শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
যশোরে করোনা সন্দেহে পাঁচজন আইসোলেশনে
কাগজ সংবাদ :
Published : Thursday, 26 March, 2020 at 6:12 AM
যশোরে করোনা সন্দেহে পাঁচজন আইসোলেশনেযশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সন্দেহে আরও তিনজনকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে যশোরে আইসোলেশন থাকা রোগীর সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়াল। এদের মধ্যে চারজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছে। বুধবার হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তিকৃতদের মধ্যে মণিরামপুর উপজেলার দু’জন নারী ও নড়াইলের একজন পুরুষ রয়েছেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার দিলীপ কুমার রায় জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ সন্দেহে ২৩ মার্চ আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা দু’ তরুণী সুস্থ হয়ে ২৪ মার্চ বাড়ি ফিরেছেন। ২৫ মার্চ মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দু’জন নারী ও নড়াইল সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একজন পুরুষকে আইসোলেশনে রেখে সর্বোন্নত চিকিৎসার জন্যে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ভর্তিকৃতরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্যে আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।  
দিলীপ কুমার রায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের সকল ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবীদের সুরক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পিপিই (পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) সরবারহ করা হয়েছে। সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ পিপিই মজুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবীদের সুরক্ষার জন্যে বিএমএ যশোর ও স্বাচিপের পক্ষ থেকে ছয়শ’ পিছ মাস্ক, ছয়শ’ পিছ গাউন ও একশ’ ২০ পিছ চশমা সরবরাহ করা হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে সেগুলো হস্তান্তর করেন বিএমএ যশোরের সভাপতি ডাক্তার একেএম কামরুল ইসলাম বেনু, সাধারণ সাধালন সম্পাদক এমএ বাশার।
স্বাচিপের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোল্লা পিপিই কেনার জন্যে ব্যক্তিগতভাবে ৫৩ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে রোগী ও স্বাস্থ্যসেবীদের করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে মাস্কসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করছে বলে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  
এদিকে, প্রয়োজন ছাড়া জনসাধারণ যাতে বাড়ির বাইরে না যায় এবং একসাথে বসে যাতে আড্ডাবাজি করতে না পারে সেবিষয়ে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।  
যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, ১০ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ১৬ দিনে ১৬শ’ ৬৭ জনকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে ভাইরাস সংক্রমণ সতর্কতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় তিনশ’ ১৩ জনকে হোমকোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছেন একশ’ ৬৬ জন। এছাড়া, অভয়নগরে ১০, বাঘারপাড়ার চার, ঝিকরগাছায় ৩৮, কেশবপুরে ২৯, মণিরামপুরে ৫১ ও শার্শা উপজেলায় ১৫ জন রয়েছে। হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কঠোর নজরদারিতে রয়েছেন তারা। হোমকোয়ারেন্টাইনে একটানা ১৪ দিন থাকার পর ৯৭ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা করোনাভাইরাসের সংক্রমণমুক্ত। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft