সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
অর্থকড়ি
কোটি টাকার কয়েন চায় যশোর সোনালী ব্যাংক
দেওয়ান মোর্শেদ আলম :
Published : Sunday, 8 September, 2019 at 6:08 AM
কোটি টাকার কয়েন চায় যশোর সোনালী ব্যাংক ধাতব মুদ্রা, যা বাংলায় কয়েন তা লেনদেন করতে গিয়ে গেল বছর ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়লেও এখন চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। সোনালী ব্যাংকসহ বাংলাদেশের অনেক ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে ব্যাংকের সামনে ও বাজারে টেবিল পেতে কয়েন সাজিয়ে প্রতিবাদ জানালেও এক বছর পরে ওই সব কয়েনের হদিস মিলছে না। ব্যাংকগুলো চাইলেও এখন আর কয়েন পা”েচ্ছ না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের কাছ থেকে কয়েন না আসায় খোদ সোনালী ব্যাংক যশোর কর্পোরেট শাখা এক কোটি টাকার কয়েনের চাহিদা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংককে। এরপরও সরবরাহ আসেনি। একইভাবে যশোরাঞ্চলের আরও কয়েকটি ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের কাছে কয়েন চাহিদা দিলেও সরবরাহ মেলেনি। জনসাধারণের মাটির ব্যাংকে সঞ্চয় ও ব্যবসায়ীদের লেনদেনের কয়েন আর ব্যাংকে না গেলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে সেগুলো যাচ্ছে কোথায়! পাচার হচ্ছে এমন শঙ্কাও করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।  
ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, গত ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ কেউ বস্তা বস্তা, কেউ প্যাকেট প্যাকেট কয়েন নিয়ে ভিড় জমাচ্ছিলেন। ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, এক টাকা, দু’টাকা ও পাঁচ টাকার কয়েন গ্রহণ করতে করতে হিমসিম খাচ্ছিলেন তারা। ওই সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঙ্কট নিরসনে সব ব্যাংককে কয়েন লেনদেন নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিলেও গণনা করা, ভল্টে জায়গা না থাকা, কাপড় দিয়ে ব্যাগ মোড়ানো ও ব্যাগের ধরণসহ নানা জটিলতার অজুহাত দিয়ে বেশিরভাগ ব্যাংক কয়েন ফিরিয়ে দিয়েছিল।
যশোরের চিত্রও ছিল ওই সময় ভয়াবহ। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী মিলিয়ে সহ¯্রাধিক মানুষের জমে গিয়েছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যমানের কয়েন।
এক টাকা, দু’টাকা ও পাঁচ টাকার জমানো কয়েন নিয়ে দিনের পর দিন দ্বারে দ্বারে ঘুরতে দেখা গেলেও গত বছরের শেষ দিক থেকে চলতি বছরে কেউ আসেননি ব্যাংকে জমা দিতে। উল্টো বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা আসছেন কয়েনের খোঁজে। যশোরের কয়েকটি ব্যাংক, মাগুরা, নড়াইল, যশোর, ঝিনাইদহের একই চিত্র। বিভিন্ন বাজারেও লেনদেনে কয়েন সংকট দেখা দিয়েছে।  
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক যশোর কর্পোরেট শাখার সহকারী মহা ব্যবস্থাপক দিব্যেন্দু দাস গ্রামের কাগজকে জানিয়েছেন, যশোরাঞ্চলে কয়েন সংকট রয়েছে। এক বছরেই চিত্র পাল্টে গেছে। এখন ব্যাংকে কেউ কয়েন দিতে আসছেন না, আসছেন নিতে।
কর্পোরেট শাখার জন্য দু’দফায় ৫০ লাখ টাকা করে এক কোটি টাকার কয়েন চাহিদা পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকে। কিন্তু ওই কয়েন এখনও সরবরাহ করতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়াও যশোরের অগ্রণী, জনতা ও ডিবিএল ব্যাংকও কয়েনের জন্য চাহিদা দিয়েছে। তাদের কয়েনও সরবরাহ করা হচ্ছে না। এছাড়া ব্যাংকগুলোকে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকার কয়েন মজুদ রাখার নির্দেশনায় সংকট বেড়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft