বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
বকশিশের নামে চাঁদাবাজি চলবে না
জালনোট ও ভেজাল কারবারী ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি
দেওয়ান মোর্শেদ আলম :
Published : Wednesday, 20 May, 2020 at 1:19 AM
জালনোট ও ভেজাল কারবারী ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিযশোরে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে। ভেজাল ও জালনোট কারবারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে যশোর শহর ও শহরতলীতে চলছে সিভিল ফোর্সের বিশেষ টহল। বকশিশের নামে চাঁদাবাজি বন্ধসহ যে কোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে এই গোয়েন্দা নরজদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অপরাধীদের প্রতি জিরো টলারেন্স ভূমিকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সিনিয়র অফিসারদের।
মুসলমানদের অন্যতম বড় উৎসব ঈদ উল ফিতর আসন্ন। তবে এবার করোনা মহামারির জন্য ঈদে নানামুখি আনন্দ ও সৌহার্দ্য সম্প্রিতীতে সামাজিক দুরত্ব বাজায় রাখার পরামর্শ ও নির্দেশনা  দেয়া হয়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তেও ঈদ অজুহাতে মৌসুমী ও কোশলী নানা ভার্সনের চাঁদাবাজ ছিনতাইকারী ও টানাবাজের আবির্ভাবের খবর আসছে পুলিশের কাছে। আবার বকশিশের নামে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চড়াও কিংবা সরকারি অফিসেও ফোন করার গোপন খবর আসছে অসাধু চক্র ও উঠতি সন্ত্রাসী বখাটেদের বিরুদ্ধে। আবার ঈদকে পুঁজি করে জালনোট প্রতারক চক্র সক্রিয় থাকে। এসব চক্রকে রুখে দিতে গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। ঈদ ও করোনাকে পুঁজি করে অবৈধ মজুদ ও খাদ্যে ভেজাল করার হীন মানসিকতার বিরুদ্ধেও মাঠে নেমেছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। যশোরের কয়েকটি ইউনিটের কয়েকটি টিম কঠোর নজদারিতে রয়েছে।  
যশোর কোতোয়ালী থানা সূত্র জানিয়েছে, অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঈদের আগে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে থাকে প্রতি বছরই। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন মার্কেট আসা ক্রেতা  সাধারণ, পথচারী, এমনকি ঘরমুখো মানুষও শিকার হন অপরাধী ও অসাধু চক্রের অপতৎপরতার। কিন্তু এবার করোনার লক ডাউনের কারণে এমনটির সুযোগ নেই। তবে কৌশলে চাঁদাবাজি,  ভেজাল কারবার ও অবৈধ মজুদ করার ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য প্রস্তুতি হিসেবে পুলিশ মাঠে রয়েছে।
যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্র জানিয়েছে, চাঁদাবাজ, জালনোট কারবারী ও প্রতারক চক্রকে ধরতে মাঠে কাজ চলছে। কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে জালনোট কারবারীদের পাকড়াও করতে সজাগ রয়েছে গোয়েন্দা শাখা। বকশিশের নামে চাঁদা নিতে চড়াও হওয়া চলবে না বলেও ওই গোয়েন্দা শাখার দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন। আগামী ৫ দিন পোশাকধারী পুলিশ ছাড়াও সিভিল পোশাকে সতর্ক অবস্থানে থাকছে ফোর্স।
এ ব্যাপারে যশোর কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ অর্থনৈতিক নানা সমস্যায় সময় পার করছে। এরপর সামনে ঈদ। আর ঈদ পুঁজি করে অপরাধীরা যাতে কোনো ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড না চালাতে পারে সে জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। শহরে সাদা পোশাকে পুলিশ টহল দিচ্ছে। ছিনতাই ঠেকাতেও শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত শহরের ব্যস্ত মোড়, ব্যস্ত ও বড়বড় মার্কেটগুলোর সামনেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। মার্কেট বন্ধ হলেও সিভিল পোশাকে টহল থাকবে বিভিন্ন স্পটে। কোনো অপতৎপরতা বরদাস্ত করা হবে না। বকশিশের নামে চাঁদাবাজি জালনোট কারবারী ও ভেজাল কারবারীদের  প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।




আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft