শিরোনাম: উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হলেন জয়       কাশ্মীরে ফের সংঘর্ষ, দুইজন নিহত       ভারতে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১       ডিআইজি মিজা‌নের জা‌মিন নামঞ্জুর       ১০ বছরে ৬ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী       অভিশংসন তদন্তের মুখে ট্রাম্প       বাংলাদেশে নয়, মালদ্বীপে পেঁয়াজ পাঠাবে ভারত       ‘এস ফোর হান্ড্রেড’ নিয়ে তুরস্ককে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি       বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতির বিষবৃক্ষ : ইনু       ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, নেতাকর্মীদের কাদের      
মহাদেবপুরে কলাচাষী সহস্রাধিক কৃষক পরিবারে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা
মোঃ আককাস আলী, নওগাঁ :
Published : Friday, 8 November, 2019 at 7:49 PM
মহাদেবপুরে কলাচাষী সহস্রাধিক কৃষক পরিবারে ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতাব্যাপক সফলতা আসায় নওগাঁর মহাদেবপুরের কৃষকরা কলাচাষে ঝুঁকেছেন। সারি সারি বাগান থেকে কলা বিক্রি করে প্রচুর টাকার মুখ দেখছেন চাষীরা। বাজারে উচ্চমূল্য এবং ব্যাপক চাহিদার কারণে বাগানের কলা নিয়ে সামান্যতম দুশ্চিন্তাও করতে হয়না কৃষকদের। বাগানে চাষ আবার বাগানে বসেই বিক্রি। ক্রেতারা বাগানে বাগানে ঘুরে কলা ক্রয় করে নিয়ে আসেন। অনেক ক্রেতা আবার বাগানের সমুদয় কলা আগাম ক্রয় করে রাখেন। এ ফসল চাষ করে যেখানে বাজারমূল্য ও বিক্রি নিয়ে নেই কোন দুশ্চিন্তা সেখানে কৃষকদের ঝুঁকে পড়াটাই স্বাভাবিক। কোন দুশ্চিন্তা ছাড়াই স্বল্প খরচ ও নামমাত্র পরিশ্রমে বেশী লাভের দেখা পাওয়ায় উপজেলার সহ¯্রাধিক কৃষক তাদের তুলনামূলক উঁচু জমিগুলোকে পরিকল্পিতভাবে তৈরী করে কলাচাষের ক্ষেত বানিয়েছেন। এ ক্ষেত থেকে কৃষক প্রতিদিনই বিক্রি করছেন ক্যানে ক্যানে কলা আর পকেটে ভরছেন বাড়তি টাকা। এভাবে কলাচাষী পরিবারগুলোতে বিরাজ করছে স্বচ্ছল অবস্থা। তাদের দেখাদেখী অন্যান্য কৃষকরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন কলাচাষের। কলার বাজারমূল্য এবং চাহিদা এরকমই থাকলে শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলায় নিকট ভবিষ্যতে কলাচাষেও বিপ্লব ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ব্যাপক সফলতার মুখ দেখা এনায়েতপুরের কৃষক সরদার খায়রুল আলম,হাফিজুর রহমান, ইন্দাইয়ের আঃ সালাম, শেরপুরের শামীম, কার্লনার মোস্তাফিজুর রহমান, বুজরকান্তপুরের আঃ কুদ্দুস ও মহিনগরের হারুন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে কলাচাষ করতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার খরচ হয়। ওই জমির কলা বিক্রি করে খরচ বাদে লাভের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। তারা জানান, কলা বিক্রির জন্য হাটবাজারেও যেতে হয়না। ক্রেতারা বাগান থেকেই ক্রয় করে নিয়ে যান। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মোমিন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে ৩৯০ থেকে ৪২০টি কলাগাছ রোপন করা যায়। রোপনের পর থেকে কৃষক ওই বাগান থেকে একনাগাড়ে ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত কলা বিক্রি করতে পারেন। রোপনকালীন ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচের পর থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে বাগানের যতœ ছাড়া কৃষকের আর তেমন খরচ হয়না। বাগানের কলা বিক্রির পাশাপাশি একই বাগান থেকে কৃষক কলার চারাগাছ বিক্রি করেও ভাল আয় করেন বলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মোমিন জানান। বাগানের প্রতিটি চারাগাছ ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বর্তমানে এখানে ৬২৫ বিঘা জমিতে কলাবাগান রয়েছে। তবে ক্রমেই কলাবাগানের সংখ্যা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। #      




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft