শুক্রবার, ০৭ আগস্ট, ২০২০
জাতীয়
দিয়া-করিমের মৃত্যু:
চালকসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন, খালাস ২
ঢাকা অফিস :
Published : Sunday, 1 December, 2019 at 4:39 PM
চালকসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন, খালাস ২বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুইজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের সাজা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১ ডিসেম্বর) বিকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জাবালে নূর পরিবহনের দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং চালকের সহকারী কাজী আসাদ। আর খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- বাসমালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও চালকের সহকারী মো. এনায়েত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আসাদ কাজী পলাতক রয়েছেন। বাস মালিক শাহাদাত হোসেনের মামলায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ রয়েছে।   
মর্মান্তিক এ সড়ক দুর্ঘটনার ১ বছর ৪ মাস পর রায় ঘোষিত হলো। রায় ঘোষণার আগে ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩০৪, ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫ ও ৩৪ ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর কাজী শরিফুল ইসলাম। চার্জশিটে ৪১ জনকে সাক্ষী করা হয়।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, আসামি মাসুম বিল্লাহ ও জোবায়ের সুমনের হালকা যান কার, জীপ ও মাইক্রোবাস চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স সঠিক থাকলেও ৪১ সিটের বাস চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। এছাড়া জব্দ করা ৩টি বাসের কোনটিতেও কোনো প্রকার যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।
চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়, বাসের ড্রাইভার ও হেলপার নিয়োগের এখতিয়ার বাস মালিকের। অত্র মামলার আসামি ড্রাইভার ও হেলপারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বুদ্ধিমত্তা যাচাই ছাড়াই মালিক শাহদাত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম তাদের নিয়োগ প্রদান করেন।
২০১৮ সালের ২৯ জুলাই সকালে জাবালে নুরের দুটি বাস আব্দুল্লাহপুরের উদ্দেশ্যে যাবার সময় পাল্লা দিয়ে বেশি যাত্রী ও ভাড়া পাওয়ার আশায় দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চালাতে শুরু করে।
ড্রাইভার জোবায়েরের বাসটি ড্রাইভার মাসুম বিল্লাহ বাসটিকে পেছনে ফেলে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ঢালের সামনে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ডান দিকে রাস্তা ব্লক করে যাত্রী ওঠাতে থাকেন। মাসুম বিল্লাহ’র বাসটি ডান দিক দিয়ে যেতে না পেরে বাম দিক দিয়ে যাবার সময় স্বেচ্ছায় বাসের জন্য অপেক্ষমাণ শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪/১৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর উপর তুলে দেয়। যার কারণে ১৩/১৪ জন ছাত্র-ছাত্রী গুরুত্বর আহত হয়। যাদের মধ্যে উক্ত কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজীব মারা যায়। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়।
এ ঘটনায় নিহত একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম গত ২৯ জুলাই ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
আসামিদের মধ্যে শাহদাত হোসেন, মাসুম বিল্লাহ ও জোবায়ের সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft