বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
আন্তর্জাতিক সংবাদ
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেরালা সরকার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Tuesday, 14 January, 2020 at 7:35 PM
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেরালা সরকারভারতে বিজেপি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে সরব হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বিভিন্ন অ-বিজেপি ক্ষমতাসীন রাজ্যগুলি। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করে ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছে কেরালা।
পিনারাই বিজয়ন শাসিত কেরালা সরকার জানিয়েছে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন রাইট টু ইকুইয়্যালিটির বিরুদ্ধে অর্থাৎ সমান অধিকারের বিরুদ্ধে যার উল্লেখ ভারতীয় সংবিধানে স্পষ্ট রয়েছে।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে (সিএএ) অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হোক- এমন আবেদন জানিয়েই মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছে কেরালা সরকার। গত বছরের ডিসেম্বরে বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাশ করিয়ে নিয়েছিল পিনারাই বিজয়নের সরকার।
বিজয়ন বলেন, ‘স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই আমাদের রাজ্যে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না। ধর্মনিরপেক্ষতার একটা নিদর্শন এই রাজ্য। শুরু থেকেই এ রাজ্যে গ্রিক, রোমান, আরবীয়, খ্রিস্টান, মুসলিম সব সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে বাস করছেন। এটা আমাদের ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যকে কখনোই নষ্ট হতে দেব না।’
সিএএ প্রয়োগ করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন বিজয়ন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংসদের দুই কক্ষে সিএএ পাশ হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটা আশঙ্কার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। কেরালাতেও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে।’
সিএএ নিয়ে ভারতজুড়ে প্রতিবাদ,আন্দোলন চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এই আইন বাতিলের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছেন। সিএএ কে অসাংবিধানিক এবং ধর্মীয় বিভাজনের আইন হিসাবে চিহ্নিত করেছে বিরোধী দলগুলো। সংসদে সিএএ পাশ হওয়ার পরেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এই আইন অসাংবিধানিক। কোনোভাবেই এই আইনের প্রয়োগ হতে দেব না কেরালায়। অভিযোগ তোলেন, আরএসএস এর নীতি মেনে এই আইন পাশ করিয়ে ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টা করছে বিজেপি।
এরপরই বিধানসভায় সিএএ বাতিলের প্রস্তাবও পাশ করিয়ে নেন বিজয়ন। কেরালায় রাজ্যপাল সরকারের এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন, রাজ্য সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপের কোনো আইনি বৈধতা নেই। কারণ এই আইন সম্পূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft