http://www.finamate.com/

আর্কাইভ
শিক্ষকের হিংস্রতা

আসাদ বেহেস্তী
দু’সাংবাদিক হত্যা হলো
মিলছেনা এর জবাবটা,
হত্যা করেই যায়না বদল
সাংবাদিকের স্বভাবটা।
সাংবাদিকের কাজটা কঠিন
বিপদ ঘটে চতুর্দিক,
আনেই তুলে আসল খবর
কোনটা গরল কোনটা ঠিক !

ইসলামী জাহান
   

আল-কুরআনের আলো :
আল্লাহ তায়ালা এ সব জোড়া সৃষ্টি করেছেন,আর তোমাদের জন্য নৌযান ও পশুকে বাহন বানিয়েছেন।যাতে তোমরা এইগুলোর পিঠে বসে তোমাদের রবের অনুগ্রহের কথা স্বরণ করতে পারো এবং বলতে পারো মহান পবিত্র সেই সত্তা যিনি আমাদের জন্য এইগুলিকে নিয়ন্ত্রনাধীন করেছেন। তা না হলে আমরা এ গুলিকে আমাদের বসে আনতে পারতাম না।আর আমমাদের তো একদিন আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে।আর এই সবকিছু জানার পরও এই লোকেরা তার বান্দার মধ্যে থেকে কিছু সংখ্যককে তার অংশে গন্য করছে। আসলে মানুষ সুস্পষ্টভাবে অকৃতজ্ঞ। (সুরা যুখরুফ)
আল-হাদিসের আলো ঃ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেনমহানবী হযরত (রাসুল (স:) বলেছেন ,যখন তোমরা তিনজন হবে,তখন দুজন অন্যজনকে বাদ দিয়ে যেন গোপন আলাপ না করো। তবে আরো লোক এসে মিলিত হলে করা যাবে। কারণ, এরূপ অবস্থায় তৃতীয় জন মনে দুঃখ পাবে।(বুখারী)
হযরত আবু হুরায়রা (র:) হতে বর্নিত তিনি বলেন , আমি রাসুল (স:) কে বলতে শুনেছি , কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নিবেন । বান্দার নামাজের হিসাব যদি যথাযথ প্রমানিত হয় তবে সে নাজাত পেয়ে যাবে । আর যদি নামাজের হিসাব খারাপ হয় তবে সে ক্ষতিগস্ত হবে। ফরজ নামাজের হিসেবে যদি কোন কমতি দেখা যায় বা কম পড়ে তবে আল্লাহ তায়ালা বলবেন , দেখ বান্দার নফল নামাজ আছে কিনা ? যদি থাকে তাহলে নফল দ্বারা ফরজের কমতি পুরন করে দাও( তিরমিযী)
আল ফিকাহ বা মাসয়ালা ঃ
জুম্মার নামাজে খুতবা একটা অতি জুরুরী বিষয় এবং সাপ্তাহের একটা মাত্র দিনে সমগ্র মুসলমানদের চলমান বিষয়ে ও সপ্তাহের অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সচেতনতা ও সমাধান করার মত ভাষন জুম্মার খুতবায় থাকতে হবে। এবং এ জন্যই জুম্মার নামাজের পূর্বের খুতবাহ শোনা ওয়াজিব। জুম্মার খুতবার সময় খুতবা শুুনতে ব্যঘাত সৃষ্টি করে এমন সব ধরনের কাজ কর্ম করা নিষেধ। জুম্মার খুতবা বা ভাষন শোনার এতই তাগিদ আছে যে এমনকি খুতবা চলাকালিন সময়ে যে কোন নামাজ পড়াও নিষেধ। কোন প্রকার বাক্যালাপ করা নিষেধ।খুতবা শোনার গুরুত্বের প্রতি লক্ষ্য রেখেই এ সময় মসজিদের টাকার বাস্ক চালানো ,টাকা পয়সা আদান প্রদান বা দান করা, কোন প্রকার লেন দেন এমনকি অনান্য দোয়া-কালাম ও তাসবীহ পড়াও খুতবার সময় নিষেধ আছে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার এই যে, আলেমদের পক্ষ থেকে এ ব্যপারে সতর্ক করা হলে ও এখনো অনেক মুসল্লিদের মধ্যে এ সচেতনতা দেখা যাচ্ছে না।
ইসলামী জাহানের দেশ পরিচিতিঃ ( আজারবাইজান )
সরকারী নাম আজার বাইজান প্রজাতন্ত্র। লোকসংখ্যা ঃ প্রায় ১ কোটি আয়তন ঃ ৮৬১৫৭৬ বর্গ কিলোমিটার। অবস্থান ঃ দেশটির দক্ষিনে ইরান, পূর্ব দিকে কাস্পিয়ার সাগর, পশ্চিমে আর্মেনিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া এবং উত্তরে রাশিয়ান ফেডারেশনের দাগেস্তান প্রজাতন্ত্র। আজারবাইজানীদের মধ্যে জাতিগত ভাবে ১০০% মুসলমান। এর মধ্যে শিয়া ৭০%, এবং সুন্নি ৩০%। প্রধান প্রধান শিল্পের মধ্যে আছে ঃ তেল শোধনাগার, খনিজ, রাসায়নিক বস্ত্র। প্রধান প্রধান শস্যের মধ্যে আছে, খাদ্য শস্য তুলা ও আঙ্গুর, প্রধান খনিজ সম্পদের মধ্যে আছে, তেল, গ্যাস, লোহা। দেশটির কর্ষণ যোগ্য ভূমির পরিমান ১৮%। মুদ্রার নাম মানাত, আমদানি ৭০ কোটি ডলার, রপ্তানি ৬০.৫৫ কোটি, দৈনিক সংবাদপত্র প্রতি ১০০০ জনের জন্য একটি।


আপনার জিজ্ঞাসা ঃ
মোঃ আবদুল আলিম, চিনেটোলা বাজার,মনিরামপুর যশোর।
প্রশ্ন ঃ নাবী ও ওলীদের মর্যাদা ও সম্মানের অসীলা গ্রহণ করা যাবে কি?
উত্তর ঃ নাবী বা ওলীদের মর্যাদার অসীলা ধরে চাওয়া শিরকের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে অধিকাংশ বিদ্বানের নিকট উহা শিরকের মাধ্যম হিসাবে গণ্য। কেননা দু‘আ হচ্ছে এক প্রকার ইবাদত। আর এর পদ্ধতিটাও হচ্ছে অকাট্য প্রমাণের বিষয়।
আমাদের রাসূল (সা) থেকে শরীয়ত সম্মত কোন দলীল প্রমাণিত হয়নি যে কোন মাখলুকের মর্যাদা ও সম্মানের অসীলা ধরে চাওয়া যাবে। অতএব কোন মুসলমানের জন্য এমন অসীলা আবিষ্কার করা বৈধ নয় যা আল্লাহ তাআলা প্রবর্তন করেননি। মহান আল্লাহর বাণীঃ “তাদের কি এমন শরীক আছে, যারা তাদের জন্য সে ধর্ম প্রবর্তন করেছে, যার অনুমতি আল্লাহ তাআলা দেননি।” (আশ-শুরা, আয়াত ঃ২১)
নাবী কারীম (সা) বলেছেন ঃ “যারা আমার হুকুমসমূহের মধ্যে নতুন কোন জিনিষের প্রবর্তন করবে যা আমাদের দ্বারা প্রবর্তিত নয় তা বাতিল” (মুসলিম-১৭১৮)
সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অতটুকুই আমল করা ওয়াজিব যতটুকু আল্লাহ তাআলা বৈধ করেছেন।

(সংকলনে হাফেজ ক্বারী মাওলানা শফিউর রহমান) 2012-02-17