বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
খুলনায় ‘ট্রিপল মার্ডারের’ ১৭ দিন পর অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 3 August, 2020 at 10:52 AM
খুলনায় ‘ট্রিপল মার্ডারের’ ১৭ দিন পর অস্ত্র-গুলি উদ্ধারখুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মশিয়ালীতে ‘ট্রিপল মার্ডারের’ ১৭ দিন পর এক আসামির দেওয়া তথ্য মোতাবেক অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আসামি জাফরিন রিমান্ড চলাকালে মামলার তদন্তকারী কমকর্তা ডিবির ইন্সপেক্টর এনামুল হকের কাছে এই অস্ত্রের সন্ধান দেন।
রোববার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় মশিয়ালীর শেখ বাড়ির কবরস্থান ও সরদার বাড়ির পেছন থেকে এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খুলনা মহানগর ডিবি পুলিশের একটি টিম রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামি শেখ জাফরিন হাসানের স্বীকারোক্তি মোতাবেক খানজাহান আলী থানাধীন মশিয়ালী গ্রামের শেখ বাড়ির কবরস্থানে ৩ রাউন্ড ফায়ার্ড কার্তুজ এবং সরদার বাড়ির পিছনে রেইনট্রি গাছ সংলগ্ন ডোবায় ১টি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ২টি দেশীয় ওয়ানশুটার গান, ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গত ১৬ জুলাই মুজিবর নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেন খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া ও তার দুই ভাই খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জাফরিন ও মিল্টন। মুজিবরের গ্রেফতার নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গ্রামের বেশ কয়েকজন জাকারিয়ার বাড়িতে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে যান।
এ সময় জাকারিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে গ্রামবাসীর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জাকারিয়া, জাফরিন ও মিল্টন তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করেন। এতে নজরুল ইসলাম, গোলাম রসুল, সাইফুল ইসলাম, শামীম, রবি, সুজন, রানা ও খলিলসহ ৮/১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নজরুল ইসলাম ও গোলাম রসুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলাম নামে আরও একজন মারা যান। ওই দিন রাত ২টার দিকে বিক্ষুব্ধ অপরপক্ষের গণপিটুনিতে জাকারিয়ার সহযোগী জাহিদ শেখ (৩০) মারা যান।
পরে নিহত সাইফুলের বাবা বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করেন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft