মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সম্পাদকীয়
করোনাভাইরাস: আক্রান্ত বেড়ে ২১৪৪
Published : Saturday, 18 April, 2020 at 6:19 PM
শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২১১৪টি নমুনা পরীক্ষা করে আরও ৩০৬ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ২১৪৪ জন হয়েছে। একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৪ জন। গত এক দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ৮ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যার তুলনায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যার হার অনেক কম বলে আমরা মনে করি। অন্তত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের তুলনায় আমাদের সুস্থতার হার অনেক কম।
সরকারের রোগতত্ত¡, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এটা আমাদের জন্য দুঃখের যে প্রতিদিনই আমরা কাউকে না কাউকে হারাচ্ছি। আমরা তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৬৪ জন হাসপাতালে থেকে এবং বাকিরা বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান আইইডিসিআর পরিচালক। তিনি বলেন, যারা হাসপাতালে আছেন তাদের মধ্যে ১১ জন আছেন আইসিইউতে। বাকি সবার অবস্থা মোটামুটি স্থিতিশীল। আর যারা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তারা আইইডিসিআরের হটলাইনে যোগাযোগ করছেন। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং আইইডিসিআরের কর্মকর্তারা তাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানান ফ্লোরা। আক্রান্তদের তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছেন ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা, যা মোট আক্রান্তের ২৭ শতাংশ। এছাড়া ২২ শতাংশের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৯ শতাংশের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। আর যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে চারজনের বয়স ৬০ বছেরের বেশি। একজনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, দুইজন ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, একজন ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ৬ জন ঢাকার, দুজন নারায়ণগঞ্জের এবং একজন সাভারের। আইইডিসিআরের পরিচালক বলেন, নতুন সংক্রমিতদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ, ৩৮ শতাংশ নারী। জেলাভিত্তিক হিসাবে এখনও ঢাকা শহরে রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
আমরা মনে করি, আমরা ব্যক্তিগত পর্যায়ে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাস্থ্য সেবা নিতে যাচ্ছি। তার আগে আমরা করোনাকে লুকিয়ে রাখতে রোগ গোপন করছি। যে কারণে আমাদের সুস্থ হওয়ার হারের থেকে মৃত্যুর হার অনেক বেশী। আমাদের কারো করোনা আক্রান্তের শংকা জাগলেই হটলাইনে অথবা অন্য কোনোভাবে স্বাস্থ্য সেবা নেওয়ার জন্যে যোগাযোগ করা উচিৎ বলে আমরা মনে করি। তাহলে হয়তো অনাকাঙ্খিত অনেক মৃত্যু আমরা এড়াতে সক্ষম হবো।   



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft