বুধবার, ০৩ জুন, ২০২০
জীবনধারা
আকর্ষণীয় ফিগার পাওয়ার ১০ উপায়
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 25 November, 2019 at 6:43 AM
আকর্ষণীয় ফিগার পাওয়ার ১০ উপায়মেদহীন আকর্ষণীয় ফিগার কে না চায়? সে জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই দরকার শরীর চর্চা। আর সেটা ঘরের কাজের মাধ্যমেই কিন্তু করা সম্ভব।
আগেকার দিনে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলতে বোঝাতো নাদুস-নুদুস চেহারার মানুষ। যুগের সাথে মানুষের চাওয়া-পাওয়া বদলে গেছে। আজকাল সুস্বাস্থ্য মানে সুস্থ, ফিট আর টান টান শরীরের কোনো মানুষ, যাকে যে কোনো পোশাকে মানায় এবং সবার মাঝে আকর্ষণীয় করে তোলে।
শরীর চর্চা বা ব্যায়াম বললেই, অনেকে বোঝেন ফিটনেস সেন্টারে গিয়ে বিভিন্ন যন্ত্র বা প্রশিক্ষকের সাহায্যে দৈহিক সৌন্দর্য বাড়ানোর কিছু নিয়মকানুন। কিন্তু ফিটনেস সেন্টারে যাতায়াত এবং ব্যায়াম করার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন। তাই সুন্দর ফিগার চাইলেও চাকরি, সংসার, ঘরের নানা কাজ ফেলে নিয়ম করে ফিটনেস সেন্টারের জন্য সময় খরচ করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।
এবার জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ফিটনেস সেন্টারে না গিয়েও সহজেই পেতে পারেন আকর্ষণীয় ফিগার-
১. ঘরের কাজ করুন
নিয়মিত যে কোনোভাবে শরীরচর্চা করলে অবশ্যই তার ফল পাওয়া যায়। আর তাই সুন্দর ফিগারের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয় না। স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে একটু সচেতনতা আর পাশাপশি কিছুটা হাঁটাহাটি বা বাড়ির কাজই করে দেবে যে কেউকে সুন্দর ফিগারের অধিকারী।
২. দাঁড়িয়ে ঘরের কাজ
আগেকার দিনে মেয়েরা রান্না ঘরের সব কাজ বসে বসেই করতো। বসে কাজ করলে কেবল একটি কাজই করা যায়। কিন্তু দাঁড়িয়ে কাজ করলে একই সাথে রান্না, বাসন ধোয়া, কাটাকুটি এবং রান্নাঘরের অন্যান্য কাজও করা সম্ভব। এতে খানিকটা হাঁটাহাটির ফলে পায়েরও কিছুটা ব্যায়াম হয় এবং হাড় শক্ত থাকে। সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেদও জমতে পারে না সহজে।
৩. কাজের পর বিশ্রামও চাই
উপুড় হয়ে বাথটবটি নিজে হাতে ভালো করে পরিষ্কার করতে যে বেশ কিছুটা ক্যালোরি খরচ হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। স্বাভাবিকভাবেই তারপর যে কেউ কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়বেন, তাই না? ঝকঝকে সুন্দর বাথটবে পানি ভর্তি করে এতে ঢেলে দিন সুগন্ধী তরল সাবান। এবার নেমে পড়ুন পানিতে। আধঘণ্টা পর পানি থেকে উঠে শরীরটাকে মনে হবে একেবারে হালকা আর মনটা দারুণ ফুরফুরে!
৪. ঘরের মেঝে মোছা
অথচ ঘরের কাজগুলো যদি নিজেই নিয়ম করে ঠিকমতো করে ফেলা যায়, তাহলে কিন্তু দুটোই সম্ভব। অর্থাৎ বাড়ি-ঘর পরিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে তা একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকরও হলো, আবার শরীরও সুন্দর হলো। বিশেষ করে মেঝে বা সিঁড়ি মুছতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেটে প্রচণ্ড চাপ পড়ে, ফলে পেটের মেদ সহজেই কমে যায়। নিয়ম করে মেঝে মুছলে পেট মসৃণ হয় আর কোমরের আকারও হয় সুন্দর।
৫. জানালা পরিষ্কার
জানালার গ্লাস পরিষ্কার করতে গেলে হাত বার বার ওপরে-নীচে নামাতে তো হয়ই, এতে শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও নাড়াচাড়া হয়। কাজেই জানালা পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি হাতের মাংসপেশী শক্ত হয় ও শরীরের বাড়তি মেদ কমে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকের হাতের মাংসপেশী খানিকটা ঝুলে পড়ে, যা হাতের এই ব্যায়ামের মাধ্যমে কমানো সম্ভব।
৬. যন্ত্রপাতি পরিষ্কার রাখা
শরীরের সৌন্দর্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা বা বাধা মোটা পেট বা ভুড়ি, যা খুবই দ্রুতগতিতে বাড়ে। মেঝেতে বসে কাপড় কাঁচলে বা আধা বসা অবস্থায় কাপড় ধোয়ার মেসিন ব্যবহার করলে বা সেটা পরিষ্কার করলে পেটে চাপ পড়ে। নিয়মিত এ ধরনের কাজ করলে পেটে চর্বি জমে কম। এতে নিজেকে মেদহীন দেখতে যেমন সুন্দর লাগে, অন্যদিকে যন্ত্রপাতি পরিষ্কার রাখার ফলে সেগুলোর আয়ুও বাড়ে।
৭. গাড়ি নিজেই পরিষ্কার করুন
আজকের ব্যস্ত জীবনে গাড়ির প্রয়োজন যেমন অনেক, তেমনি অনেকের আবার গাড়ির সখও কম নয়! তাই সখের মূল্যবান জিনিসটিকে ‘কারওয়াশ’-এ না দিয়ে বা ড্রাইভারকে ধুতে না বলে নিজেই ধুয়ে ফেলুন! এতে গাড়িটাও ঝকঝকে সুন্দর হবে, আবার নিজের শরীরটাও ফিট থাকবে। তখন দেখবেন যে কোনো আধুনিক পোশাকে নিজেকে কেমন স্মার্ট আর আকর্ষণীয় লাগছে!
৮. বাগান করা
বাগান করা একটি সখের ব্যাপার। এ কাজটি ভালোভাবে করতে, অর্থাৎ শাক-সবজি, ফল আর সুন্দর ফুল ফোটাতে শরীরের বেশ পরিশ্রম হয়। বাগানপ্রেমীদের মেদহীন সুন্দর শরীর দেখেও অবশ্য তা বোঝা যায়। তাছাড়া বাগানপ্রেমীদের প্রকৃতির সাথেও থাকে নিবিড় সম্পর্ক। ফলে শরীর এবং মন দুটোই ভালো রাখতে সাহায্য করে বাগান।
৯. পরিবেশবান্ধব বাগান
জার্মানিতে বহুদিন থেকেই বাগান কেনা বা ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যারা ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকেন, তাদের অনেকেই ফ্ল্যাটের কাছাকাছি কোথাও এ রকম বাগান করে থাকেন। ইদানিং কোনো কোনো অঞ্চলে পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিনে পয়সায়ও কিছু জমির খানিকটা অংশ কিছুদিনের জন্য দেওয়া হয়। এতে অবশ্য শর্ত থাকে যে, সেখানে শুধুমাত্র নিজেদের খাওয়ার জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে শাক-সবজি বা ফলের চাষ করা যেতে পারে।
১০. ছোট থেকেই অভ্যাস গড়ে তোলা
এশিয়ার দেশগুলোতে গৃহিনীরা ‘কাজের লোক’ বা গৃহকর্মী দিয়ে ঘরের কাজ করাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। যদিও এ কাজটি করানোও সবসময় একেবারে সহজ নয়। তবে যারা কাজের লোক না রেখে ছোটবেলা থেকে ঘরের কাজ বা নিজের কাজ নিজে করায় অভ্যস্ত হন, তাদের শরীরের গঠন ছোট থেকেই হয়ে ওঠে সুন্দর।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft