মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০
জাতীয়
‘পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল করতে কৃষিমন্ত্রীকে আধা সরকারি পত্র দিয়েছি’
কাগজ ডেস্ক :
Published : Tuesday, 21 January, 2020 at 8:42 PM
‘পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল করতে কৃষিমন্ত্রীকে আধা সরকারি পত্র দিয়েছি’ সংকট মোকাবিলায় চলতি অর্থবছরে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) বিদেশ থেকে সোয়া তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এই পেঁয়াজ ও বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় পণ্যটির মূল্য কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
তিনি বলেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে পেঁয়াজের আমদানি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি, এর গুদামজাতকরণ এবং উৎপাদিত পেঁয়াজের বাজার মূল্য স্থিতিশীল করার জন্য কৃষিমন্ত্রীকে বাণিজ্যমন্ত্রী একটি আধা সরকারি পত্র দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে দুটি পৃথক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ একটি নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পেঁয়াজের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। তবে এর মধ্যে শতকরা ৩৩ ভাগ সংগ্রহকালীন এবং সংরক্ষণকালীন ক্ষতি বাদ দিলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন।
তিনি জানান, উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ থেকে বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা এবং অতিবৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভারত সরকার গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পেঁয়াজের টন প্রতি ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের স্থানীয় বাজারে অস্বাভাবিক হারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশটির সরকার পেঁয়াজের রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারে ক্রম ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ হতে বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক, চীন, ইউক্রেন এবং নেদারল্যান্ডস থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে দেশীয় চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে।
সরকারি দলের এম আবদুল লতিফের অপর প্রশ্নের লিখিত জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের রফতানি ছিল মাত্র ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য উপরে। বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয় বিবেচনায় যদিও ৮৪ ভাগ তৈরি পোশাক হতে অর্জিত হয়েছে, তবুও রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ফলে গত অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি দেশে ৭৪৪ পণ্য রপ্তানি হয়েছে।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft