মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শালিখার নওশের আলীর বারমাসি থাই লেবুর চাষ
লাভজনক হওয়ায় অল্প দিনেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া
লক্ষ্মণ চন্দ্র মন্ডল, শালিখা (মাগুরা) থেকে :
Published : Wednesday, 29 July, 2020 at 1:05 PM
লাভজনক হওয়ায় অল্প দিনেই এলাকায় ব্যাপক সাড়াশালিখার শতখালী গ্রামের নওশের আলীর বারমাসি থাই লেবুর চাষ খুব লাভজনক হওয়াই অল্প দিনেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রায় দিন এলাকার উৎসাহী কৃষক তার বাগান  দেখতে এসে সেখান থেকে কলম করা চারা সংগ্রহ করে তার্ওা বাগান করা শুরু করেছেন। চলতি বছরে ৪০ শতক জমিতে ১৭৭টি গাছের লেবু প্রায় ২ লাখ টাকা বিক্রি করার পরও এখনো গাছে প্রায় দেড় লাখ টাকার লেবু আছে বলে তিনি ধারনা পোষন করেন। ছোট ছোট প্রতিটি গাছে ১০০০/১২০০ লেবুতো আছেই। আবার সব গাছে ফুল ও কুশি হয়েই যাচ্ছে। এভাবেই সারা বছর গাছে লেবু পাওয়া যায়। বছরে ৫/৬ বার লেবু বিক্রি করা যায়। চারা লাগানোর ১০/১১ মাস পরই ফল তোলা শুরু করা যায়। রসে ভরা এ লেবুর স্বাদ অনেকটা দেশী কাগুজে লেবুর মতই। নওশের আলীর ৪০ শতক বারমাসি থাই লেবুর বাগানে সাথী ফসলের চাষ হিসাবে কিছু লিচুর চারা, ১২০টি সবেদার চারা, ৪০০টি পেপেঁর চারা ও  ৫ হাজার ওলের চারা লাগানো আছে। খরিপ মৌসুমে ্ওই লেবুর বাগানে ম্টর কলাই বুনে সাড়ে ৫ মন মটর কলাই পেয়েছিলেন বল্ওে  তিনি জানান। আগামীতে তিনি আরো ২ একর জায়গায় এই বারমাসি থাই লেবুর চাষ বাড়াবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ন্ওশের আলী জানান  গত এক বছর আগে ঢাকার গাজীপুরের এক ব্যক্তি সরাসরি থাইল্যান্ড থেকে এই চারা এনে তিনি বাগান করেন। তার কাছ থেকে এই চারা অনেক বেশী দামে কিনে এনে ন্ওশের আলী নিজের বাড়ির মধ্যের ৪০ শতক জমিতে ১৭৭টি  লেবুর চারা রোপন করেন। গাছে ফল আসার পর তিন্ওি  প্রতি গাছে ২০/২৫টি করে কলম বেধেঁ দিয়েছেন। তিনি সীমাখালী পিয়ারপুর গ্রামের সুলাইমান হোসেনের কাছে ৩৫০ পিচ চারা, পাচঁকাহুনিয়া গ্রামের কৃষক সৌরভের কাছে ২৭০ পিচ চারা, মাদারীপুরের শিবচর থানার মুন্সি কান্দি গ্রামের বাদশা খালাসীর কাছে ১৭০ পিচ চারা বিক্রি করেছেন। এছাড়া এলাকার অনেকেই ১০/২০টি করে চারা নিয়ে তারা বাড়ির আঙ্গিনায় লাগিয়েছেন। এসব চারা তিনি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিনিয়ত অনেকেই তার মুঠোফোনে(০১৭১৮৭০৩৬৬২) চারা প্ওায়ার জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। ভিটামিন –সি সমৃদ্ধ বারমাসি এই থাই লেবুর রফতানী কারকেরা জানিয়েছেন এলাকা থেকে ট্রাক ট্রাক মাল দিতে পারলে আমরা নিজেরা গিয়ে ন্যায্যমুল্য প্রদান করেই আমরা লেবু নিয়ে আসবো। তাতে কৃষকেরা অধিক লাভবান হবে। বিদেশে মাল রফতানীর প্রত্যাশায় নওশের আলী নিজের এলাকায় এই লেবুর বাগান বাড়াতে ইচ্ছা পোষন করেন। ইতিপুর্বে  ন্ওশের আলী বিভিন্ন ফসলের চাষ করে মাগুরা জেলা তথা শালিখা উপজেলার শ্রেষ্ট ও আদর্শ কৃষক হিসাবে বিভিন্ন সময় কৃষি অধিদপ্তর থেকে প্রায় ১৫ টি পুরস্কার লাভ করেন। ন্ওশের আলী আদর্শ কৃষক হিসাবে বিভিন্ন ফসল ও ফলের চাষ করার পাশাপাশি মাগুরা- যশোর অঞ্চলের মেঘনা লাইফ ইন্সুরেন্স কোং লি: এর এক কর্মকর্তা পদে চাকরী করেন। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft