শিরোনাম: ‘বিএন‌পির সিদ্ধান্ত আসে লন্ডন থেকে’       খালেদা জিয়ার স্বাস্থ‌্য নিয়ে মিথ্যা তথ‌্যদাতার বিচার চায় বিএনপি       আয়কর মেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার       ইসরায়েলি হামলার জবাবে ৮০ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ       ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রাখায় দাম কমছে না : বাণিজ্যমন্ত্রী       ইসরায়েলি রকেট হামলায় ফিলিস্তিনি কমান্ডার নিহত       তৃণমূলে অনুপ্রবেশকারীদের অপসারণ করা হবে : হানিফ       সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার গুরুতর অসুস্থ       চীনে কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রাসায়নিক হামলা, আহত ৫১       গণশুনানি দুর্নীতির পথ টিহ্নিত করে দেয় : চট্টগ্রামে দুদক কমিশনার      
রাজশাহী বিভাগে পদ হারাচ্ছেন আ.লীগ অনুপ্রবেশকারীরা
রাজশাহী ব্যুরো :
Published : Saturday, 9 November, 2019 at 6:24 AM
রাজশাহী বিভাগে পদ হারাচ্ছেন আ.লীগ অনুপ্রবেশকারীরাআওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুপ্রবেশকারীদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইতি মধ্যে দয়দলীয় সভানেত্রী নিজের তত্ত্বাবধানে পাঁচ হাজার অনুপ্রবেশকারীর তালিকা করে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে দিয়েছেন। এতে টনক নড়েছে দায়িত্বপ্রাপ্তদের। এ তালিকার প্রায় দেড় হাজার অনুপ্রবেশকারী এখন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপুর্ণ পদে রয়েছেন।
রাজশাহী বিভাগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন জেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃত্ব দখল করেছে বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা ১ হাজার ২০৫ অনুপ্রবেশকারী। পদধারী নয়, এমন সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। কেন্দ্রের সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী এসব অনুপ্রবেশকারীকে আগামীতে কোনো পদে রাখা যাবে না বা পদ দেয়া যাবে না।
সূত্রে হতে জানা যায়, বিএনপি ও জামায়াত ছেড়ে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ শুরু হয় ২০০৯ সাল থেকে। আর এই অনুপ্রবেশ বেড়ে যায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর। বিশেষ করে চারদলীয় জোটের সহিংস আন্দোলন দমে যাওয়ার পর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ভিড়ে যান বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতাকমী। আর আওয়ামী লীগ সরকার এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে যেন সবাই আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে।
জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটেছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌর কমিটিতে। শুধু রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় পদধারী অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ১ হাজার ২০৫ জন। গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র থেকে পাওয়া তালিকা অনুযায়ী রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলায় অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা সর্বাধিক, তা হল ৭৪৮ জন। অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতার হাত ধরেই ছোট জেলা জয়পুরহাটে গত কয়েক বছরে বিএনপি-জামায়াতের নেতারা আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়ে, যাদের অধিকাংশই নাশকতা মামলার আসামি। এছাড়া বগুড়ায় ১২৬ জন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২১ জন অনুপ্রবেশকারী আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পদে জায়গা পেয়েছেন।
সূত্র জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র জ্বালিয়ে দেয়া ও বিএনপির অবরোধের সময়ে র‌্যাবের ওপর বোমা হামলা মামলার আসামিরাও দলের বিভিন্ন পদে আসীন হয়েছেন জেলার সাবেক একজন দলীয় এমপির হাত ধরে।
রাজশাহী জেলায় ৯ জন পদধারী অনুপ্রবেশকারীর নাম প্রকাশ করা হলেও এ সংখ্যা তিন শতাধিক বলে দাবি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান। তিনি বুধবার বলেন, যে ৯ জনের তালিকা পাওয়া গেছে তারা বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দলের শীর্ষ পদে রয়েছেন। এদের পদে বসানোর দায় নিজ নিজ এলাকার এমপিদের। তাদের বিষয়ে জেলা কমিটির কোনো দায় নেই। এর বাইরে রাজশাহীতে দলের সহযোগী সংগঠন ও অন্যান্য সাংগঠনিক ইউনিটের ছোট বড় পদগুলো অনুপ্রবেশকারীরা দখলে নিয়েছে বলে জানান তিনি। ৮ নভেম্বর কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকায় জেলা কমিটির মতবিনিময় কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচিতে অনুপ্রবেশকারীদের কর্মকা- তুলে ধরা হবে বলেও জানান
আসাদুজ্জামান।
এদিকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনে ২৭ জন, নাটোরে ১০৪ জন, সিরাজগঞ্জে ১১ জন, পাবনায় ৫৯ জন অনুপ্রবেশকারীর নাম তালিকায় রয়েছে। তবে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের একজন পদধারী নেতার নাম প্রকাশ না করে বলেন, মহানগরে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা তিন শতাধিক। এদের মধ্যে বিএনপির আন্দোলনের সময় পুলিশ কনস্টেবল সিদ্ধার্থ হত্যা মামলার কয়েকজন আসামিও রয়েছেন। যদিও কোনো সাংগঠনিক ইউনিটে তাদের পদ দেয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, কিছু লোক দলে ঢুকেছে তবে তাদের কোনো পদে জায়গা দেয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
২০০৭ সালের তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন কাঁকনহাট পৌরসভার মেয়ল আবদুল মজিদ মাস্টার। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েই বাগিয়ে নিয়েছেন কাঁকনহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ। একই সঙ্গে নৌকা নিয়ে তিনি কাঁকনহাট পৌরসভার মেয়রও নির্বাচিত হয়েছেন। গত সম্মেলনে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদও পেয়েছেন।
গোদাগাড়ী উপজেলার যুবদলের সভাপতি রবিউল আলম এখন গোদাগাড়ী পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরু এখন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। গোদাগাড়ী উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি ও মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল ইসলাম ২০১১ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক।
মোঃ ইসহাক আলী গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। গত বছরের ১৫ আগস্ট তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তবে এখনো তিনি কোন পদ পাননি। আর এ উপজেলার এক সময়ের শিবির নেতা শহিদুল ইসলাম এখন জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও বিএনপি নেতা মাইনুল ইসলাম বর্তমানে ওয়ার্ড সৈনিক লীগের সভাপতি, জামায়াত নেতা জাহিদুল ইসলাম যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগে।
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা ও পশ্চিম জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি এবং জঙ্গি নেতা বাংলাভাইয়ের সহযোগী মোল্লা এম আলতাফ হোসেন। এখন তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক।
বাগমারা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। আগামী সম্মেলনে পদের আশায় রয়েছেন বলে জানা যায়।
জেলার পুঠিয়া উপজেলা জামায়াতের রোকন আরিফ হোসেন। তিনি এখন উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি। জামায়াত কর্মী মজিবর রহমান এখন জিউপাড়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও উপজেলার পুঠিয়া পৌরসভার বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ বিশাস, পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান, জিউপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল ইসলাম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এদের মধ্যে আতিকুর রহমান যোগ দিয়েই পৌরসভায় চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন।
মোহনপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা রুস্তম আলী ও জাতীয় পার্টির সহযোগি সংগঠন জাতীয় যুব সংহতি নেতা কামরুজ্জামান রানা বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। জাতীয় পার্টির আরেক নেতা রোকনুজ্জামান টিটু কেশরহাট পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি।
চারঘাট উপজেলার চারঘাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাবিল উদ্দিন, শলুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তৌফিক ইসলাম, চারঘাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান, যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুল কাদের ও ভায়ালক্ষ¥ীপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবদুল মান্নান আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা এখন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা।
পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তিনি পবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তার সঙ্গে ওই ইউপির সদস্য ও বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, মহিলা সদস্য রেশমা বেগম এবং রাশেদা বেগম আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
তানোর উপজেলার কলমা ইউপির ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতা আব্বাস উদ্দিন, আতাউর রহমান ও রেজাউল করিম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন ।
রাজশাহী নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মনির হোসেন, বিএনপি নেতা ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুস সোবহান, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। এছাড়াও নগর বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের সদস্য হয়েছেন।
গত ১০/১১ বছরে রাজশাহীতে অনুপ্রবেশকারীরা জায়গা করে নিয়েছে আওয়ামী লীগে। শুধু তাই নয়, তাদের অনেকের দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে দলটির ত্যাগী ও প্রবীন নেতা-কর্মীরা। এছাড়াও দলের অনুপ্রবেশকারীরা অনেকে জড়িয়ে পড়েছে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, জমিদখল এমনকি মাদক চোরাচালন নিয়ন্ত্রণে।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘‘দলে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা করে পাঠানোর কোন নির্দেশনা আমরা পায়নি। তবে অনুপ্রবেশকারীরা যেন পদ না পায় সে ব্যাপারে সতর্ক করে কেন্দ্র থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু কারা কারা অনুপ্রবেশকারী তার তালিকা দেয়া হয়নি।’’ কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘‘আমার জানা মতে গত ১০ বছরের মধ্যে অনুপ্রবেশকারীদের কেউ আওয়ামী লীগের পদ পায়নি। আগামীতে সম্মেলনেও তারা পাবে না। এ ব্যাপারে কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা এসেছে সে ভাবেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’
রাজশাহী জেলা কমিটির আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে সার্বিক নির্দেশনা দিয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্র থেকে দেশের সব ইউনিটকে চিঠি দেয়া হয়েছে। সবখানে সেই নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা তা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। স্থান কাল পাত্র বিবেচনায় দলে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কেন্দ্রের অবস্থান শিথিল হবে না বলে জানিয়ে দেন এ কেন্দ্রীয় নেতা।
এদিকে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কেন্দ্রের এ শক্ত অবস্থানের প্রতিফলন দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল আয়োজনে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ নভেম্বর অনুপ্রবেশকারীরা মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি থেকে কাউন্সিলর করে তড়িঘড়ি কমিটি করার উদ্যোগ নেয়। বিএনপি থেকে আসা নাচোল উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের সভাপতি হওয়ার জন্য তড়িঘড়ি কাউন্সিলের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু অধিকাংশ কাউন্সিলর বিএনপি জামায়াত থেকে আসা- এমন অভিযোগ কেন্দ্রে পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত একদিন আগে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে সেই কাউন্সিল বাতিল করা হয়।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft