শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
যশোরে গণপরিবহনে সরকার নির্ধারিত হারেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে
উজ্জ্বল বিশ্বাস ও মিনা বিশ্বাস
Published : Saturday, 6 June, 2020 at 9:56 PM
যশোরে গণপরিবহনে সরকার নির্ধারিত হারেই ভাড়া নেয়া হচ্ছেযশোর থেকে বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যাওয়া পরিবহনগুলোতে সরকার নির্ধারিত বর্ধিত হারেই ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ভাড়া নিয়ে পরিবহনগুলোতে যে নৈরাজ্য প্রথম দিকে লক্ষ্য করা যায় দিন দিন সেটার অবসান হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। সেই সাথে পরিবহনগুলোতে মানা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধিও। তবে, সরকার করোনাকালে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি করায় অসন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈগল, হানিফ, একে ট্রাভেলস, সোহাগ, দ্রæতি, আনন্দ, হিমেল সীমান্তসহ সকল পরিবহনে সরকার নির্ধারিত বর্ধিত হারেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। সে হিসেবে ঢাকাগামী সাধারণ কোচের ভাড়া আগে যেখানে দু’শ’ ৮০ টাকা থেকে তিনশ’ ৩০ টাকা নেয়া হতো বর্তমানে সেখানে পাঁচশ’ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। চেয়ার কোচের ক্ষেত্রে পূর্বের চারশ’ ৮০ টাকার পরিবর্তে বর্তমানে সাতশ’ ৭৫ টাকা থেকে আটশ’ ১০ টাকা এবং এসি বাসের ক্ষেত্রে আগের এক হাজার একশ’ এবং এক হাজার দু’শ’ টাকার পরিবর্তে এক হাজার সাতশ’ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
মণিহার স্ট্যান্ডের ঈগল পরিবহনের কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা লিটন অধিকারী বলেন, তারা সরকার ও বিআরটিএ নির্ধারিত হারেই ভাড়া রাখছেন। সে সাথে নিরাপদে যাত্রার জন্য যাত্রীদের জন্য মাস্ক ও গøাভসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যারা সাথে নিয়ে আসছেন না তারা তাদের এসব সরবরাহ করছেন বলে জানান তিনি। তার মতে পরিবহনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানা হচ্ছে।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার বিন ইসলাম বিনু বলেন, নির্ধারিত হারেই যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া রাখা হচ্ছে। গত ১ জুন বিকেলে তাদের (হানিফ) শুধু একটি বাস ছেড়ে যায়। আরও সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। প্রস্তুতি চলছে এই সংখ্যা দিন দিন আরও বৃদ্ধি করার।
সাজ্জাদ হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, ‘দু’ভাই-বোন ঢাকায় যাচ্ছি। প্রায় প্লেনের সমান ভাড়া লাগলো। ভাড়া আরও কমানো উচিত।’
আরেক যাত্রী সাবিহা জাহান বলেন, ‘প্রয়োজনের কারণেই এমন অস্বাভাবিক ভাড়ায় ঢাকায় যেতে হচ্ছে। এমন ভাড়া অব্যাহত থাকলে আমার মনে হয় খুব প্রয়োজন ছাড়া মধ্যবিত্ত এবং নি¤œবিত্ত দূরের পথে যাত্রা করবে না। তাতে বাস মালিক এবং যাত্রী সবাই সমস্যায় পড়বে। তাই ভাড়া কমানো উচিত।’
অন্যদিকে পরিবহন নেতা শেখ হারুনার রশিদ ফুলু ব্যক্তি উদ্যোগে গত ১ জুন বাস চালক, হেলপার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দু’শ’ মাস্ক প্রদান করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, মালিক পক্ষ এ ব্যাপারে সেভাবে ব্যবস্থা নেয়নি। যে কারণে এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই মাস্ক ও গøাভস ছাড়া কাজ করছেন। স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে সবার জন্যই ব্যবস্থা থাকা উচিত।           




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft