বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট, ২০২০
তথ্য ও প্রযুক্তি
অবশেষে বিক্রমের সন্ধান দিল নাসা
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 4 December, 2019 at 6:52 AM
অবশেষে বিক্রমের সন্ধান দিল নাসাভারতের সদ্য সমাপ্ত চন্দ্রাভিযান শতভাগ সফল না হলেও দেশটির সকল প্রচেষ্টাই এবার নজরে এসেছে আন্তর্জাতিক মহলের। যদিও এরই মধ্যে ‘চন্দ্রযান-২’- এর ল্যান্ডার বিক্রমের অবস্থান শনাক্ত করা গেছে বলে দাবি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার।
সংস্থাটি এক টুইট বার্তায় জানায়, ‘চন্দ্রযান-২’- এর ল্যান্ডার বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেছে। যার প্রমাণ স্বরূপ নাসার ধারণকৃত একটি ছবিও ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যম ‘সিএনএন’ জানায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর চন্দ্রপৃষ্ঠে বিক্রমের ভেঙে পড়ার স্থানটির ছবি প্রকাশ করেছে নাসা। ছবিটি ধারণ করা হয়েছিল মূলত এলআরও ক্যামেরার সাহায্যে। পরবর্তীকালে সেই ছবি পর্যালোচনার মাধ্যমে কোনো একটি বস্তুকে বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
নাসা কর্তৃক সর্বশেষ প্রকাশিত ছবিতে স্থানটিকে ‘এস’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে নীল এবং সবুজ রঙের মাধ্যমে বিক্রমের ধ্বংসাবশেষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে নীল রঙ দিয়ে বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ এবং সবুজ রঙের মাধ্যমে বিক্রমের ভেঙে পড়া অংশের ধাক্কায় সরে যাওয়া চাঁদের মাটিকে বোঝানো হয়েছে।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর চাঁদের মাটিতে সফলভাবে অবতরণের (সফট ল্যান্ডিং) সময়ে ‘চন্দ্রযান-২’- এর অরবিটারের সঙ্গে ল্যান্ডার বিক্রমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই বিক্রমের মধ্যেই ছিল রোভার ‘প্রজ্ঞান’। মূলত তখনই ধারণা করা হয়, চাঁদের মাটিতে কোথাও মুখ থুবড়ে পড়েছে বিক্রম।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম কোনো দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের মাধ্যমে অনন্য এক স্বীকৃতি পাওয়ার কথা ছিল ভারতের। যদিও শেষমেশ মিশনকে আর সফলের বার্তা দিতে পারেনি ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিজ্ঞানীরা।
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মতে, ইসরো চাঁদে নতুন অভিযানের জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। যেখানে অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছিল ‘চন্দ্রযান-২’ নামে নতুন স্যাটেলাইট। এবার যানটি চাঁদে অবতরণ করতে পারলে এটি হতো বিশ্বের চতুর্থ কোনো দেশের সফলভাবে চন্দ্র অভিযান। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) সফলভাবে নিজেদের অভিযানটি সম্পন্ন করেছিল।
ইসরো জানায়, চাঁদ থেকে পানি, খনিজ ও পাথর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ১৫ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল এই ‘বিক্রম’ নামে যানটিকে। চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই এর ল্যান্ডর থেকে বেরিয়ে আসার কথা ছিল ভীষণ ছোট একটি রোভার ‘প্রজ্ঞান’। যার ওজন মাত্র ২০ কেজি। আর ‘চন্দ্রযান-২’ এর সার্বিক ওজন ৩ হাজার ৮৫০ কিলোগ্রাম। ল্যান্ডরটি নেমে আসার সময় ‘চন্দ্রযান-২’ এর অরবিটারটি চাঁদের পিঠ (লুনার সারফেস) থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার উপরে ছিল।
এর আগেও ভারত ২০০৮ সালে প্রথম চন্দ্রাভিযান করেছিল। মূলত তখন চাঁদের কক্ষপথে গিয়েছিল ‘চন্দ্রযান-১’। চাঁদে পানির অন্যতম উপাদান হাইড্রক্সিল আয়নের খোঁজ দিয়েছিল যানটি।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft