শনিবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২০
আন্তর্জাতিক সংবাদ
অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলের মধ্যে স্বস্তির বৃষ্টি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Thursday, 16 January, 2020 at 8:39 PM
অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলের মধ্যে স্বস্তির বৃষ্টিদাবানালে বিধ্বস্ত পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৃষ্টির পর আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও ভেজা আবাওয়ার কথা বলা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কয়েকমাস ধরে চলমান অগ্নিস্ফূলিঙ্গ থেকে এই বৃষ্টি মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।
সময় এবং তীব্রতার দিক থেকে নজিরবিহীন আগুনে ২৮ জন প্রাণ হারায়। এছাড়াও ৫০ কোটির মতো প্রাণি মারা যাওয়ার ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ওই অঞ্চলে পানি সংকটের কারণে বেশি পানি খায় এমন অভিযোগে দেশটির সরকার ১০ হাজার উট মারার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতিমধ্যে ৫ হাজার উটকে হত্যা করা হয়েছে।
দীর্ঘস্থায়ী গরমে বিরল ও সামন্য বৃষ্টি দাবানল আক্রান্ত অঞ্চলের সঙ্কটকে আরও জটিল করে দিয়েছে বলে মনে করছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির কথা বলার পর থেকে কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশায় ছিল যে, এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং নেভাতে সাহায্য করবে। এই বৃষ্টি এক সপ্তাহ ধরে হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে, যদি তা হয়, তবে সেপ্টেম্বর থেকে জ্বলা আগুন থেকে মানুষ এই সময়টাতে সবচেয়ে বেশি সময় নিরাপদ থাকবে।
দেশটির নিউ সাউথ ওয়েল রাজ্য, যেখানে বেশিরভাগ আগুন জ্বলছে, বৃহস্পতিবার সেখানে কিছু অগ্নিকাণ্ড কমতির দিকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বৃষ্টি হওয়ার আগেও এখানে ৩০টি অগ্নি স্ফূলিঙ্গ ছিল, যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
অগ্নিকাণ্ডের ধোঁয়ায় মেলবোর্নের পুরো আকাশ ঢেকে ছিল, তাই এ বৃষ্টি সেখানকার আকাশ পরিষ্কার করতে সাহায্য করেছে। এছাড়া রাজ্যের বেশিরভাগ জায়গায় বায়ুর মান উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভিক্টোরিয়ার পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা।
চার মাস ধরে চলমান এই দাবানলে ২ হাজারেরে বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে, ২৫ মিলিয়ন একর জমি পুড়ে গেছে, যা দক্ষিণ কোরিয়া বা পর্তুগালের চেয়ে বড়।
দেশটি প্রতিবছরই দাবানলে আক্রান্ত হলেও অন্য বছরের তুলনায় এবার আগে শুরু হয়েছে এবং দীর্ঘসময় ধরে চলমান। দীর্ঘ খরায় বন ও কৃষি জমি শুষ্ক ছিল। ফলে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে দক্ষিণে দাবনলের সূত্রপাতে এগুলো সহায়ক হয়েছিল।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে বিশ্ব এরকম আরও চরম বিপর্যয় বা দুর্যোগ দেখতে পাবে। এছাড়া জাতিসংঘ ‍বুধবার জানিয়েছে, গত দশকটি ছিল বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে উষ্ণ, যা অতীতের রেকর্ড ভেঙেছে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft