শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
হাশিমপুরে আনসার খুনে আটক নেই
চাঁদাবাজ দাগি ও অস্ত্রধারী অপরাধীদের খোঁজে পুলিশ
অভিজিৎ ব্যানার্জী :
Published : Tuesday, 3 December, 2019 at 6:16 AM
চাঁদাবাজ দাগি ও অস্ত্রধারী অপরাধীদের খোঁজে পুলিশযশোরের হাশিমপুরে বিশেষ আনসার ব্যাটালিয়ন হোসেন আলী খুনের ঘটনায় এলাকার চাঁদাবাজ দাগি অস্ত্রধারী অপরাধীদের খুঁজছে পুলিশ। থানা পুলিশের পাশাপাশি অন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার আরো কয়েকটি ইউনিট মাঠে নামলেও কেউ আটক হয়নি। কায়েতখালীর বাওড় ও হাশিমপুর হাট সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের সামনে রেখে তদন্ত এগুচ্ছে। আরও কয়েকটি অ্যাঙ্গেল নিয়েও আটক অভিযান চলছে বলে পুলিশে দাবি।
৩০ নভেম্বর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টা টার দিকে হাশিমপুর বাজারের মোশাররফের চায়ের দোকানের সামনে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায় হোসেন আলীর ওপর। তাকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে ও কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। বাজারের অনেক দোকানির সামনে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলেও নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশের কাছে কেউ মুখ খুলছেনা। যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বিপিএম পিপিএম নির্দেশনায় আটক অভিযান চললেও কেউ আটক হয়নি। এলাকার দাগী সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ঘটনার পর পরই এলাকা ছাড়া এমন তথ্য পাচ্ছে পুলিশ। বিশেষ করে কায়েতখালী বাওড় ও হাশিমপুর হাট নিয়ে এলাকার চিহ্নিত হাফডজনের যে চক্রটি এলাকায় মহড়া দিয়ে আসছিল তাদের দেখা মিলছেনা ঘটনার পর থেকে। এলাকা থেকে ডজন দুয়েকের যে দাগী সন্ত্রাসী গা ঢাকা দিয়েছে তাদের টার্গেট করছে পুলিশ।
থানার একটি সূত্রের দাবি হত্যাকান্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত যে ৯/১০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে মূলত তারা জ্ঞাত। পুলিশ জিজ্ঞাসাদের প্রত্যক্ষশদর্শী হতে পারে এমন দোকানি মোশাররফ ও  জহুরুলকে থানায় আনলেও তারা কোনো তথ্য দেয়নি। কাউকে চিনতে পারেনি এমন তথ্য দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে হত্যা কারা করেছে এটা দিনের আলোর মত পরিষ্কার। পুলিশ আন্তরিক হলেও দ্রুতই আসামি আটক সম্ভব। ওই এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কারা তা পুলিশের অজানা নয়। কায়েতখালী বাওড় ও হাশিমপুর বাজারে আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে সোহেল ইস্যুতে এই হত্যাকান্ড এব্যাপারে তদন্ত জরুরি।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালির এসআই শাহাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটল। বাজারে আতঙ্ক ছড়ালো অথচ কেউ খুনি কিংবা খুনিদের চিনতে পারেনি বলছে। কেউ কারও নাম বলছে না। এছাড়া নিহতের পরিবারও  আসামি অজ্ঞাত করে একটি এজাহার দাখিল করেছে। যে কারণে তদন্তে নানা কৌশল নিয়ে এগুতে হচ্ছে। নিহতের শত্রু পক্ষগুলো ও কারণ শনাক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া হোসেন খুন হলে আসলে কারা লাভবান হবে এনিয়েও তদন্ত হচ্ছে। অতিরিক্ত সোর্স লাগানো হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে এলাকার দাগীরা এখন আত্মগোপনে। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft