শিরোনাম: ডেঙ্গুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, ইশতেহারে ৯৫ প্রতিশ্রুতি তাবিথের       চীন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার নির্দেশ       ক্ষমা চাইলেন আতিক       খালেদাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৬ ফেব্রুয়ারি       সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট দেখতে চাই : ব্রিটিশ হাইকমিশনার       কেউ যেন সাম্প্রদায়িকতা ছড়াতে না পারে : গণপূর্তমন্ত্রী       ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত নেই ইসির : দুদু       চীনে ভাইরাস প্রতিরোধে পদক্ষেপ জোরদার       তাবিথের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা সোমবার       ইশরাক বাবা-চাচার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে : মির্জা আব্বাস      
ব্যর্থতার সঙ্গে দায়িত্বহীন কথা
Published : Friday, 6 December, 2019 at 6:59 AM
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন: মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদও বলেছেন: গত সাড়ে দশ বছরে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে আড়াইগুণ।
আমরা এই উন্নয়নের কোনো চিত্রই দেখতে পাই না। মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা কতটুকু অর্জিত হয়েছে সেটা এখনও পরিস্কার হিসাব নয়। আর ক্রয় ক্ষমতা বাড়লেই কি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়তেই থাকবে? আমরা দেখি বাজারের নিত্যপণ্যর উর্ধগতি নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে।
সরকারি সংস্থা টিসিবিই জানিয়েছে ঢাকার বাজারে গত এক মাসে ১৮টি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চাল, খোলা আটা, খোলা ভোজ্যতেল, সরু দানার মসুর ডাল, আলু ও চিনির মতো পণ্যগুলো। পেঁয়াজ অবশ্য মূল্যবৃদ্ধিতে সবার ওপরে রয়েছে। সংস্থাটির মঙ্গলবারের তালিকায় দেখা যায়, এক মাসে চাল ৩ থেকে ৯ শতাংশ, খোলা আটা ও ময়দা ৭, খোলা ভোজ্যতেল ২ থেকে ১০, সরু দানার মসুর ডাল ২ থেকে ৭, মুগডাল ৫, আলু ২৩, পেঁয়াজ ৫৪, শুকনা মরিচ ১৬, দেশি রসুন ৬, হলুদ ১৪, জিরা ৭, দারুচিনি ২, এলাচ ২০, ধনে ৬, তেজপাতা ৪, ইলিশ ৭ ও চিনির ২ শতাংশ মূল্য বেড়েছে।
দাম কমেছে ৭টি পণ্যের। এর মধ্যে রয়েছে প্যাকেটজাত আটা ১ শতাংশ, তুরস্কের মসুর ডাল ৪ শতাংশ, অ্যাংকর ডাল ৬ শতাংশ, আমদানি করা রসুন ৩ শতাংশ, লবঙ্গ ৯ শতাংশ, দেশি ও ব্রয়লার মুরগি ৫ থেকে ৬ শতাংশ এবং ডিম ৪ শতাংশ।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতাই বেশি। বিশেষ করে চাল, খোলা আটা, খোলা তেল, আলু ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ভোগাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষকে। কারণ, নিম্ন আয়ের মানুষ খোলা তেল ও খোলা আটা বেশি কেনে। পেঁয়াজ ও রসুন ছাড়া রান্না কঠিন।
সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজার দর নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দায়িত্বশীলদের অযৌক্তিক ও উদ্ভট কথাবার্তা যা জনমনে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লেই কি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশ চুম্বি হবে?
আমরা মনে করি গত দুই মাস যাবৎ পেঁয়াজ নিয়ে যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে তা সমাধানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তার উপর এই ধরণের কথাবার্তা জনমনে অস্বস্তি অসন্তোষ তৈরি করছে যা আমাদের সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে পারে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft