শিরোনাম: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে হত্যা করে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       ইভিএম নিয়ে আর প্রশ্ন করবে না বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী       দেশে মহিলা মাদরাসা ১১১৬টি : শিক্ষামন্ত্রী       যুক্তরাষ্ট্র ডাকলেই ইরান যুদ্ধে যোগ দেবে যুক্তরাজ্য       বিনিয়োগে বাংলাদেশ সবচেয়ে লাভজনক স্থান : পররাষ্ট্রমন্ত্রী       বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী       ‘সিগারেটে ‍সুবিধা দিয়ে বিড়িকে বঞ্চিত করা ঠিক না’       মোবাইল কলরেটে কর বাড়ানোর প্রস্তাব বাতিলের দাবি       শান্তি নয়, এটি ট্রাম্পের শয়তানি পরিকল্পনা : ফিলিস্তিন       ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার আগে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক’      
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অস্ত্র কিনছে মিয়ানমার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Wednesday, 12 June, 2019 at 8:16 PM
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অস্ত্র কিনছে মিয়ানমারআন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে মিয়ানমার। ভারত, চীন, রাশিয়া ও ইসরায়েল থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র কিনছে দেশটি।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়, ভৌগলিক অবস্থান ও অস্ত্রের বাজার হিসেবে এশিয়ার মধ্যে মিয়ানমার যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ফলে পাহাড়ি দেশটিকে চটাতে চাইছে না কেউই। উপরন্তু বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছ থেকে অস্ত্র কেনায় ছাড়ও পাচ্ছে নেইপেদো।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এর মতে, মিয়ানমারকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ করছে চীন। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালে মায়ানমারের ৬৮ শতাংশ অস্ত্রের আমদানি হয়েছে চীন থেকেই।
ফরাসি সংবাদ সংস্থাটির দাবি, অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সামরিক বৌদ্ধতন্ত্রের প্রচারে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে ‘সন্ত্রাসদমন’ অভিযান জোরাল করার আগের কয়েক মাস ধরে সেনাপ্রচারে সেই বিদ্বেষ জোরদার হয়ে ওঠে।
এরপর শুরু হয় রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ। অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর চলে অমানবিক অত্যাচার। গণধর্ষণ, গণহত্যার মতো ঘটনা হয়ে ওঠে জলভাত। ফলে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। আপাতত বাংলাদেশের আশ্রয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী।
অথচ রোহিঙ্গা নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নানা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছে মিয়ানমারকে। ‘টাটমাদাও’ বা দেশটির সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন কর্তার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে এসব নিষেধাজ্ঞার পরও অস্ত্র কিনতে মিয়ানমার সেনাকে বেগ পেতে হচ্ছে না। তারা অস্ত্র কেনা অব্যাহতই রেখেছে।
এসআইপিআরআই-এর গবেষক সিমন উইজেম্যান জানান, সাঁজোয়া যান, সারফেস টু এয়ার মিসাইল প্রযুক্তি, রাডার ও ড্রোন-সহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ছিল এর মধ্যে। বিশ্ব মঞ্চে মিয়ানমারের অন্যতম বন্ধু রাশিয়া। সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শুইগু ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মিয়ানমার সফর করেন এবং ৬টি এসইউ-৩০ বিমান বিক্রি নিয়ে একটি চুক্তিতে সই করেন।
এদিকে আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে চীনকে টেক্কা দিতে প্রতিবেশী মায়ানমারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করেছে ভারত। পাশাপাশি, মিয়ানমারের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০১৮ সালে রোহিঙ্গা সঙ্কটের মধ্যেও মিয়ানমার সরকারকে জল বিশুদ্ধকরণ সিস্টেম প্রদান করে ইসরায়েল। সবমিলিয়ে, খাতায় কলমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অস্ত্র কেনায় কার্যত কোনও বাধাই নেই মিয়ানমারের।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft