্রাজিল, বুলগেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, চীন, ইসরায়েল, জার্মানি ও রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা এবং ভারত ও মিয়ানমার থেকে বঙ্গোপসাগর হয়ে দেশে ঢুকছে। চাইনিজ রাইফেল, পিস্তল, রিভলবার, স্টেনগান, মেশিনগান, সাব-মেশিনগান, কালাশনিকভ সিরিজের একে-৪৬, একে-৪৭, একে-৫৪, একে-৫৬, একে-৭৪ ও এম-১৬-এর মতো ভয়ংকর অস্ত্রও আসছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা ও র‌্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকাগুলো চোরাকারবারিরা বেশি ব্যবহার করছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, সন্দীপ, সীতাকু-, রাঙ্গুনিয়া, বান্দরবান, রাঙ্গামাটির সাজেক, খাগড়াছড়ির রামগড় ও সাবরুম, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, মোংলা, উখিয়া, রামু, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, রাউজান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, হিলি ও সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র আসছে বলে তারা তথ্য পাচ্ছেন। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অস্ত্র তৈরির খবর পাওয়া গেছে। র‌্যাব ও পুলিশ মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করছে।
ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন, ঈদের পর সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। তালিকাভুক্তদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সম্পর্ক আছে। দেশের বাইরে যেসব সন্ত্রাসী পালিয়ে আছে তারাও অস্ত্র ব্যবসা করছে।
পুলিশের তালিকাভুক্ত অস্ত্র কারবারিরা: পুলিশের তালিকা অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্রের কারবারিরা হলো রাজশাহীর হায়দার আলী, মাছুম, কালু মিয়া, নাসিরউদ্দিন বাবু, আসলাম মেম্বার, বাবু ডাকাত, সন্তোষ কুমার, সাজ্জাদ বিন শিপন, আব্দুল মোমিন, উকিল মিয়া, বাচ্চু মিয়া, নাসির উদ্দিন, রেজাউল হক রেজা, হ্যাপি, মাসুদ রানা, নওশাদ আলী, জাহাঙ্গীর আলম, মনিরুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম, কাশেম আলী, মজিবুর রহমান বিশু, আলমগীর ওরফে আলো, সুইট, রুহুল আমিন, মাজহারুল ইসলাম, মানিক ওরফে কুংফু মানিক, নওগাঁর সোলায়মান আলী, শরিফুল ইসলাম, আয়নাল হোসেন, নাজমুল আলম, নেত্রকোনার তাজুল ইসলাম, মজিদ, আব্দুর রশিদ, বিল্লাল হোসেন, মতিউর রহমান, মোবারক হোসেন, আব্দুল হক মিয়া, কুমিল্লার ঠোঁটকাটা নাসির, ককটেল বাবু, অশোক কুমার, শাহজাদা, রাকিব, আলমগীর হোসেন, আসাদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ওরফে একরাম, রানা, মোহাম্মদ কিবরিয়া, জহিরুল হক রিন্টু, রাসেল, শিপন, তুহিন, আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, শহীদুল ইসলাম, উৎবাতুল বারী আবু, নুরুল বাহার, লাদেন জাকির, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জুম্মন, জুয়েল, কালন, রমজান, জুলহাস, রাকিব, আবিদুর, পাপ্পু, ফেনীর জিয়াউদ্দিন ডালিম, সুমন প্রকাশ, আনোয়ারুল হোসেন, আব্দুল্লাহিল মাহমুদ শিবলু (একরাম হত্যা মামলায় কারাগারে), খোরশেদ আলম, মনোয়ার হোসেন দুলাল, খোরশেদ আলম বাচ্চু, মানিক, ইউসুফ শাহীন, জিয়াউল আলম ওরফে মিস্টার, দাউদুল ইসলাম মিনার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেরাজ, মোশাররফ হোসেন মেম্বার, সেনাউল হক, আখেরুল, আজম আলী, টাইগার সিরাজুল, হাবিব, কাইয়ুম, বাছেদ আলী, আরশাদ আলী ফকির ওরফে ভদু, মামুন, খাইরুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, বকুল, রেন্টু ওরফে কালু, জয়পুরহাটের সুলতান আহমেদ, খলিলুর রহমান, বদি, আব্দুর রশিদ নূরা, আব্দুল মালেক (ফাটাবাবু), হুমায়ুন কবীর, রুহুল আমিন, সাখাওয়াত হোসেন কুতুব, কবির হোসেন, শ্রী শংকর, ফড়িং আহমেদ, মজনু মেম্বার, অমল চন্দ্র বর্মণ, গোলাম মাহফুজ চৌধুরী, ফয়সাল আলীম, গোলজার হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, জাকারিয়া হোসেন কমল, আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন, জাহেদুল ইসলাম বেনু, মোস্তাক আহমেদ, সুলতান রহমান, কবীর হোসেন, জজ মিয়া, আতাহার আলী, আব্দুল মান্নান, আবু সাঈদ আল মাহমুদ চন্দন, হাবিবুর রহমান, মোস্তাক আহমেদ, গোলাম মোস্তফা, মাহমুদ হোসেন, গোলাম মাহফুজ চৌধুরী, ফয়সাল আলীম, যশোরের মিয়া রাজ আলী, আইয়ুব হোসেন ওরফে কালা আইয়ুব, মো. জুম্মু, কামাল হোসেন, শাহাবুদ্দিন, জসীম উদ্দিন, শুকুর আলী, দুদু মিয়া, আব্দুল, রিংকু, মোহাম্মদ কবির, জাইদুল, জসিম, তোফাজ্জেল, আলী আকবর, কোরবান, সাদ্দাম হোসেন, নূহু মিয়া, ইয়ানুর রহমান ইয়ান, কামাল হোসেন, ফকির আহমেদ রেজা মিয়া, আইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ জিয়া, সেলিম, অশোক রায়, মোহাম্মদ আলী, বাদশা, আলিমুর, ঝিনাইদহের আমীর হোসেন, মোহাম্মদ রাজু, বোরহান, আনোয়ার হোসেন, মতিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীর, আব্দুল ওহাব চেয়ারম্যান, আজিজুল ইসলাম, আজিবর মাস্টার, কুষ্টিয়ার জাহাঙ্গীর কবির লিপটন, কাজল মজুমদার, পাভেল, হাসিম, ইকবাল, নয়ন, লোটন, সালাম দফাদার, আরিফ, শাহান, শিপুল, হ্যাবল, হবু, কাজল, বাচ্চু, রাশেদুজ্জামান, এনামুল হক শাহিন, রাজিব খন্দকার, ইউনুস, তারেক আজিজ, আজমল, মিল্লাত ম-ল, লাল্টু শেখ, রইনুদ্দিন, লেলিন, কামরুল আরেফিন, সদর উদ্দিন খান, আবদুল হক, আলী রেজা সিদ্দিকী ওরফে কালু, বিপুল চৌধুরী, লাবু, আবু তালেব, আলম আলী, চুয়াডাঙ্গার সোহরাব মেম্বার, নাহারুল ইসলাম, আবদুল আজিজ, মশিউর রহমান, নফর আলী, মোহাম্মদ এলপি, মো. ইরান, মোহাম্মদ খোকন, মুকুল, আক্তারুজ্জামান সোহাগ, হাবিবুর রহমান ওল্টু, জামশেদ ওরফে জামু, আরিফ, বুড়ো, মেহেরপুরের লিটন, মনিরুল, মজনু, হালিম, মুকুল মিলিটারি, আমিরুল, হাসান মেকার, আলী, লিটন মিলিটারি, আবদুর রশিদ, কামরুল, হবি, সবুজ, মহীদুল, রিটন, হাসান, শুক্কুর আলী, হেলাল, তুহিন, আলীম উদ্দীন, করিফুল ইসলাম ওরফে ন্যাড়া, জসিম উদ্দিন, ভারতের নদীয়ার শওকত আলী, খলিল ডাকাত, বিমল বাগদী ও মিনা বাগদী, সাতক্ষীরার ছামছুজ্জামান জামান, মিলন মেম্বার, মো. হাসান, সেলিম, নাসির, টুটুল, মোহাম্মদ শ্যামল, রবিউল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবদুল খালেক, ইয়ার আলী মেম্বার, ওয়াসলে মেম্বার, আক্তারুজ্জামান ওরফে রিটু, মধু, বিকাশ গায়েন, আবদুর রউফ, বসির আহমেদ, নাসিম ফারুক খান, আল ফেরদৌস ওরফে আলফা, বরিশালের সহিদুল ইসলাম, রাজা কসাই, জাহিদ ওরফে খাটো জাহিদ, কামরুল হাসান রতন, আলাউদ্দিন, সাগর উদ্দিন মন্টি, হানিফ সিকদার, আইয়ুব আলী ওরফে মেচাকার, মাসুম মাঝি, সোহেল সিকদার, মজুন খাঁ, রোবায়েত হোসেন সর্দার, আলম চৌকিদার, হারুন আকন, আজিজুল মোল্লা, ওমর বেপারি, দুলাল বেপারি, নয়ন মৃধা, মনির মোল্লা, মাসুম বেপারি, রিপন ওরফে বোমা রিপন, জিয়াউদ্দিন সিকদার, জাহিদুল ইসলাম, মীর জাহিদুল ইসলাম রনি, সিদ্দিক গাজী, খায়রুল, আবুল খায়ের মৃধা, সালাম কাজী, রুবেল কাজী, দিনাজপুরের গিয়াসউদ্দিন, মাহমুদুল ইসলাম, নূর ইসলাম, আবদুর রহমান, রায়হান হাকিম, টগর মল্লিক, সোহরাব হোসেন, আলমগীর মিয়া, মোকাররম হোসেন, বজলুর রহমান কালু, নূর ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আলম, সাজ্জাদ হোসেন, মিজানুর রহমান, সেরেকুল, আকরাম মাস্টার, তোজাম্মেল হক, আতিয়ার রহমান, নাজির হোসেন, মাহবুবুল ইসলাম, আলমগীর মিয়া, আবদুস সাত্তার, সিলেটের সামছুজ্জামান জামান, মাহফুজুল করীম জেহিন, শাকিল মোর্শেদ, নাহিদ, বিধান সাহা, দেলোয়ার হোসেন, পীযূষ কান্তি দে, সিদ্দিকুর রহমান শামীম, নজরুল ইসলাম ওরফে শাহজাহান, নুরুর, মারুফ হাসান সুনু, হোসাইন আহমদ, বিষু, শাহ আলম স্বপন, কবির হোসেন, আবদুল খালিক মিল্টন, টিটন মল্লিক, সুনামগঞ্জের নান্টু মিয়া, জলিল হোসেন, আমিন উদ্দিন, আব্দুছ ছোবহান ওরফে রাজ্জাক, শাহজাহান খন্দকার, আব্দুন নূর, নজরুল মিয়া, প্রতাপ খান, কায়েস মিয়া, হবিগঞ্জের জসিম উদ্দিন, ফুল মিয়া, এহতেশাম, শানু মিয়া ভূঁইয়া, বসির মিয়া, রাঙ্গামাটির রিং চাঙ্গা পাংকু, রামা পাংকু, থাংক চাংগা সাংকু, সবুজ চাকমা ওরফে অংশুমান চাকমা, লক্ষ্মীপ্রসাদ চাকমা ওরফে মেজর দেবাশীষ, নিখিল চাকমা, সুজন চাকমা ওরফে সুজন বাবু ওরফে সজিব বাবু ওরফে রাহুল বাবু, কালীশংকর চাকমা, রাহুল তঞ্চঙ্গ্যা, পুলক জ্যোতি চাকমা, আনন্দ প্রকাশ চাকমা, মনাধন চাকমা ওরফে হিতৈষী বাবু, খাগড়াছড়ির প্রসিত বিকাশ খীসা, রবিশংকর চাকমা, উজ্জ্বল স্মৃতি চাকমা, ঝোলুন বাবু, তাতিন্দ্র লাল চাকমা, উদয় কিরণ ত্রিপুরা ওরফে অজিত বাবু, রবি চাকমা ওরফে রুপেন্দু খীসা ওরফে রবি, বান্দরবানের ইয়ানা ভাসা মার্মা, এস মং, নেউ মার্মা ওরফে নিউ মার্মা, সাচিং মং মার্মা, তুইছা অং মারমা, লাচি অং মারমা, চিংপাই মারমা, আবু তৈয়ব, সৈয়দ আহমেদ, শামসুল আলম, ডাক্তার মংচনু, বিমল ত্রিপুরা, মেমং মারমা, নাপ্পায়, মং থোয়াই মারমা, কুলা মং মারমা, অসি চাকমা, বসি অং মারমা, বো চাকমা রেখ, মোহাম্মদ আলী, জাফর, আবু তাহের, হারুন-অর-রশিদ শাহাদত, জহির উদ্দিন, চট্টগ্রামের আবদুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, সাজ্জাদুর রহমান, শিপলু ও নরহিম উদ্দিন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft