মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২০
জাতীয়
অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রকৃতির প্রতি উদাসীন : তথ্যমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক :
Published : Saturday, 11 January, 2020 at 7:17 PM
অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রকৃতির প্রতি উদাসীন : তথ্যমন্ত্রীবাংলাদেশের অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রকৃতির প্রতি খেয়াল করে না। আমি অবাক হয়ে যাই, দেড় থেকে দুই বছর আগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো একটি প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন্স এর পাশে রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে ৩০০ ফুট পাহাড় কেটে ফেলছে। বিষয়টি আমাকে খুব পীড়া দিয়েছে। সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃতির প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হতে হবে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউট অ্যালামনাইয় অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ ছোট দেশ। প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১ হাজার ১০০ লোক বসবাস করে। তবুও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটা বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কাছে একটি বিস্ময় ও কেস স্টাডি। এর কারণ দেশ ছোট হলেও ঊর্বর।
তিনি আরও বলেন, ১১ বছর আগে দেশে বনাঞ্চলের পরিমাণ ছিল ১৯ শতাংশের নিচে। আর এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ শতাংশের বেশিতে। শহরে মানুষ বেড়েছে, দালান বেড়েছে। এরপরও বৃক্ষ বেড়েছে। এর কারণ মানুষ সচেতন হচ্ছে। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিটি নবীণ শিক্ষার্থীর নামে একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ইনিস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহাম্মদ বেলাল। এতে সভাপতিত্ব করেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান, শুভচ্ছা বক্তব্য প্রফেসর গিয়াস উদ্দীন আহমেদ, মোহাম্মদ মহিউদ্দীনসহ অনেকে।
চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে অন্যরকম। এটা সবুজ, শ্যামল, ছোট ছোট পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত। এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, স্বকীয়তা বজায় রেখে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। আমরা আমাদের সিনিয়র শিক্ষক ও যারা এসব বিষয় বুঝেন, তাদের নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছি, তা শিগগিরই সাবমিট করা হবে।
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে সুবজ সমারোহকে অক্ষুণ্ন রেখে। আমরা চট্টগ্রামের বড় বড় স্থপতিদের সাথে বসেছি। প্রয়োজনে জিওসিরও সহায়তা নিব।
সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি রক্ষা মিশনে ১ নম্বর দেশ। বিভিন্ন দুর্যোগে সবার আগে ছুটে আসে সেনাবাহিনী। শিক্ষা ক্ষেত্রেও এই বাহিনী অনন্য অবদান রেখে চলেছে। সেনাবাহিনী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও সম্পৃক্ত।
এ সময় তিনি ইনিস্টিটিউটের উদ্যোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহীত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নিজেদের সম্পৃক্ত করার ঘোষণা দেন। একই সাথে নিজেদের নার্সারি থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ২ হাজার গাছ দেওয়ার ঘোষণা দেন।
এ দিকে সকাল থেকেই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য দূরদূরান্ত থেকে আগত ইন্সিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় চবি ক্যাম্পাস।
এ দিকে পুনর্মিলনীতে প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণের জন্য ফিরে যান তাদের ক্যাম্পাসের সোনালী জীবনে। কেউ কেউ গোল করে বসে আড্ডায় মেতে উঠেন কেউবা খুনসুটিতে জড়িয়ে পড়েন। আবার কেউবা স্মৃতিচারণ করেন পুরানো ফেলা আসা দিনগুলোর।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft