বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
শিক্ষা বার্তা
যশোর বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষা
পরাস্ত পরীক্ষকরা, অকৃতকার্য দেখানোর পরও ৪৬ জনের পাস ‘এ’ প্লাস দু’জনের
এম. আইউব
Published : Wednesday, 1 July, 2020 at 12:33 AM
পরাস্ত পরীক্ষকরা, অকৃতকার্য দেখানোর
পরও ৪৬ জনের পাস ‘এ’ প্লাস দু’জনেরযশোর শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় একশ’ ২৩ পত্রের পরীক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষককে পরাস্ত করেছে। ৩১ মে প্রকাশিত ফলাফলে কাক্সিক্ষত ফল না পেলেও পুনঃনিরীক্ষায় সেটি সম্ভব হয়েছে। কেবল সম্ভব হয়নি অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে এমন ৪৬ জন পাস করেছে। তাদের মধ্যে দু’জন আবার এ প্লাসও পেয়েছে। পরীক্ষকদের অদক্ষতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষাবোর্ড থেকে সর্বমোট এক লাখ ৬০ হাজার ছয়শ’ ৩৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্র ২০ হাজার ছয়শ’ দু’জন, ছাত্রী ১৬ হাজার চারশ’ ৪৪ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার তিনশ’ সাতজন ছাত্র ও ৫২ হাজার চারশ’ ৮১ জন ছাত্রী এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার চারশ’ ছাত্র ও ১১ হাজার চারশ’ একজন ছাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে ১৩ হাজার সাতশ’ ৭৪ জন জিপিএ-৫, ৪২ হাজার একশ’ আটজন জিপিএ-৪ থেকে ৫ এর নীচে, ৩৩ হাজার চারশ’ ছয়জন জিপিএ-৩.৫ থেকে ৪ এর নীচে,৩০ হাজার তিনশ’ ৭৪ জন জিপিএ-৩ থেকে ৩.৫ এর নীচে, ২০ হাজার দুশ’ ৩৯ জন জিপিএ-২ থেকে ৩ এর নীচে এবং তিনশ’ ৫২ জন জিপিএ-১ থেকে ২ এর নীচে গ্রেড পেয়েছে।
পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর কাক্সিক্ষত রেজাল্ট না হওয়ায় ৩৪ হাজার দুশ’ ৮৪ টি পত্রে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন জমা হয়। পরীক্ষার্থীরা রীতিমতো ফিস জমা দিয়ে পরীক্ষকদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়।
আবেদনের মাধ্যমে তারা জানায়, পরীক্ষকরা যেভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেছেন সেটি সটিক না। পরীক্ষকদের ভুল হয়েছে। তারা আত্মবিশ্বাসের জায়গা থেকে এ চ্যালেঞ্জ করে। এদের মধ্যে একশ’ ২৩ টি পত্রের ফল পরিবর্তন হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে এটি জানিয়েছে যশোর শিক্ষাবোর্ড। এরমধ্যে এ প্লাস হয়েছে ৫১ টি পত্রে। ২৫ পত্রে এ, ১৬ পত্রে এ মাইনাস, ১০ পত্রে বি, পাঁচ পত্রে সি ও ১৬ পত্রে ডি হয়েছে। এর বাইরে পরীক্ষায় অকৃতকার্য দেখানো হয়েছিল এমন ৪৮ জন পাস করেছে। কেবল পাসই করেনি তাদের মধ্যে দু’জন এ প্লাস পেয়ে চমকে দিয়েছে। এ দু’জন এই ফল অর্জনের মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে যে পরীক্ষকরা কতটা অদক্ষ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন-যারা মূল্যায়ন করে তাদের অকৃতকার্য দেখিয়েছে!
যেসব বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে ওইসব বিষয়ের পরীক্ষককে পরপর দু’টি পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র। এছাড়াও তাদেরকে ডেকে এনে ভুলগুলো দেখানো হবে। তিনি বলেন, মানুষ মাত্রই ভুল করে। তবে, শিক্ষাবোর্ড এই ভুলের পরিমাণ অনেক কমিয়ে এনেছে। লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে একশ’ ২৩ পত্রের ফল পরিবর্তন একেবারেই কম। এটিও যাতে না থাকে সেই চেষ্টা করা হবে। এ ধরনের ভুল অতীতের তুলনায় অনেক কমেছে। যেটি স্বস্তির।  




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft