শিরোনাম: নারী-শিশু নির্যাতনকারীদের চরম দণ্ড চায় ১৪ দল       ১৭ মার্চ থেকে ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদ আগের মতো : অর্থমন্ত্রী       ঢাকার মেয়রদের শপথ গ্রহণের তারিখ ঘোষণা       মাদক মামলায় ক্যাসিনো খালেদ বললেন, ‘আমি নির্দোষ’       ‘ভারতে সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে’       মুজিববর্ষে মোদি ঢাকায় এলে বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করা হবে : ভিপি নুর       জ্বলছে দিল্লি : শান্তির ডাক মমতার       পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করবে দুদক       ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমে রাশিয়ার সমর্থন, নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের       স্থলবন্দরে ১৪টি দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত      
সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আসছে পুরো খুলনা সিটি
শেখ হেদায়েতুল্লাহ, খুলনা :
Published : Saturday, 25 January, 2020 at 6:50 AM
সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আসছে পুরো খুলনা সিটিশিল্পনগরী খুলনার সার্বিক অপরাধ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনতে পুরো  মেট্রোপলিটন এলাকাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। কেএমপির (খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের) আট থানার একটি করে কক্ষে মনিটর বসিয়ে সবকিছুই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অনেকস্থানে স্থাপিত ক্যামেরা সুষ্ঠু দেখভালের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। বিশেষ করে ডিস লাইনের ক্যাবলের আড়ালে সিসি ক্যামেরার ক্যাবল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ডিসলাইনের তারের জটলায় ঢেকে গেছে ক্যামেরাও।
কেএমপি সূত্রে জানা যায় খুলনা মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও মাদকসহ অপরাধ তৎপরতা রোধে বসানো হয়েছে প্রায়  দেড় হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা। এরফলে সিসিটিভি’র আওতায় আসছে পুরো মহানগরীর আট থানা এলাকা। আর এতে পুলিশ কর্মকর্তারা এক স্থানে বসেই পুরো এলাকার যে কোন ঘটনা-দুর্ঘটনা, রাজনৈতিক ও সামাজিক হানাহানি, মাদক বোচাকেনাসহ সব ধরনের অপরাধ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবেন।
১৯৮৬ সালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিষ্ঠার সময় খুলনা মহানগরীর আয়তন ছিল ৪৫ দশমিক ৬৫ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে আয়তন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ বর্গকিলোমিটার। থানার সংখ্যা বেড়ে এখন আটটি। আর প্রায় ৭০ হাজার হোল্ডিংয়ের বিপরীতে জনসংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ। এ বিপুল সংখ্যক মানুষ এবং বিশাল আয়তন নিয়ে এই নগরীর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম অবস্থা পুলিশের। মাত্র তিন হাজার সদস্যের  মেট্রোপলিটন পুলিশ খুলনা মহানগরীর নিরাপত্তা দিতে গিয়ে বিভিন্ন সময় সমালোচিতও হতে হয়।
কেএমপির আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রেজাউল করিম বলেন, প্রায় তিনবছর আগে কেএমপির সকল থানায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। আড়ংঘাটা থানাতেও বসানো হয়। কিন্তু নানা কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। তাই গত তিনদিন আগে শক্তিশালী আটটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম বাহার বুলবুল বলেন, খুলনা থানা এলাকায় ইতোপূর্বে বসানো সিসি ক্যামেরাগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্যামেরাগুলো বিদ্যুতের খুটিতে বসানো হয়। আবার ওই খুটিতে ডিসলাইনের তারসহ বিভিন্ন বেসরকারী নেটলাইনের তারও টানানো রয়েছে। ফলে ক্যামেরাগুলো ঠিকমত কাজ করে না। তিনি বলেন খুলনা থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ন স্থানে ৪০০টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। যা থানার একটি কক্ষে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, খুলনা মহানগরীতে অপরাধ দমন এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কেএমপির আট থানায় সহস্রাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বসানো হবে। কেএমপির এই কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হলে মহানগরীতে অপরাধ প্রবণতা কমার পাশাপাশি পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থাও ফিরবে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft