শিরোনাম: চুনোপুঁটি নয়, রাঘব বোয়ালদের ধরুন : রব       মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান : নাসিম       অবৈধ টাকার মালিকদের কাউকেই ছাড়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী        ‘খড়কুটো আঁকড়ে ধরা ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সাড়া পাচ্ছে না’       নজরদারিতে দিল্লির ৪ শতাধিক স্থাপনা       ‘দুদক মানুষের শতভাগ আস্থা অর্জন করতে পারেনি’       পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি, নিহত ১৬       দেশে এখন ভানুমতির খেল চলছে : রিজভী       তুরস্কের অভিযানের মুখে সরতে রাজি কুর্দি       দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া দুর্নীতির আওতামুক্ত নয় : মাহবুব তালুকদার      
হিন্দিকে ভারতের জাতীয় ভাষা ঘোষণার প্রস্তাব অমিত শাহের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Saturday, 14 September, 2019 at 9:14 PM
হিন্দিকে ভারতের জাতীয় ভাষা ঘোষণার প্রস্তাব অমিত শাহেরহিন্দিকে ভারতের জাতীয় ভাষা ঘোষণার প্রস্তাব দিয়ে বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘ভারত বহু ভাষাভাষীর দেশ। প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব গুরুত্ব থাকলেও বিশ্বব্যাপী পরিচিতির জন্য একটি অভিন্ন ভাষার প্রয়োজন। বর্তমানে যদি এমন একটিও ভাষা থাকে যা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে, তবে তা হলো হিন্দি ভাষা। এ ভাষাটি ভারতে সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং সহজবোধ্য।’
‘হিন্দি দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় ভাষার গুরুত্ব তুলে ধরে অমিত শাহ বলেন, ‘ভারতের জাতীয় পর্যায়ে দু’টি সরকারি ভাষা এবং রাষ্ট্রীয় স্তরে ২২টি তফসিলি ভাষার স্বীকৃত থাকলেও দেশে এখনও কোনো জাতীয় ভাষা নেই। একটি জাতীয় ভাষা যখন দেশপ্রেমিক এবং জাতীয়তাবাদী পরিচয় অর্জনের উদ্দেশে তৈরি করা হয়, তখন সরকারি ভাষা এবং তফসিলি ভাষাগুলো সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের উদ্দেশে বিশুদ্ধভাবে মনোনীত করা হয়।’
‘প্রতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যখন ভারতের গণপরিষদ হিন্দিকে ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করেছিল, সে দিনের তাৎপর্য তুলে ধরতেই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। দেবনগরী লিপিতে রচিত হিন্দি, দেশের ২২টি তফসিলি ভাষার একটি। সেই সঙ্গে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষা দু’টির সরকারি ভাষার মর্যাদাও রয়েছে,’ যোগ করেন অমিত শাহ।
তবে হিন্দিকে ভারতের জাতীয় ভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার পথটা বিজেপির জন্য সহজ হবে না। কেননা গত জুনেই নতুন শিক্ষানীতি ২০১৯ এ দেশের সমস্ত স্কুলে হিন্দি বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর তারপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে দক্ষিণের রাজ্যগুলো। দেশ জুড়ে তীব্র বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল মোদি সরকারকে, বিশেষত দক্ষিণ রাজ্যগুলো থেকে চরম প্রতিবাদ আসে।
প্রবল চাপের মুখে প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষানীতির খসড়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন করে মোদি সরকার। পরে বিতর্কিত অংশটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft