শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ওপার বাংলা
পুরোহিত ভাতা ঘোষণার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন সংখ্যালঘু বিধায়ক
কাগজ ডেস্ক :
Published : Tuesday, 15 September, 2020 at 7:32 PM
পুরোহিত ভাতা ঘোষণার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন সংখ্যালঘু বিধায়কপুরোহিতদের ভাতা চালু করার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ। তিনিই প্রথম রাজ্য সরকারের কাছে পুরোহিত ভাতা চালুর দাবি জানিয়েছিলেন। এমনকি আন্দোলনও করেছিলেন। তাঁর দীর্ঘ আন্দোলনের ফল মেলায় খুশি এই সংখ্যালঘু বিধায়ক। সোমবার পুরোহিতদের জন্যই ভাতা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি জানান, পুজোর মাস থেকে ১,০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে যে পুরোহিতদের বাড়ি নেই, তাঁদের বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ঘর দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। প্রাথমিকভাবে ৮,০০০ পুরোহিতের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এই ঘোষণার পরই কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ বলেন, পুরোহিতরা যে আমার মত একজন সংখ্যালঘুর উপর আস্থা রেখেছিলেন তারজন্য আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি চেয়েছিলাম, এই গরীব মানুষগুলো ভাতা পান। সেই কারণেই বিধানসভায় প্রথম প্রস্তাব আকারে ভাতা চালুর দাবি জানিয়েছিলাম। দেরিতে হলেও রাজ্য সরকার সেই দাবি মেনে নেওয়ায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সনাতন ধর্মের ব্রাক্ষণরা দীর্ঘদিন ধরে পুজো করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা মন্দিরে মন্দিরে পুজো করেন। কিন্তু কোনওরকম সাহায্য তাঁরা পাননি। তাঁদের (পুরোহিতদের) মধ্যে একটি শ্রেণি আছে, যাঁরা খুব গরিব। সবাই তো আর ভালো পুজো, ভালো বিয়ে বা ভালো কাজ করার বায়না তো পান না। অনেকে আছেন, খুব গরিব। খুবই গরিব। গ্রামেগঞ্জে মাসে একটা পুজো পেলেন হয়তো। তাতে তাঁদের চলবে না।”
মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণায় অবশ্য ভোটের অঙ্ক দেখছে রাজনৈতিক মহল। তাঁদের মতে, রাজ্যে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা চালু হলেও এতদিন পুরোহিতরা সেই ভাতা পেতেন না। তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বারবার তোষামদের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি।
পুরোহিতদের সংগঠনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই কারণেই বিধানসভা ভোটের আগে আর কোনও ঝুঁকি নিলেন না মুখ্যমন্ত্রী বলেই মত পর্যবেক্ষকদের। যদিও পুরোহিত ভাতার সঙ্গে ‘অন্য কোনও সম্পর্ক’ নেই বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, “তাঁরা সমাজে-সমাজে যোগ রাখেন। আমাদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন, সেজন্য সাহায্য করা হচ্ছে। এটা অন্যভাবে দেখবেন না। এখানে যদি আমায় পাদ্রিরাও বলেন, যাঁরা খ্রিশ্চান আছেন, তাঁরা যদি সাহায্য চান, তাহলে তাঁদেরও আমরা সাহায্য করব।”  সুত্র : কলকাতা ২৪x৭



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft